<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>ক্লাইমেট চেঞ্জ এন্ড বিসনেস ইমপ্যাক্ট &#8211; BizTech Standard</title>
	<atom:link href="https://bstandard.info/category/%E0%A6%8F%E0%A6%A8%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%B0%E0%A7%8B-%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%AB%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%B2/%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%9F-%E0%A6%9A%E0%A7%87%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9C/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://bstandard.info</link>
	<description>Inspiring Tech Needs for Business</description>
	<lastBuildDate>Wed, 01 Apr 2026 11:17:22 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>

<image>
	<url>https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/10/cropped-BIZTECH-icon-32x32.png</url>
	<title>ক্লাইমেট চেঞ্জ এন্ড বিসনেস ইমপ্যাক্ট &#8211; BizTech Standard</title>
	<link>https://bstandard.info</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>স্লো ফ্যাশন: পরিবেশ সচেতন ও নৈতিক ফ্যাশনের নতুন ধারা</title>
		<link>https://bstandard.info/slow-fashion-embracing-sustainability-and-ethics-in-modern-fashion/</link>
					<comments>https://bstandard.info/slow-fashion-embracing-sustainability-and-ethics-in-modern-fashion/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজটেক স্ট্যান্ডার্ড]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 10 Apr 2025 04:36:21 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ক্লাইমেট চেঞ্জ এন্ড বিসনেস ইমপ্যাক্ট]]></category>
		<category><![CDATA[এনভাইরো-লাইফস্টাইল]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://bstandard.info/?p=7173</guid>

					<description><![CDATA[ফ্যাশন জগতের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও পরিবেশ-বান্ধব ধারণা হলো স্লো ফ্যাশন। এটি এমন একটি ধারণা যা ফ্যাশনের দ্রুত পরিবর্তনশীল ও ট্রেন্ড-নির্ভর ব্যবস্থার বিপরীতে দাঁড়িয়ে দীর্ঘস্থায়ী ও মানসম্মত পোশাক তৈরির উপর গুরুত্ব আরোপ করে। বর্তমান বিশ্বে যখন ফাস্ট ফ্যাশনের কারণে পরিবেশের উপর বিরূপ প্রভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে, তখন স্লো ফ্যাশন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। স্লো ফ্যাশনের মূলনীতি স্লো ফ্যাশন মূলত পোশাক উৎপাদনের প্রক্রিয়া ও ব্যবহৃত কাচামালের প্রতি গুরুত্ব দেয়। এটি নতুন পোশাকের উৎপাদন কমিয়ে, পুরোনো পোশাক পুনর্ব্যবহার ও আপসাইকেলিংয়ের মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষা করে। স্লো ফ্যাশনের মূলনীতি হলো নতুন পোশাক উৎপাদন কমানো বা সম্পূর্ণভাবে এড়িয়ে চলা। এটি একটি প্রক্রিয়া, যেখানে উৎপাদনশীলতা কম [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<table width="100%">
<tbody>
<tr>
<td align="left"><a href="https://bstandard.info/english/slow-fashion-embracing-sustainability-and-ethics-in-modern-fashion/" type="button" class="btn btn-info btn-md">Read it in English</a></td>
<td align="right"><a href="#" type="button" class="btn btn-link btn-lg">গবেষক এবং প্রতিবেদক: </a><a href="https://bstandard.info/author/fuad/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">তানজিল ফুয়াদ</a> <span style="font-weight: 400;"><a href="https://bstandard.info/author/maria/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">আয়শা মারিয়া</a></span></td>
</tr>
</tbody>
</table>
<p><span style="font-weight: 400;">ফ্যাশন জগতের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও পরিবেশ-বান্ধব ধারণা হলো স্লো ফ্যাশন। এটি এমন একটি ধারণা যা ফ্যাশনের দ্রুত পরিবর্তনশীল ও ট্রেন্ড-নির্ভর ব্যবস্থার বিপরীতে দাঁড়িয়ে দীর্ঘস্থায়ী ও মানসম্মত পোশাক তৈরির উপর গুরুত্ব আরোপ করে। বর্তমান বিশ্বে যখন ফাস্ট ফ্যাশনের কারণে পরিবেশের উপর বিরূপ প্রভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে, তখন স্লো ফ্যাশন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।</span></p>
<p><b>স্লো ফ্যাশনের মূলনীতি</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">স্লো ফ্যাশন মূলত পোশাক উৎপাদনের প্রক্রিয়া ও ব্যবহৃত কাচামালের প্রতি গুরুত্ব দেয়। এটি নতুন পোশাকের উৎপাদন কমিয়ে, পুরোনো পোশাক পুনর্ব্যবহার ও আপসাইকেলিংয়ের মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষা করে। স্লো ফ্যাশনের মূলনীতি হলো নতুন পোশাক উৎপাদন কমানো বা সম্পূর্ণভাবে এড়িয়ে চলা। এটি একটি প্রক্রিয়া, যেখানে উৎপাদনশীলতা কম রাখা হয় এবং নতুন পণ্য তৈরির পরিবর্তে পুরোনো বা বিদ্যমান পোশাককে পুনর্ব্যবহারযোগ্য করা হয়। এভাবে পানির অপচয় ও পরিবেশ দূষণ কমানো যায়। উদাহরণস্বরূপ, একটি সাধারণ টি-শার্ট তৈরিতে প্রায় ২,৭০০ লিটার পানির প্রয়োজন হয়। এই ধরনের অপচয় রোধ করাই স্লো ফ্যাশনের অন্যতম লক্ষ্য।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img fetchpriority="high" decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8238" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2025/04/image-01-5.jpg" alt="স্লো ফ্যাশনের মূলনীতি চিত্রায়িত হয়েছে—পরিবেশবান্ধব উৎপাদন, নৈতিক শ্রমনীতি, ও টেকসই উপকরণের ব্যবহার।" width="1024" height="576" /></p>
<p><b>বাংলাদেশের স্লো ফ্যাশন উদ্যোগ</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বাংলাদেশে স্লো ফ্যাশনের ধারণা তুলনামূলকভাবে নতুন হলেও ইতোমধ্যে কিছু প্রতিষ্ঠান ও উদ্যোগ এই ধারায় কাজ শুরু করেছে। উল্লেখযোগ্য একটি উদ্যোগ হলো &#8216;ফ্রেন্ডশিপ কালারস অব দ্য চরস&#8217;। এই ব্র্যান্ডটি দেশের প্রথম স্লো ফ্যাশন ব্র্যান্ড হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। তাদের ডিজাইন টিমের নেতৃত্বে রয়েছেন ডিজাইনার ইমাম হাসান। ফ্রেন্ডশিপ এনজিওর এই প্রকল্পটি বাংলাদেশের চিরাচরিত পদ্ধতি অনুসরণ করে প্রাকৃতিক ও এজোমুক্ত রঙ ব্যবহার করে পোশাক তৈরি করে। তাদের কার্যক্রমে চর অঞ্চলের প্রান্তিক নারীরা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হয়ে দক্ষ কর্মী হিসেবে যুক্ত হচ্ছেন, যা তাদের স্বাবলম্বী হতে সাহায্য করছে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বাংলাদেশে সাসটেইনেবল ফ্যাশন নিয়ে কাজ করা উদ্যোগগুলোর মধ্যে &#8216;ব্রোক&#8217; অন্যতম। তারা পুরোনো ব্যবহৃত কাপড়কে আপসাইকেলিং ও ক্র্যাফটিংয়ের মাধ্যমে পুনরায় ব্যবহারযোগ্য করে তোলে। এভাবে তারা পরিবেশ দূষণ কমানো ও পানির অপচয় রোধে অবদান রাখছে। তাদের পণ্য তালিকায় মাস্ক, হুডি, জগার, ক্যাজুয়াল প্যান্ট, ডেনিম এবং টি-শার্টের আপসাইকেলড ভার্সন রয়েছে, যা সাসটেইনেবল ফ্যাশনের ধারণাকে পুরোপুরি সংজ্ঞায়িত করে।</span></p>
<p><b>স্লো ফ্যাশন বনাম ফাস্ট ফ্যাশন</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">ফাস্ট ফ্যাশন একটি দ্রুত পরিবর্তনশীল ফ্যাশন শিল্প যেখানে পোশাক কম খরচে উৎপাদন ও দ্রুত বাজারজাত করা হয়। এটি সাধারণত নিম্নমানের এবং স্বল্পস্থায়ী পোশাক তৈরির মাধ্যমে পরিচালিত হয়। যা কয়েকবার পরার পরেই ফেলে দেওয়া হয়। এর ফলে বিপুল পরিমাণ বর্জ্য সৃষ্টি হয় এবং পরিবেশের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">অন্যদিকে, স্লো ফ্যাশন মানসম্মত ও দীর্ঘস্থায়ী পোশাক তৈরি করে, যা দীর্ঘ সময় ব্যবহার উপযোগী হয়। এটি শুধুমাত্র একটি ফ্যাশন প্রবণতা নয়; বরং এটি একটি জীবনধারা, যা আমাদের ক্রয় ও ব্যবহার অভ্যাসে পরিবর্তন আনতে উদ্বুদ্ধ করে।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8237" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2025/04/image-02-5.jpg" alt="স্লো ফ্যাশন বনাম ফাস্ট ফ্যাশন তুলনামূলক চিত্র—টেকসইতা, নৈতিকতা ও মানের দিক থেকে স্লো ফ্যাশনের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।" width="1024" height="576" /></p>
<p><b>সাসটেইনেবল ফ্যাশনের সঙ্গে সম্পর্ক</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">স্লো ফ্যাশন এবং সাসটেইনেবল ফ্যাশন পরস্পর সম্পর্কিত। স্লো ফ্যাশন, ফ্যাশন শিল্পকে ধীর করার উপর জোর দেয়, যেখানে সাসটেইনেবল ফ্যাশন পরিবেশ-বান্ধব উপকরণ ও প্রক্রিয়া ব্যবহার করে টেকসই উৎপাদন নিশ্চিত করে। উভয় ধারণাই ন্যায্য মজুরি, নিরাপদ কর্মপরিবেশ এবং নৈতিক উৎপাদন প্রক্রিয়ার উপর গুরুত্ব দেয়।</span></p>
<p><b>স্লো ফ্যাশনের সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">স্লো ফ্যাশন শুধুমাত্র পরিবেশ রক্ষার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়; এটি একটি সামাজিক আন্দোলনও। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে কাজের সুযোগ করে দেওয়া এবং তাদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করা এর অন্যতম উদ্দেশ্য। স্থানীয় ক্রাফট ও ঐতিহ্যের সংরক্ষণে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বাংলাদেশের চর অঞ্চলের নারীদের জন্য &#8216;ফ্রেন্ডশিপ কালারস অব দ্য চরস&#8217; যেমন একটি আশীর্বাদ স্বরূপ। তারা এখান থেকে উপার্জনের মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে উঠছেন। একই সঙ্গে স্থানীয় বয়নশিল্প পুনরুজ্জীবিত হচ্ছে।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8236" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2025/04/image-03-2.jpg" alt="স্লো ফ্যাশনের সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব তুলে ধরা হয়েছে—স্থায়ী কর্মসংস্থান সৃষ্টি, স্থানীয় শিল্পের উন্নয়ন ও সচেতন ভোক্তা সংস্কৃতির প্রসার।" width="1024" height="576" /></p>
<p><b>কেন স্লো ফ্যাশন গ্রহণ করবেন?</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">স্লো ফ্যাশন গ্রহণের মাধ্যমে আমরা পরিবেশের উপর নেতিবাচক প্রভাব কমাতে পারি। এটি আমাদের কেনাকাটা কম করতে, ভালো মানের পণ্য নির্বাচন করতে এবং পোশাকের দীর্ঘস্থায়ী ব্যবহার নিশ্চিত করতে উৎসাহিত করে। ফলে পোশাক শিল্পের কারণে সৃষ্ট বর্জ্য ও দূষণ হ্রাস পায়।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">স্লো ফ্যাশন একটি নৈতিক ও পরিবেশ-বান্ধব ফ্যাশন প্রবণতা, যা আমাদের স্থানীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ করার পাশাপাশি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এটি শুধুমাত্র একটি ফ্যাশন প্রবণতা নয়; বরং একটি জীবনধারা, যা আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও টেকসই পৃথিবী গড়তে সহায়ক।</span></p>
<p style="text-align: right;"><a href="https://bstandard.info/references00198/" target="_blank" rel="noopener"><em><strong>&#8220;তথ্যসূত্র&#8221;</strong></em></a></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bstandard.info/slow-fashion-embracing-sustainability-and-ethics-in-modern-fashion/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ব্রহ্মপুত্রে চীনের মেগা বাঁধঃ বাংলাদেশে’র জন্য কতটুক ক্ষতিকর</title>
		<link>https://bstandard.info/chinas-mega-dam-on-the-brahmaputra-how-dangerous-is-it-for-bangladesh/</link>
					<comments>https://bstandard.info/chinas-mega-dam-on-the-brahmaputra-how-dangerous-is-it-for-bangladesh/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজটেক স্ট্যান্ডার্ড]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 07 Apr 2025 04:20:59 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ক্লাইমেট চেঞ্জ এন্ড বিসনেস ইমপ্যাক্ট]]></category>
		<category><![CDATA[এনভাইরো-লাইফস্টাইল]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://bstandard.info/?p=7138</guid>

					<description><![CDATA[চীন তিব্বতে ব্রহ্মপুত্র নদীর উপর বিশ্বের বৃহত্তম বাঁধ নির্মাণের অনুমোদন দিয়েছে, যা ভারত সীমান্তের কাছে অবস্থিত। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এই বাঁধ বাংলাদেশের জন্য ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারে। আনুমানিক ১৩৭ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে নির্মিত এই প্রকল্পটি ভারত ও বাংলাদেশে পানি প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং সম্ভাব্য বন্যার ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। চীনের এই বাঁধ নির্মাণের প্রধান উদ্দেশ্য হলো জলবিদ্যুৎ উৎপাদন করা। এই বাঁধটি বিশ্বের বৃহত্তম বাঁধগুলোর  মধ্যে একটি হবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা থেকে প্রচুর পরিমাণে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে। এই বিদ্যুৎ চীনের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাহিদা মেটাতে এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে সাহায্য করতে পারে। তবে এর ফলে ব্রহ্মপুত্রের জলের [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<table width="100%">
<tbody>
<tr>
<td align="left"><a href="https://bstandard.info/english/chinas-mega-dam-on-the-brahmaputra-how-dangerous-is-it-for-bangladesh/" type="button" class="btn btn-info btn-md">Read it in English</a></td>
<td align="right"><a href="#" type="button" class="btn btn-link btn-lg">গবেষক এবং প্রতিবেদক: </a><a href="https://bstandard.info/author/fuad/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">তানজিল ফুয়াদ</a> <span style="font-weight: 400;"><a href="https://bstandard.info/author/maria/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">আয়শা মারিয়া</a></span></td>
</tr>
</tbody>
</table>
<p><span style="font-weight: 400;">চীন তিব্বতে ব্রহ্মপুত্র নদীর উপর বিশ্বের বৃহত্তম বাঁধ নির্মাণের অনুমোদন দিয়েছে, যা ভারত সীমান্তের কাছে অবস্থিত। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এই বাঁধ বাংলাদেশের জন্য ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারে। আনুমানিক ১৩৭ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে নির্মিত এই প্রকল্পটি ভারত ও বাংলাদেশে পানি প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং সম্ভাব্য বন্যার ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">চীনের এই বাঁধ নির্মাণের প্রধান উদ্দেশ্য হলো জলবিদ্যুৎ উৎপাদন করা। এই বাঁধটি বিশ্বের বৃহত্তম বাঁধগুলোর  মধ্যে একটি হবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা থেকে প্রচুর পরিমাণে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে। এই বিদ্যুৎ চীনের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাহিদা মেটাতে এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে সাহায্য করতে পারে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">তবে এর ফলে ব্রহ্মপুত্রের জলের ন্যায্য অধিকার থেকে বাংলাদেশের বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হতে পারে। এছাড়াও সবচেয়ে ছোট ভাটির দেশ হওয়ায়, বাংলাদেশ তার বৃহত্তর প্রতিবেশীদের প্রতিযোগিতামূলক স্বার্থের মধ্যে আটকা পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।</span></p>
<p><b>বাঁধ নির্মাণে কী কী চ্যালেঞ্জ রয়েছে?</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">ব্রহ্মপুত্র বাঁধ নির্মাণে তার টেকটোনিক প্লেট সীমানায় অবস্থানের কারণে বিশাল প্রকৌশলগত সমস্যার সম্মুখীন, যা ভূমিকম্প প্রবণ। তিব্বতীয় মালভূমি টেকটোনিক প্লেটের উপরে অবস্থানের কারণে ঘন ঘন ভূমিকম্প ঘটে। বাঁধের নির্মাণ স্থানটি মূল ভূখণ্ডের চীনে অবস্থিত। যেখানে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয় যা যথেষ্ট জল প্রবাহ নিশ্চিত করে।</span></p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8217" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2025/04/image-01-2.jpg" alt="" width="1024" height="576" /></p>
<p><b>ব্রহ্মপুত্রে  চীনের বাঁধ নির্মাণে বাংলাদেশের উপর প্রভাব</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">ব্রহ্মপুত্র বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি দেশের মোট জলসম্পদের একটি বড় অংশ। বাংলাদেশের জনসংখ্যার কমপক্ষে ৬০ শতাংশ এই নদীর অববাহিকার উপর নির্ভরশীল। উজানে বাঁধ নির্মাণের কারণে নদীর প্রবাহে কোনো পরিবর্তন হলে তা দেশের জল নিরাপত্তাকে মারাত্মক হুমকির মুখে ফেলবে। বাঁধের কারণে উজানের দেশগুলো পানির প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, যা ভাটির দেশগুলোর জন্য পানির প্রাপ্যতা কমাতে পারে এবং কৃষি, মৎস্য ও জীবিকাকে বিপন্ন করতে পারে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বাংলাদেশ চীনা বাঁধ প্রকল্পে অংশীদারিত্বের জন্য আলোচনা করতে পারে, জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের যৌথ সুবিধা কাজে লাগিয়ে। ৬০ গিগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে নির্মিত এই বাঁধ চীন, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বিদ্যুৎ ভাগাভাগির চুক্তি হলে অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক হতে পারে।</span></p>
<p><b>ব্রহ্মপুত্র বাঁধ পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের উপর কেমন প্রভাব ফেলবে?</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">পিটিআই নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, কেবল ব্রহ্মপুত্রের জল প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা নয়, বরং চীনের এই বাঁধের বিশাল আকার এবং মাত্রার কারণে ভবিষ্যতে সম্ভাব্য কোনো শত্রুতা তৈরি হলে বিপুল পরিমাণে জল ছেড়ে দিয়ে সীমান্ত এলাকায় বন্যার ঝুঁকিও তৈরি করতে পারে। আর এই বিষয়টি নিয়ে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত উদ্বেগ প্রকাশ করছে।</span></p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8215" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2025/04/image-02-2.jpg" alt="" width="1024" height="576" /></p>
<p><b>ব্রহ্মপুত্র নদের উপর চীনের বাঁধ নির্মাণ নিয়ে তিন দেশেরই  সহযোগিতা</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">একসাথে কাজ করার মাধ্যমে, এই তিনটি দেশ (ভারত, বাংলাদেশ ও চীন) পরিবেশগত উদ্বেগ মোকাবেলা করতে পারে, জলের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করতে পারে এবং ব্রহ্মপুত্রের সম্পদ ব্যবস্থাপনার জন্য একটি কাঠামো তৈরি করতে পারে। এই ধরনের একটি চুক্তি প্রমাণ করবে যে অভিন্ন নদীগুলো বিরোধের উৎস নয়, বরং আঞ্চলিক সহযোগিতার প্ল্যাটফর্ম হতে পারে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">এই লক্ষ্যে, বাংলাদেশকে কূটনৈতিক পর্যায়ে চীন ও ভারতকে আলোচনার টেবিলে আনার প্রচেষ্টা শুরু করা যায়। আলোচনায় মধ্যস্থতা ও সমর্থন করার জন্য আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সাথেও যুক্ত হতে হবে। একটি স্বচ্ছ অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার মূল চাবিকাঠি হবে, ব্রহ্মপুত্র তিনটি দেশের জন্যই জীবন ও জীবিকার উৎস হিসেবে টিকে থাকে।</span></p>
<p style="text-align: right;"><a href="https://bstandard.info/references00195/" target="_blank" rel="noopener"><em><strong>&#8220;তথ্যসূত্র&#8221;</strong></em></a></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bstandard.info/chinas-mega-dam-on-the-brahmaputra-how-dangerous-is-it-for-bangladesh/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বাঘ ইকো ট্যাক্সিঃ বাংলাদেশের প্রথম তিন চাকার ইলেকট্রিক অটোরিক্সা</title>
		<link>https://bstandard.info/baagh-eco-taxi-the-first-revolutionary-three-wheeled-electric-taxi-in-bangladesh/</link>
					<comments>https://bstandard.info/baagh-eco-taxi-the-first-revolutionary-three-wheeled-electric-taxi-in-bangladesh/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজটেক স্ট্যান্ডার্ড]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 05 Dec 2024 06:55:29 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ক্লাইমেট চেঞ্জ এন্ড বিসনেস ইমপ্যাক্ট]]></category>
		<category><![CDATA[কোম্পানি ফরেনসিকস]]></category>
		<category><![CDATA[এনভাইরো-লাইফস্টাইল]]></category>
		<category><![CDATA[স্টার্টআপ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://bstandard.info/?p=5160</guid>

					<description><![CDATA[স্টাইলিশ ডিজাইন, আরামদায়ক যাত্রা, এবং কম খরচে পরিবেশবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা  যোগ করেছে স্বদেশী প্রযুক্তিতে তৈরি &#8216;বাঘ&#8217; ইকো ট্যাক্সি! বাঘ ইকো মোটরস বাংলাদেশে সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব এই তিনচাকার গাড়ি নিয়ে এসেছে এবং এই গাড়িগুলো দেশেই তৈরি হচ্ছে। &#8220;বাঘ&#8221; নামের এই পরিবেশবান্ধব গাড়িটি হবে বিশ্বের প্রথম অ্যাপ-ভিত্তিক গাড়ি কোম্পানি। কারণ উবার ও পাঠাও এর মতো রাইড শেয়ারিং অ্যাপগুলোর নিজস্ব গাড়ি নেই। ব্যাটারি চালিত হলেও এই গাড়িগুলোতে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর অ্যাসিডযুক্ত ব্যাটারি থাকবে না। সৌরশক্তি ও লিথিয়াম ব্যাটারির সমন্বয়ে তৈরি এই পরিবেশবান্ধব গাড়ির নাম দেওয়া হয়েছে ‘বাঘ’। বর্তমানে, গাড়িটির দুটি মডেল রয়েছে। একটির ক্ষমতা ১৫০০ ওয়াট এবং অন্যটির ক্ষমতা ১৮০০ ওয়াট। শুধু [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<table width="100%">
<tbody>
<tr>
<td align="left"><a href="https://bstandard.info/english/baagh-eco-taxi-the-first-revolutionary-three-wheeled-electric-taxi-in-bangladesh/" type="button" class="btn btn-info btn-md">Read it in English</a></td>
<td align="right"><a href="#" type="button" class="btn btn-link btn-lg">গবেষক এবং প্রতিবেদক: </a><span style="font-weight: 400;"><a href="https://bstandard.info/author/shama/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">শামা সুলতানা</a></span> <span style="font-weight: 400;"><a href="https://bstandard.info/author/maria/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">আয়শা মারিয়া</a></span></td>
</tr>
</tbody>
</table>
<p><span style="font-weight: 400;">স্টাইলিশ ডিজাইন, আরামদায়ক যাত্রা, এবং কম খরচে পরিবেশবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা  যোগ করেছে স্বদেশী প্রযুক্তিতে তৈরি &#8216;বাঘ&#8217; ইকো ট্যাক্সি! বাঘ ইকো মোটরস বাংলাদেশে সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব এই তিনচাকার গাড়ি নিয়ে এসেছে এবং এই গাড়িগুলো দেশেই তৈরি হচ্ছে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">&#8220;বাঘ&#8221; নামের এই পরিবেশবান্ধব গাড়িটি হবে বিশ্বের প্রথম অ্যাপ-ভিত্তিক গাড়ি কোম্পানি। কারণ উবার ও পাঠাও এর মতো রাইড শেয়ারিং অ্যাপগুলোর নিজস্ব গাড়ি নেই। ব্যাটারি চালিত হলেও এই গাড়িগুলোতে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর অ্যাসিডযুক্ত ব্যাটারি থাকবে না। সৌরশক্তি ও লিথিয়াম ব্যাটারির সমন্বয়ে তৈরি এই পরিবেশবান্ধব গাড়ির নাম দেওয়া হয়েছে ‘বাঘ’।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বর্তমানে, গাড়িটির দুটি মডেল রয়েছে। একটির ক্ষমতা ১৫০০ ওয়াট এবং অন্যটির ক্ষমতা ১৮০০ ওয়াট।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">শুধু ব্যবসা করার উদ্দেশ্যেই বাঘ ইকো মোটরস এমন উদ্যোগ নেয়নি। তারা দেশ, পরিবেশ ও মানুষের জন্যও কাজ করছে। এটি এমন একটি কোম্পানি যা আমদানি নির্ভরতা কমাতে দেশের মধ্যেই বৈদ্যুতিক যানবাহন তৈরি করছে। কোম্পানিটি ইতোমধ্যে সোলার গাড়ি, মোটরসাইকেল, সোলার ভ্যান, সোলার ইকো ট্যাক্সি সহ বেশ কিছু ব্যাটারিচালিত যানবাহন তৈরি করেছে।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8635" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/12/image-01-32.jpg" alt="&quot;বাঘ ইকো ট্যাক্সি&quot; বিশ্বের প্রথম অ্যাপ-ভিত্তিক পরিবেশবান্ধব গাড়ি কোম্পানি হতে যাচ্ছে। " width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">অ্যাপ-ভিত্তিক এই গাড়িতে ড্রাইভারসহ মোট সাতজন যাত্রী চড়তে পারবেন। যাত্রীদের জন্য থাকবে ওয়াই-ফাই, জিপিএস, টেলিভিশন এবং ৩৬০ ডিগ্রি ক্যামেরার সুবিধা। যাত্রীরা এটিএম কার্ডসহ যেকোনো মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপ ব্যবহার করে ভাড়া পরিশোধ করতে পারবেন।। এছাড়াও প্রতিটি গাড়িতে থাকবে সোলার চার্জিং সিস্টেম এবং ব্যাটারি চার্জিং সিস্টেম। ফলে গাড়িকে ব্যাটারি চার্জ করার জন্য রাস্তার মাঝে থামতে হবে না। একবার চার্জে এটি ১২০ কিলোমিটার পর্যন্ত চলবে। গাড়িতে ব্যবহৃত ব্যাটারি এবং চার্জারে একটি মাইক্রোচিপ থাকবে যাতে একটি অ্যাপ প্রিলোড করা থাকে। গাড়ির কাঠামোর উচ্চমানের স্টিল এটিকে অন্যদের তুলনায় আরও টেকসই করে তোলে। </span></p>
<p><b>নিরাপত্তা যেখানে অগ্রাধিকার</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">গাড়িটির নিরাপত্তা বিষয়ক বৈশিষ্ট্যের মধ্যে একটি হলো, যাত্রীর সিটের সাথে রাখা &#8216;প্যানিক বাটন&#8217;। এই বাটনে চাপ দিলে তৎক্ষণাৎ গাড়ির গতি ঘণ্টায় পাঁচ কিলোমিটারে নেমে আসবে। এরপর গাড়িটি ২০ মিনিটের জন্য অচল হয়ে যাবে এবং একই সঙ্গে এই বাটন গাড়ির নিয়ন্ত্রণকক্ষে একটি সংকেত পাঠানোর মাধ্যমে প্যানিক বাটনটি কর্তৃপক্ষকেও সতর্ক করতে সক্ষম। এর ফলে কর্তৃপক্ষ ট্যাক্সির কার্যক্রম তৎক্ষণাৎ নিষ্ক্রিয় করতে পারে। তিন চাকার এই অটোরিক্সাতে রয়েছে একটি নিরাপত্তা ক্যামেরাও। যা  কেন্দ্রীয় সার্ভারে সমস্ত ভিডিও রেকর্ড সংরক্ষণ করে থাকে।  অন্যান্য গাড়ির তুলনায় বড় চাকা দুর্ঘটনার সম্ভাবনাও কমিয়ে দেবে। এছাড়াও এই গাড়িতে রয়েছে এমবেড করা রিয়াল-টাইম জিপিএস ট্র্যাকিং সিস্টেম।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">থ্রি-হুইলারের জন্য একটি মনিটরিং সিস্টেম তৈরি করা হয়েছে, যা রিক্সাটির রিয়েল-টাইম অবস্থান দেখাবে এবং একটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে এর রক্ষণাবেক্ষণের বিবরণ দেখতে পাবেন তারা। গাড়িটিতে উচ্চ-গ্রেডের ইস্পাত ব্যবহার করা হয়েছে যা সাধারণত বড় যানবাহনের জন্য ব্যবহৃত হয়। এই ইস্পাত গাড়ির সহনশীলতা এবং স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত হয়েছে এটি।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">পাশাপাশি অ্যান্টি-লক ব্রেক সিস্টেম (এবিএস) সহ একটি হাইড্রোলিক ব্রেকিং সিস্টেমও থাকবে। গাড়িতে ব্যবহৃত একটি ৪৮০ ওয়াটের সোলার প্যানেল দিনের বেলায় ৪০ শতাংশ চার্জ সঞ্চয় করতে পারে। যার ফলে অতিরিক্ত ৪০ কিলোমিটার যেতে পারবে গাড়িটি। গাড়িটিতে ড্যাশবোর্ড মনিটরিং সিস্টেম, চুরি-বিরোধী প্রযুক্তি এবং গতি পর্যবেক্ষণসহ আরও অনেক বৈশিষ্ট্য রয়েছে।</span></p>
<p><b>তুলনামূলক কম খরচে যাত্রা</b></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8634" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/12/image-02-32.jpg" alt="&quot;বাঘ ইকো ট্যাক্সি&quot;-এর মাধ্যমে কম খরচে পরিবেশবান্ধব যাত্রার সুবিধা।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">এই গাড়ির বিদ্যুৎ খরচ কম হবে। এর আগে যেখানে ইউনিট প্রতি খরচ ছিল ১৭ টাকা, ‘বাঘ’ প্রতি ইউনিট খরচ হবে ৭ টাকা। প্রতি কিলোমিটার খরচ হবে ৪০-৪৫ পয়সা। এছাড়া গাড়িটির ৬০ ভোল্টের ব্যাটারী সম্পূর্ণ চার্জ হতে মাত্র ১৫ মিনিট সময় লাগবে। একবার চার্জ দিলে ১২০ কিলোমিটার চলবে। আর সোলার পাওয়ারের মাধ্যমে আরও ২৫ থেকে ৩০ কিলোমিটার চলবে। ব্যাটারির গ্যারান্টি পাঁচ বছর এবং সার্ভিস ওয়ারেন্টি থাকবে দুই বছর।</span></p>
<p><b>আরামদায়ক যান</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বিদ্যুৎ চালিত এই গাড়িটি প্রায় শব্দহীন। অন্যদিকে, এর অভ্যন্তরীণ বায়ুচলাচল ব্যবস্থা এবং ফ্যান এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে ভেতরের তাপমাত্রা কখনোই ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি না হয়।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">এছাড়া যাত্রীরা সবসময়ের জন্য পাবেন আনলিমিটেড ইন্টারনেট পরিষেবা। সাথে ফোন বা ল্যাপটপের ব্যাটারী শেষ হয়ে গেলে পাওয়া যাবে চার্জ দেওয়ার সুব্যবস্থা। গাড়িতে রয়েছে একটি ট্যাবলেটও। যা বিনোদন বা অফিসিয়াল কাজের জন্য ব্যবহার করা যাবে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বাঘের মতে, বিদ্যুৎ অপচয় ও অপব্যবহার রোধে এই বৈদ্যুতিক গাড়িগুলোতে সর্বশেষ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। ফলে গাড়ি চার্জ দেওয়ার জন্য অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করা যাবে না। চালক যদি অবৈধভাবে চার্জ দেওয়ার চেষ্টা করেন, তাহলে তথ্যটি তার আইওটি (ইন্টারনেট অফ থিংস) ডিভাইসের মাধ্যমে বাঘ ইকো মোটরসের ডেটা সার্ভারে পাঠানো হবে। এই শব্দহীন গাড়ি প্রথম পক্ষের ইন্স্যুরেন্সের আওতায় থাকবে। সব মিলিয়ে বলা যায় এর কোনো রক্ষণাবেক্ষণ খরচ নেই।</span></p>
<p style="text-align: right;"><a href="https://bstandard.info/references00095/" target="_blank" rel="noopener"><em><strong>&#8220;তথ্যসূত্র&#8221;</strong></em></a></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bstandard.info/baagh-eco-taxi-the-first-revolutionary-three-wheeled-electric-taxi-in-bangladesh/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>পরিবেশবান্ধব পোশাক শিল্পে বিশ্বব্যাপী নেতৃত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ</title>
		<link>https://bstandard.info/bangladesh-is-revolutionizing-sustainability-with-its-eco-friendly-apparel-industry/</link>
					<comments>https://bstandard.info/bangladesh-is-revolutionizing-sustainability-with-its-eco-friendly-apparel-industry/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজটেক স্ট্যান্ডার্ড]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 02 Dec 2024 04:16:06 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ক্লাইমেট চেঞ্জ এন্ড বিসনেস ইমপ্যাক্ট]]></category>
		<category><![CDATA[এনভাইরো-লাইফস্টাইল]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://bstandard.info/?p=5053</guid>

					<description><![CDATA[বিশ্বব্যাপী ফ্যাশন শিল্প পরিবেশ দূষণের অন্যতম কারণ হিসেবে ব্যাপকভাবে পরিচিত। ইউনাইটেড নেশনস এনভায়রনমেন্ট প্রোগ্রাম (ইউএনইপি) অনুসারে, ফ্যাশন শিল্প প্রতি বছর ১০% কার্বন নিঃসরণের জন্য দায়ী। গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের এই গতি যদি অব্যাহত থাকে, তবে ২০৩০ সাল নাগাদ তা ৫০%-এর বেশি বৃদ্ধি পাবে। আর তাই সাসটেইনেবল অ্যাপারেল কোয়ালিশন (এসএসি) গ্লোবাল ওয়ার্মিংকে ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস (২.৭ ডিগ্রি ফারেনহাইট) এ সীমাবদ্ধ করতে ২০৩০ সালের মধ্যে ৪৫% গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। ফ্যাশন শিল্পকে পরিবেশ-বান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতে প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে সবুজ পোশাক কারখানা। আজকে আমরা বাংলাদেশের সবুজ পোশাক শিল্প নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো।  বাংলাদেশ এবং পরিবেশ-বান্ধব পোশাক শিল্প বাংলাদেশ বিশ্ববাজারের ৭.৯% [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<table width="100%">
<tbody>
<tr>
<td align="left"><a href="https://bstandard.info/english/bangladesh-is-revolutionizing-sustainability-with-its-eco-friendly-apparel-industry/" type="button" class="btn btn-info btn-md">Read it in English</a></td>
<td align="right"><a href="#" type="button" class="btn btn-link btn-lg">গবেষক এবং প্রতিবেদক: </a><span style="font-weight: 400;"><a href="https://bstandard.info/author/shama/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">শামা সুলতানা</a></span> <span style="font-weight: 400;"><a href="https://bstandard.info/author/ayesha/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">আয়েশা আক্তার</a></span></td>
</tr>
</tbody>
</table>
<p><span style="font-weight: 400;">বিশ্বব্যাপী ফ্যাশন শিল্প পরিবেশ দূষণের অন্যতম কারণ হিসেবে ব্যাপকভাবে পরিচিত। ইউনাইটেড নেশনস এনভায়রনমেন্ট প্রোগ্রাম (ইউএনইপি) অনুসারে, ফ্যাশন শিল্প প্রতি বছর ১০% কার্বন নিঃসরণের জন্য দায়ী। গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের এই গতি যদি অব্যাহত থাকে, তবে ২০৩০ সাল নাগাদ তা ৫০%-এর বেশি বৃদ্ধি পাবে। আর তাই সাসটেইনেবল অ্যাপারেল কোয়ালিশন (এসএসি) গ্লোবাল ওয়ার্মিংকে ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস (২.৭ ডিগ্রি ফারেনহাইট) এ সীমাবদ্ধ করতে ২০৩০ সালের মধ্যে ৪৫% গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। ফ্যাশন শিল্পকে পরিবেশ-বান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতে প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে সবুজ পোশাক কারখানা। আজকে আমরা বাংলাদেশের সবুজ পোশাক শিল্প নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো।  </span></p>
<p><b>বাংলাদেশ এবং পরিবেশ-বান্ধব পোশাক শিল্প </b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বাংলাদেশ বিশ্ববাজারের ৭.৯% শেয়ার সহ তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাতের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানিকারক। আর তাই বাংলাদেশ পরিবেশ দূষণের জন্য দায়ী কার্বন নিঃসরণের অন্যতম সহায়ক। এই সমস্যা সমাধানের জন্য গত ১৫ বছরে বাংলাদেশ অসংখ্য সার্টিফাইড গ্রিন ফ্যাক্টরি স্থাপন করে সবুজ ও টেকসই উৎপাদনের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8595" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/12/image-01-25.jpg" alt="পরিবেশবান্ধব পোশাক শিল্পে বাংলাদেশের অগ্রগতি এবং এর প্রভাব।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ) অনুসারে, বর্তমানে বাংলাদেশে ২২৯টি সার্টিফাইড পরিবেশ-বান্ধব পোশাক কারখানা রয়েছে। শুধু তাই নয়, বিশ্বের সেরা ১০টি গ্রিন কারখানার মধ্যে ৯টিই বাংলাদেশে অবস্থিত। যা পোশাক শিল্প টেকসয়ের ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে বিশ্বব্যাপী নেতা হিসাবে খ্যাতি এনে দিয়েছে। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">দেশের ২২৯টি সার্টিফাইড পরিবেশ-বান্ধব পোশাক কারখানার মধ্যে ৯১টি কারখানার মর্যাদাপূর্ণ এলইইডি প্ল্যাটিনাম সার্টিফিকেশন রয়েছে, যা ইউএস গ্রীন বিল্ডিং কাউন্সিল (ইউএসজিবিসি) দ্বারা পুরস্কৃত হয়েছে। উপরন্তু, ১২৪টি কারখানা গোল্ড সার্টিফিকেশন অর্জন করেছে, ১০টি কারখানা রৌপ্য অর্জন করেছে এবং ৪টি কারখানা প্রত্যয়িত প্রশংসাপত্রের সাথে স্বীকৃত হয়েছে। এছাড়াও, বিশ্বের শীর্ষ ১০০টি পরিবেশবান্ধব কারখানার মধ্যে ৫৬টিই বাংলাদেশে অবস্থিত। যা মোট কারখানার অর্ধেকেরও বেশি। ইউএসজিবিসি তথ্য অনুসারে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ২১৬ টি সবুজ কারখানা রয়েছে, এবং চীন এক নম্বর আরএমজি রপ্তানিকারক তার ১৭৩টি সবুজ কারখানা রয়েছে। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">২০০৯ সাল থেকে বাংলাদেশী পোশাক এবং টেক্সটাইল নির্মাতারা ইউএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল (ইউএসজিবিসি) দ্বারা প্রত্যয়িত &#8220;পরিবেশ-বান্ধব&#8221; কারখানা স্থাপন করার কাজ শুরু করে। সবুজ কারখানা যা &#8220;পরিবেশ-বান্ধব কারখানা &#8221; নামেও পরিচিত মূলত গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনকে দক্ষতার সাথে রোধ করে এবং পরিবেশ দূষণ এবং শক্তি খরচ কমায়৷</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">এলইইডি প্লাটিনাম সার্টিফিকেশন প্রাপ্ত দেশের প্রথম আরএমজি কারখানা </span><b>‘ভিনটেজ ডেনিম</b><span style="font-weight: 400;">’-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ জিল্লুর রহমান মৃধা বলেন, “পরিবেশ-বান্ধব ভিনটেজ ডেনিম স্টুডিও ৪৬% শক্তি খরচ কমিয়েছে, কার্বন ফুটপ্রিন্ট ৪৫% কমিয়েছে এবং জল ব্যবহারের খরচ কমিয়েছে ৫৩%”। </span></p>
<p><b>খরচ এবং সুবিধা বিশ্লেষণ</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">সবুজ কারখানা শুধু পরিবেশ দূষণ রোধ কিংবা কার্বন নিঃসরণ কমানোর কাজ করে না, একইসাথে কারখানার ব্যয়ও কমায়। যদিও একটি সবুজ কারখানা স্থাপন করতে একটি ঐতিহ্যবাহী কারখানার তুলনায় ২৫-৩০% বেশি খরচ হয়। কিন্তু পরবর্তীতে অন্যান্য খরচ অনেক কম হয়। মূলত সবুজ কারখানা স্থাপনে স্বল্পমেয়াদে বেশি ব্যয় হলেও পরবর্তীতে দীর্ঘমেয়াদে খরচ অনেক কম হয়। একটি নির্দিষ্ট সময়ের পরে বিনিয়োগের রিটার্ন ফিরে পাওয়া যায়। </span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8594" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/12/image-02-25.jpg" alt="পরিবেশবান্ধব পোশাক শিল্পের টেকসই উন্নয়নের জন্য খরচ ও সুবিধার বিবেচনা। " width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">একটি সবুজ কারখানায় উৎপাদন প্রক্রিয়ায় কম জল ব্যবহার করা হয় এবং ছাদের সৌর প্যানেল এবং ওজোন ওয়াশিং মেশিনের মাধ্যমে কম রাসায়নিক এবং বেশি নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার করে। জিরো কার্বন নিঃসরণের পাশাপাশি বাংলাদেশে বর্তমানে দূষণ বন্ধ করতে বিপজ্জনক রাসায়নিকের জিরো ডিসচার্জও শুরু হয়েছে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">পরিবেশ দূষণ বর্তমান বিশ্বের একটি অন্যতম সমস্যা। আর তাই পৃথিবী জুড়ে প্রতিটি শিল্প খাতকেই পরিবেশ-বান্ধবে রূপান্তর করার প্রচেষ্টা চলছে। পরিবেশ-বান্ধব পোশাক শিল্প গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বর্তমানে বাংলাদেশ নেতৃত্ব দিচ্ছে। </span></p>
<p style="text-align: right;"><a href="https://bstandard.info/references00088/" target="_blank" rel="noopener"><em><strong>&#8220;তথ্যসূত্র&#8221;</strong></em></a></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bstandard.info/bangladesh-is-revolutionizing-sustainability-with-its-eco-friendly-apparel-industry/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সবুজ শক্তি: টেকসই উন্নয়নের নতুন যাত্রা</title>
		<link>https://bstandard.info/green-energy-a-new-path-to-sustainability/</link>
					<comments>https://bstandard.info/green-energy-a-new-path-to-sustainability/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজটেক স্ট্যান্ডার্ড]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 30 Nov 2024 06:32:52 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ক্লাইমেট চেঞ্জ এন্ড বিসনেস ইমপ্যাক্ট]]></category>
		<category><![CDATA[ইনফরমেশন টেকনোলজি]]></category>
		<category><![CDATA[এনভাইরো-লাইফস্টাইল]]></category>
		<category><![CDATA[টেকনোলজি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://bstandard.info/?p=5011</guid>

					<description><![CDATA[মরুভূমিতে বন্যা, সৌদি আরবে তুষারপাত কিংবা বাংলাদেশে হিটওয়েব সহ নানা ধরনের জলবায়ুর পরিবর্তন আমরা বর্তমান সময়ে দেখতে পাচ্ছি। একইসাথে বিশ্বব্যাপী জ্বালানির তীব্র সংকট এবং পরিবেশের বিপর্যয় ও আমরা দেখতে পাচ্ছি। এই চরম সংকটের সময় মানুষ সবুজ শক্তির দিকে ঝুঁকছে। সবুজ শক্তি একইসাথে পরিবেশবান্ধব এবং সাশ্রয়ী। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে একটি সুন্দর পৃথিবী উপহার দেওয়ার জন্য উন্নত বিশ্বের দেশগুলো ইতোমধ্যেই সবুজ শক্তির উপর নির্ভরশীল হওয়া শুরু করেছে। আজকে আমরা এই সবুজ শক্তি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করবো। সবুজ শক্তি কি? সবুজ শক্তি বা গ্রিন এনার্জি বলতে এমন শক্তিকে বোঝানো হয় যা নবায়নযোগ্য উৎস থেকে পাওয়া যায়। সবুজ শক্তিকে প্রায়শই পরিচ্ছন্ন, টেকসই বা নবায়নযোগ্য শক্তি [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<table width="100%">
<tbody>
<tr>
<td align="left"><a href="https://bstandard.info/english/green-energy-a-new-path-to-sustainability/" type="button" class="btn btn-info btn-md">Read it in English</a></td>
<td align="right"><a href="#" type="button" class="btn btn-link btn-lg">গবেষক এবং প্রতিবেদক: </a><a href="https://bstandard.info/author/shama/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">শামা সুলতানা</a> <a href="https://bstandard.info/author/ayesha/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">আয়েশা আক্তার</a></td>
</tr>
</tbody>
</table>
<p><span style="font-weight: 400;">মরুভূমিতে বন্যা, সৌদি আরবে তুষারপাত কিংবা বাংলাদেশে হিটওয়েব সহ নানা ধরনের জলবায়ুর পরিবর্তন আমরা বর্তমান সময়ে দেখতে পাচ্ছি। একইসাথে বিশ্বব্যাপী জ্বালানির তীব্র সংকট এবং পরিবেশের বিপর্যয় ও আমরা দেখতে পাচ্ছি। এই চরম সংকটের সময় মানুষ সবুজ শক্তির দিকে ঝুঁকছে। সবুজ শক্তি একইসাথে পরিবেশবান্ধব এবং সাশ্রয়ী। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে একটি সুন্দর পৃথিবী উপহার দেওয়ার জন্য উন্নত বিশ্বের দেশগুলো ইতোমধ্যেই সবুজ শক্তির উপর নির্ভরশীল হওয়া শুরু করেছে। আজকে আমরা এই সবুজ শক্তি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করবো।</span></p>
<p><b>সবুজ শক্তি কি?</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">সবুজ শক্তি বা গ্রিন এনার্জি বলতে এমন শক্তিকে বোঝানো হয় যা নবায়নযোগ্য উৎস থেকে পাওয়া যায়। সবুজ শক্তিকে প্রায়শই পরিচ্ছন্ন, টেকসই বা নবায়নযোগ্য শক্তি বলা হয়। সবুজ শক্তির উৎপাদন বায়ুমণ্ডলে বিষাক্ত গ্রিনহাউস গ্যাস মুক্ত করে না। অর্থাৎ, এটি পরিবেশের উপর কোনো বিরুপ প্রভাব ফেলে না। সবুজ শক্তি মূলত ১০০% নবায়নযোগ্য উৎস থেকে পাওয়া যায়, যার কারণে এটি পরিবেশের কোনো ক্ষতি করে না এবং দিন দিন এর চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে।</span></p>
<p><b>সবুজ শক্তির প্রকারভেদ</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">সবুজ শক্তি নানা ধরনের হয়ে থাকে। যেমন- সৌর শক্তি, বায়োমাস, জল বিদ্যুৎ, ফুয়েল সেল, ভূ-তাপীয় শক্তি, বায়ো-ফুয়েল, বায়ু শক্তি ইত্যাদি। নিচে আমরা কয়েকটি সবুজ শক্তি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো।</span></p>
<p><b>সৌর শক্তি</b></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8578" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/11/image-01-40.jpg" alt="সৌর শক্তির মাধ্যমে সবুজ শক্তির সম্ভাবনা ও সুবিধা।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">সৌর প্যানেলগুলো সূর্যের আলোকে বিদ্যুতে রূপান্তর করতে শক্তি-শোষণকারী কোষ সহ সিলিকন শীট ব্যবহার করে। সৌর শক্তি একটি তুলনামূলকভাবে অ্যাক্সেসযোগ্য সম্পদ, এবং লোকেরা ভবন এবং বাড়িতে সৌর প্যানেল ইনস্টল করে শিল্প বা পৃথকভাবে সৌর শক্তি ব্যবহার করতে পারে। আর তাই সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার দিনদিন বাড়ছে। সৌর শক্তি নবায়নযোগ্য শক্তি সেক্টরের  একটি ক্রমবর্ধমান খাত। সৌর শক্তি উৎপাদন অবকাঠামো প্রতি বছর ২৫% হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।</span></p>
<p><b>জলবিদ্যুৎ</b></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8577" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/11/image-02-40.jpg" alt="জলবিদ্যুৎ: টেকসই শক্তির জন্য একটি শক্তিশালী সমাধান।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">জলবিদ্যুৎ একটি উন্নত প্রযুক্তি। পড়ন্ত বা স্রোত আছে এমন </span><a href="https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A8%E0%A6%A6%E0%A7%80" target="_blank" rel="noopener"><span style="font-weight: 400;">নদীর</span></a><span style="font-weight: 400;"> পানির চাপকে ব্যবহার করে তৈরি করা হয় জলবিদ্যুৎ। জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো নদীতে প্রবাহিত স্রোত থেকে গতিশক্তি ধারণ করে এবং একটি বাঁধে নির্মিত টারবাইন ব্যবহারের মাধ্যমে গতিশক্তি থেকে বিদ্যুৎ শক্তি তৈরি করা হয়। জলবিদ্যুৎ পৃথিবীর মোট বিদ্যুতের ২০% এবং নবায়নযোগ্য </span><a href="https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A4" target="_blank" rel="noopener"><span style="font-weight: 400;">বিদ্যুতের</span></a><span style="font-weight: 400;"> ৮৮% উৎপন্ন করে থাকে।</span></p>
<p><b>বায়ু শক্তি</b></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8574" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/11/image-03-29.jpg" alt="বায়ু শক্তি: সবুজ শক্তির একটি শক্তিশালী এবং নবীকরণযোগ্য উৎস। " width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বায়ু শক্তি হলো সবুজ শক্তির মধ্যে সবচেয়ে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত শক্তি। এই প্রক্রিয়ায় টারবাইনের সাহায্যে গতিশক্তিকে </span><a href="https://www.britannica.com/dictionary/convert" target="_blank" rel="noopener"><span style="font-weight: 400;">রূপান্তর </span></a><a href="https://www.britannica.com/science/kinetic-energy" target="_blank" rel="noopener"><span style="font-weight: 400;">করে</span></a><span style="font-weight: 400;"> যান্ত্রিক বা বৈদ্যুতিক </span><a href="https://www.britannica.com/science/energy" target="_blank" rel="noopener"><span style="font-weight: 400;">শক্তিতে</span></a><span style="font-weight: 400;"> রূপান্তর করা হয়। ২০২২ সাল পর্যন্ত বায়ু শক্তি বিশ্বের মোট বিদ্যুতের ৭ শতাংশেরও বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদনে অবদান রেখেছিলো। বায়ু শক্তির ব্যবহারে খুব বেশি মানুষের শ্রমের প্রয়োজন হয় না এবং এটি সবচেয়ে পরিবেশ বান্ধব শক্তির উৎস হিসেবে পরিচিত।</span></p>
<p><b>ভূ-তাপীয় শক্তি</b></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8576" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/11/image-04-11.jpg" alt="ভূ-তাপীয় শক্তি: নবীকরণযোগ্য শক্তির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে সবুজ শক্তি।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">ভূ-তাপীয় শক্তি হল নবায়নযোগ্য শক্তি যা ভূগর্ভস্থ গরম জল বা বাষ্প ব্যবহার করে পৃথিবীর পৃষ্ঠের নীচে প্রাকৃতিক তাপ দ্বারা সৃষ্ট। নিম্ন তাপমাত্রা জিওথার্মাল </span><span style="font-weight: 400;">উৎসগুলো ইনস্টল করে আবাসিক এবং বাণিজ্যিক ভবনগুলোকে তাপ এবং শীতল করার জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে। পৃথিবীর ভূত্বকের নীচে থাকা তরল এবং শিলাগুলোর মধ্যে থাকা তাপ শক্তি তৈরি করতে পারে। বাষ্প এবং গরম জল থেকে ভূ-তাপীয় শক্তি ব্যবহার করার জন্য, শ্রমিকরা ভূগর্ভস্থ জলাধারে মাইল-গভীর কূপ খনন করে। তারপর তারা এই বাষ্প এবং গরম জল বিদ্যুৎ জেনারেটরের সাথে সংযুক্ত টারবাইনে ব্যবহার করে।</span></p>
<p><b>ফুয়েল সেল</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বিশ্বজুড়ে বর্তমানে নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস হিসেবে যেসব প্রযুক্তি নিয়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে তার মধ্যে ফুয়েল সেল বা জ্বালানি কোষ অন্যতম।</span> <span style="font-weight: 400;">ফুয়েল সেল হচ্ছে এমন একটি তড়িৎ </span><a href="https://bn.wikipedia.org/w/index.php?title=%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%95_%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%B7&amp;action=edit&amp;redlink=1" target="_blank" rel="noopener"><span style="font-weight: 400;">রাসায়নিক কোষ</span></a><span style="font-weight: 400;"> যেখানে </span><a href="https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%A1%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%A8" target="_blank" rel="noopener"><span style="font-weight: 400;">হাইড্রোজেন</span></a><span style="font-weight: 400;"> এবং অক্সিজেনের বিক্রিয়ায় সরাসরি ডিসি কারেন্ট হয় এবং বাই প্রোডাক্ট হিসেবে পানি এবং তাপ উৎপন্ন হয়। প্রাকৃতিক গ্যাসের উপর নির্ভরশীলতা কমাতে ফুয়েল সেল বেশ কার্যকরী ভূমিকা পালন করছে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">ফুয়েল সেলের মধ্যে মিথানল ফুয়েল সেল, ইথানল ফুয়েল সেল, গলিত কার্বনেট ফুয়েল সেল , পোটন এক্সচেঞ্জ মেমব্রেন ফুয়েল সেল বেশ জনপ্রিয়। ফুয়েল সেল বৈদ্যুতিক যানবাহন, পাওয়ার প্লান্ট , মহাকাশযান, স্মার্টফোনের পাশাপাশি বিভিন্ন পোর্টেবল চার্জিং অ্যাপ্লিকেশনে ব্যবহার করা যেতে পারে। ফুয়েল সেল পরিবেশ বান্ধব, নিরাপদ এবং</span><span style="font-weight: 400;"> এর </span><span style="font-weight: 400;">কর্মদক্ষতা অনেক বেশি।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8575" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/11/image-05-7.jpg" alt="সবুজ শক্তি: ফুয়েল সেলের প্রযুক্তি এবং এর পরিবেশবান্ধব সুবিধা। " width="1024" height="576" /></p>
<p><b>সবুজ শক্তি ব্যবহারের সুবিধা </b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">সবুজ শক্তি ব্যবহারের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এটি পরিবেশবান্ধব। বায়ু এবং সৌর শক্তির মতো সবুজ শক্তির উৎস ক্ষতিকর গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ এড়ানোর জন্য উচ্চতর বিকল্প। শুধু তাই নয়, সবুজ শক্তি আমাদের শারীরিক স্বাস্থ্যের জন্যও ভালো কারণ এটি আমাদের বায়ু এবং জল দূষণের জন্য অনেক কম দায়ী।</span></p>
<p><b>বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, গৃহস্থালী এবং পরিবেষ্টিত বায়ু দূষণ বছরে বিশ্বজুড়ে ৪.২ মিলিয়ন মানুষের মৃত্যুর কারণ </b><span style="font-weight: 400;">। এই মৃত্যুগুলোর বেশিরভাগই নিম্ন- থেকে মধ্যম-আয়ের দেশগুলোতে, বিশেষ করে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ঘটেছে। এই কারণে, আমাদের অবশ্যই নবায়নযোগ্য শক্তির উৎসগুলোতে আরও বেশি মনোযোগ দিতে হবে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বায়ু শক্তি এবং সৌর শক্তির মতো সবুজ শক্তির উৎস জীবাশ্ম জ্বালানীর তুলনায় অনেক বেশি টেকসই বিকল্প। তারা অক্সাইড, নাইট্রোজেন ডাইঅক্সাইড এবং সালফার ডাইঅক্সাইডের নিঃসরণ করে না, যার ফলে স্বাস্থ্য সমস্যা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়। নবায়নযোগ্য শক্তি কর্মসংস্থানেরও সুযোগ করে দিচ্ছে।  ২০২১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৫০০,০০০ লোককে কর্মসংস্থান করে দিয়েছে এই সবুজ শক্তি। সবুজ শক্তির আরেকটি সুবিধা হলো নবায়নযোগ্য শক্তি কখনো নিঃশেষ হবে না। সূর্য যতদিন চলতে থাকবে ততদিন সৌর শক্তি পাওয়া যাবে, বাতাস যতক্ষণ বয়ে চলবে ততক্ষণ বায়ু শক্তি পাওয়া যাবে এবং হ্রদ, প্রবাহ এবং নদী যতক্ষণ প্রবাহিত থাকবে ততক্ষণ জলবিদ্যুৎ বিদ্যুৎ থাকবে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">পৃথিবীকে বসবাসের উপযোগী করে গড়ে তুলতে সবুজ শক্তির কোনো বিকল্প নেই। পৃথিবীকে দূষণের হাত থেকে, গ্রিন হাউস গ্যাসের হাত থেকে বাঁচাতে হলে আমাদেরকে ধীরে ধীরে সবুজ শক্তির উপর নির্ভরশীলতা বাড়াতে হবে। তাছাড়া মনে রাখতে হবে নবায়নযোগ্য খুব শীঘ্রই শেষ হয়ে যাবে। আমরা যদি এখন থেকেই সবুজ শক্তির উপর নির্ভরশীল না হই, তাহলে অদূর ভবিষ্যতে আমাদের সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে।</span></p>
<p style="text-align: right;"><a href="https://bstandard.info/references00085/" target="_blank" rel="noopener"><em><strong>&#8220;তথ্যসূত্র&#8221;</strong></em></a></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bstandard.info/green-energy-a-new-path-to-sustainability/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রনিক যান: সবুজ পৃথিবীর সূচনা</title>
		<link>https://bstandard.info/eco-friendly-electronic-vehicles-an-innovative-step-toward-greenary/</link>
					<comments>https://bstandard.info/eco-friendly-electronic-vehicles-an-innovative-step-toward-greenary/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজটেক স্ট্যান্ডার্ড]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 24 Nov 2024 07:13:25 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ক্লাইমেট চেঞ্জ এন্ড বিসনেস ইমপ্যাক্ট]]></category>
		<category><![CDATA[এনভাইরো-লাইফস্টাইল]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://bstandard.info/?p=4871</guid>

					<description><![CDATA[বিশ্বব্যাপী পরিবেশ দূষণ প্রকট আকার ধারণ করেছে। বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে জলবায়ুর পরিবর্তনও প্রকট আকার ধারণ করেছে। মরুভূমিতে বন্যা, অতিবৃষ্টিতে দুবাইয়ে পানিবন্ধী হওয়ার ঘটনা কিংবা বাংলাদেশে প্রতিবছরই ঘূর্ণিঝড়, খরাসহ নানা দূযোর্গের সংবাদ আমাদেরকে বারবার পরিবেশের দুরাবস্থার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। বৈশ্বিক উষ্ণায়নের অন্যতম কারণ যানবাহনের কালো ধোঁয়া। আর এই সমস্যার সমাধানে বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তা পাচ্ছে ইলেকট্রনিক যান বা পরিবেশ-বান্ধব যান। আজকে আমরা এই পরিবেশ-বান্ধব যান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো। পরিবেশবান্ধব  ইলেকট্রনিক যান একটি পরিবেশ-বান্ধব ইলেকট্রনিক যান বলতে এমন যানবাহনকে বোঝানো হয় যা পরিবেশের উপর কোনো প্রকার বিরুপ প্রভাব ফেলে না। এই যানের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি এবং প্রযুক্তি দ্বারা চালিত যানবাহন অন্তর্ভুক্ত [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<table width="100%">
<tbody>
<tr>
<td align="left"><a href="https://bstandard.info/english/eco-friendly-electronic-vehicles-an-innovative-step-toward-greenary/" type="button" class="btn btn-info btn-md">Read it in English</a></td>
<td align="right"><a href="#" type="button" class="btn btn-link btn-lg">গবেষক এবং প্রতিবেদক: </a><a href="https://bstandard.info/author/shama/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">শামা সুলতানা</a> <a href="https://bstandard.info/author/ayesha/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">আয়েশা আক্তার</a></td>
</tr>
</tbody>
</table>
<p><span style="font-weight: 400;">বিশ্বব্যাপী পরিবেশ দূষণ প্রকট আকার ধারণ করেছে। বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে জলবায়ুর পরিবর্তনও প্রকট আকার ধারণ করেছে। মরুভূমিতে বন্যা, অতিবৃষ্টিতে দুবাইয়ে পানিবন্ধী হওয়ার ঘটনা কিংবা বাংলাদেশে প্রতিবছরই ঘূর্ণিঝড়, খরাসহ নানা দূযোর্গের সংবাদ আমাদেরকে বারবার পরিবেশের দুরাবস্থার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। বৈশ্বিক উষ্ণায়নের অন্যতম কারণ যানবাহনের কালো ধোঁয়া। আর এই সমস্যার সমাধানে বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তা পাচ্ছে ইলেকট্রনিক যান বা পরিবেশ-বান্ধব যান। আজকে আমরা এই পরিবেশ-বান্ধব যান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো। </span></p>
<p><b>পরিবেশবান্ধব </b><b> ইলেকট্রনিক</b><b> যান</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">একটি পরিবেশ-বান্ধব ইলেকট্রনিক যান বলতে এমন যানবাহনকে বোঝানো হয় যা পরিবেশের উপর কোনো প্রকার বিরুপ প্রভাব ফেলে না। </span><span style="font-weight: 400;">এই যানের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি এবং প্রযুক্তি দ্বারা চালিত যানবাহন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বৈদ্যুতিক যানবাহন, হাইব্রিড যানবাহন, হাইড্রোজেন যানবাহন, পরিষ্কার ইথানল যান, প্রাকৃতিক গ্যাসের যানবাহন, পরিষ্কার ডিজেল যান ইত্যাদি। অর্থাৎ,ইলেকট্রনিক যানবাহন বলতে এমন ধরনের যানবাহনকে বোঝানো হয় যা সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে জীবাশ্ম জ্বালানির বিকল্প শক্তির উৎসের উপর নির্ভরশীল বা পেট্রোল, ডিজেলের তুলনায় কম কার্বন-ডাইঅক্সাইড নির্গমন করে।</span></p>
<p><b>ইলেকট্রনিক</b><b> যানবাহনের সুবিধা </b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বিশ্বব্যাপী সবুজ যানবাহনের বিপ্লব চলছে। উন্নত বিশ্বের দেশগুলো পেট্রোল-ডিজেল চালিত যানবাহন থেকে এখন এই যানবাহনের দিকে ঝুঁকছে। তারা নানা ধরনের প্রকল্প গ্রহণ করছে। কারণ, ইলেকট্রনিক যান পরিবেশের জন্য বেশ উপকারী। চলুন সবুজ যান ব্যবহারের নানা সুবিধা সম্পর্কে জেনে নেই।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8514" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/11/image-01-30.jpg" alt="ইলেকট্রনিক যানবাহন চার্জ করা হচ্ছে: শক্তি সাশ্রয়ী এবং পরিবেশবান্ধব যানচালনা।" width="1024" height="576" /></p>
<p><b>পরিবেশ-বান্ধব</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বৈদ্যুতিক যানবাহন (ইভি)পরিবেশের জন্য বেশ উপকারী। বিশেষ করে পেট্রোল যানবাহনের তুলনায় এরা পরিবেশ-বান্ধব। পেট্রোল যানবাহন প্রায় ৪১% কার্বন-ডাইঅক্সাইড নির্গমনের জন্য দায়ী। সাধারণ যানবাহনের ইঞ্জিনগুলো  উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কার্বন ডাই অক্সাইড, নাইট্রোজেন অক্সাইড এবং সালফার অক্সাইড এর মতো দূষকগুলো নির্গত করে, যা মানব স্বাস্থ্য এবং পরিবেশের জন্য অনেক বিপজ্জনক। বৈদ্যুতিক যানবাহন এধরনের দূষক নির্গমন করে না।</span></p>
<p><b>সাশ্রয়ী</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বৈদ্যুতিক যানবাহন বেশ কম ব্যয়বহুল জ্বালানী। এমনকি আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ার মতো বিদ্যুতের উচ্চদাম সম্পন্ন রাজ্যগুলোতে, যেখানে এক কিলোওয়াট-ঘণ্টা  বিদ্যুতের গড় খরচ ২১ সেন্টের বেশি, সেখানে আপনি গ্যাস পাম্পে জ্বালানি খরচের অর্ধেকেরও কম খরচে একটি বৈদ্যুতিক গাড়ি চার্জ করতে পারবেন ৷ কম বিদ্যুতের দামসম্পন্ন রাজ্যগুলোতে , দেশে বা আপনি যদি ঘরে নবায়নযোগ্য শক্তিতে বিনিয়োগ করেন (যেমন, সৌর) খরচ আরো কম হবে।</span></p>
<p><b>দ্রুত গতিসম্পন্ন</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">ইভির তুলনায় গ্যাস-চালিত যানবাহন ধীরগতিতে চলে। ইভি মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে তাদের সর্বোচ্চ গতিতে পৌঁছাতে পারে কারণ তাদের মোটরগুলো অনেক সহজ ইঞ্জিনের জন্য সম্পূর্ণ টর্ক পেতে পারে। অনেক ইভি মডেল মসৃণ হ্যান্ডলিংও অফার করে, যা আরামদায়ক যাত্রার জন্য তৈরি।</span></p>
<p><b>ইলেকট্রনিক যান </b><b>কি আসলেই পরিবেশ-বান্ধব?</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">সাধারণ যানবাহন পরিবেশের উপর বিরুপ প্রভাব ফেলে। এই যানবাহনগুলো থেকে ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ বায়ু দূষক এবং গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হয় যা প্রতিনিয়ত বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি করছে৷ অন্যদিকে, বৈদ্যুতিক গাড়িগুলো গ্যাস চালিত গাড়ির তুলনায় পরিবেশের জন্য প্রায় ৫০% ভালো কারণ তারা কম দূষক  উৎপাদন করে। বৈদ্যুতিক গাড়ির ক্ষেত্রে ১০০% পরিচ্ছন্ন শক্তি বা নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস ব্যবহার করা যেতে পারে, যেমন ফটোভোলটাইক সিস্টেমের সাথে একীকরণ। ইন্টারন্যাশনাল কাউন্সিল অন ক্লিন ট্রান্সপোর্টেশন (আইসিসিটি)-এর মতে, &#8220;ব্যাটারি-ইলেকট্রিক যানগুলো এখন পর্যন্ত সর্বনিম্ন গ্রীনহাউস গ্যাস নির্গমন করে।&#8221;</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">পরিবহন খাত বিশ্বের বেশিরভাগ পেট্রোলিয়াম পোড়ায় এবং এটি বিশ্বব্যাপী গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের বৃহত্তম উৎসের মধ্যে একটি। গাড়িগুলো বায়ু দূষণের একটি প্রধান কারণ যা উল্লেখযোগ্য পরিমাণে নাইট্রোজেন অক্সাইড, কার্বন মনোক্সাইড এবং কণা পদার্থ তৈরি করে। শুধু তাই নয়, গবেষণায় দেখা গেছে যে, আমেরিকার সবচেয়ে বড় বায়ু দূষণের কারণ হলো যানবাহন। সমস্ত মার্কিন বায়ু দূষণের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ উৎপন্ন করে এই যানবাহন ৷ </span></p>
<p><b>ওয়ার্ল্ড কাউন্টস থেকে পাওয়া তথ্যমতে, প্রতি বছর প্রায় ৩০,০০০ পর্যন্ত অকালমৃত্যুর জন্য বাতাসের দূষককণা পদার্থই দায়ী।</b></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8513" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/11/image-02-30.jpg" alt="ইলেকট্রনিক যান: পরিবেশবান্ধব ধারণা, যেখানে একটি গাড়িকে সবুজ ঘাস দিয়ে সাজানো হয়েছে।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বৈদ্যুতিক যানবাহন (ইভি) শূন্য টেলপাইপ নির্গমন  করে, যার অর্থ তারা বায়ুমন্ডলে সরাসরি কার্বন-ডাইঅক্সাইড বা অন্যান্য ক্ষতিকারক দূষক নির্গত করে না। এটি আমাদের কার্বন পদচিহ্ন হ্রাস করে জলবায়ু পরিবর্তন প্রশমনে গভীর প্রভাব ফেলে। আর তাই ইউরোপীয় ইউনিয়ন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন এবং জাপান ২০৪০ সালের মধ্যে প্রচলিত যানবাহনগুলোকে পর্যায়ক্রমে বন্ধ করার পথে রয়েছে ৷ আন্তর্জাতিক শক্তি সংস্থা (আইইএ) মতে, ২০৭০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী পরিবহন দ্বিগুণ হবে এবং গাড়ির মালিকানা ৬০ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে ৷ </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">উপরন্তু, বৈদ্যুতিক যানবাহন বায়ুর গুণমান উন্নত করতে সাহায্য করে, বিশেষ করে শহুরে এলাকায় যেখানে বায়ু দূষণ একটি স্থায়ী সমস্যা। দ্য ইউনিয়ন অফ কনসার্নড সায়েন্টিস্টস রিপোর্ট করেছে যে, আইসিই যানবাহন থেকে নির্গত কালো ধোঁয়া ধোঁয়াশা তৈরিতে এবং ক্ষতিকারক কণা পদার্থে অবদান রাখে, যা শ্বাসযন্ত্রের অসুস্থতা এবং কার্ডিওভাসকুলার রোগ সহ গুরুতর স্বাস্থ্যগত প্রভাব ফেলে। বৈদ্যুতিক যানবাহন ব্যবহার করে আমরা এই ক্ষতিকার নির্গমনগুলোকে উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করতে পারি এবং সবার জন্য পরিষ্কার ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি করতে পারি।</span></p>
<p><b>ইলেকট্রনিক</b><b> যান এবং বাংলাদেশ</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">জাতিসংঘ পরিবেশ প্রোগ্রামের একটি সমীক্ষায় গণনা করেছে যে, ২০৩০ সালের মধ্যে ৯০% ব্যাটারি-ইলেকট্রিক মোটরসাইকেল বিক্রিতে বৈশ্বিক পরিবর্তনের ফলে ২০৫০ সালের মধ্যে প্রায় ১১ বিলিয়ন টন CO2 নির্গমন হ্রাস পেতে পারে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">ঢাকার মতো ঘনবসতিপূর্ণ শহরে, যেখানে বায়ু দূষণের মাত্রা আশঙ্কাজনকভাবে বেশি, সেখানে হাইব্রিড গাড়ি ক্ষতিকর দূষণ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে । বাংলাদেশের বাজারে হাইব্রিড গাড়ির একটি বড় সুবিধা হল সরকার কর্তৃক প্রদত্ত আর্থিক প্রণোদনা। এই প্রণোদনাগুলোর মধ্যে ট্যাক্স বিরতি এবং ভর্তুকি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে যা ভোক্তাদের জন্য হাইব্রিড গাড়িগুলোকে আরও সাশ্রয়ী করে তোলে ৷ হাইব্রিড গাড়ি ক্রয়ের উপর কর কমিয়ে সরকার পরিবেশ-বান্ধব বিকল্প বেছে নিতে জনগণকে উৎসাহিত করছে।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8512" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/11/image-03-22.jpg" alt="ইলেকট্রনিক যান এবং বাংলাদেশ: পরিবেশবান্ধব যানবাহনের ভবিষ্যত। " width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">সরকার একটি নীতি ঘোষণা করেছে যার লক্ষ্য হলো ২০৩০ সালের মধ্যে রাস্তায় সমস্ত যানবাহনের কমপক্ষে ১৫% বিদ্যুতে চলবে এবং সম্প্রতি বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি দেশে ইভিগুলির সঠিক পরিচালনা এবং নিবন্ধনের জন্য একটি নির্দেশিকা চূড়ান্ত করেছে। এই উদ্যোগগুলি একটি টেকসই পরিবহন খাতের জন্য একটি শক্তিশালী দৃষ্টিভঙ্গি প্রদর্শন করে। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য, অবকাঠামোগত ঘাটতি পূরণ করা , সর্বোত্তম অনুশীলন এবং জ্ঞান ভাগ করে নেওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সাথে সহযোগিতা অপরিহার্য।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বৈদ্যুতিক যানবাহন কম দূষক পদার্থ নির্গমন এবং বায়ুর গুণমান উন্নত করা সহ উল্লেখযোগ্য পরিবেশগত সুবিধা প্রদান করে। বাংলাদেশে পুরোপুরি ইভি অবকাঠামো তৈরি করা বেশ চ্যালেঞ্জিং বিষয়। আমাদের নানা ধরনের সীমাবদ্ধতা রয়েছে এবং এই সীমাবদ্ধতাগুলো মোকাবেলা করার জন্য সরকারি উদ্যোগ, বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ এবং জনসচেতনতামূলক প্রচারাভিযান জড়িত একটি সম্মিলিত সহযোগিতার প্রয়োজন হবে।</span></p>
<p style="text-align: right;"><a href="https://bstandard.info/references00075/" target="_blank" rel="noopener"><em><strong>&#8220;তথ্যসূত্র&#8221;</strong></em></a></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bstandard.info/eco-friendly-electronic-vehicles-an-innovative-step-toward-greenary/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ট্যাবলেট সাবান : টেকসই পরিচ্ছন্নতার পরিবেশবান্ধব সমাধান</title>
		<link>https://bstandard.info/hand-soap-tablet-an-eco-friendly-method-of-maintaining-hygiene/</link>
					<comments>https://bstandard.info/hand-soap-tablet-an-eco-friendly-method-of-maintaining-hygiene/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজটেক স্ট্যান্ডার্ড]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 24 Nov 2024 04:14:24 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ক্লাইমেট চেঞ্জ এন্ড বিসনেস ইমপ্যাক্ট]]></category>
		<category><![CDATA[বিজনেস আইডিয়াস]]></category>
		<category><![CDATA[এনভাইরো-লাইফস্টাইল]]></category>
		<category><![CDATA[স্টার্টআপ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://bstandard.info/?p=4859</guid>

					<description><![CDATA[২০২০ সালের করোনা মহামারীর পর থেকে সারাবিশ্বে স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে এক বিপ্লব শুরু হয়েছে। করোনার সময় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছিলো সাবান বা হ্যান্ড ওয়াশ দিয়ে নিয়মিত হাত ধোয়া। কারণ, মহামারী করোনার কোনো চিকিৎসা ছিলো না। কিন্তু এই সাবানের প্যাকিজিংয়ে ব্যবহার করা প্লাস্টিক আমাদের গ্রহের স্বাস্থ্যের জন্য বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। শুধু তাই নয়, সাধারণ সাবান থেকে উৎপন্ন বর্জ্য পদার্থও আমাদের পরিবেশের জন্য বেশ ক্ষতিকর। এই সকল সমস্যার সমাধান হিসেবে বর্তমানে বিশ্বে  হ্যান্ড সোপ ট্যাবলেট বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। দ্রবীভূত এই  হ্যান্ড সাবান ট্যাবলেট সাবানের গুণমান বিসর্জন না করে একক-ব্যবহারের প্লাস্টিকের প্রয়োজনীয়তা দূর করে। চলুন আজকে বিস্তারিতভাবে পরিবেশবান্ধব হ্যান্ড সোপ ট্যাবলেট নিয়ে জেনে নেই। [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<table width="100%">
<tbody>
<tr>
<td align="left"><a href="https://bstandard.info/english/hand-soap-tablet-an-eco-friendly-method-of-maintaining-hygiene/" type="button" class="btn btn-info btn-md">Read it in English</a></td>
<td align="right"><a href="#" type="button" class="btn btn-link btn-lg">গবেষক এবং প্রতিবেদক: </a><a href="https://bstandard.info/author/shama/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">শামা সুলতানা</a> <a href="https://bstandard.info/author/ayesha/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">আয়েশা আক্তার</a></td>
</tr>
</tbody>
</table>
<p><span style="font-weight: 400;">২০২০ সালের করোনা মহামারীর পর থেকে সারাবিশ্বে স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে এক বিপ্লব শুরু হয়েছে। করোনার সময় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছিলো সাবান বা হ্যান্ড ওয়াশ দিয়ে নিয়মিত হাত ধোয়া। কারণ, মহামারী করোনার কোনো চিকিৎসা ছিলো না। কিন্তু এই সাবানের প্যাকিজিংয়ে ব্যবহার করা </span><span style="font-weight: 400;">প্লাস্টিক আমাদের গ্রহের স্বাস্থ্যের জন্য বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। শুধু তাই নয়, সাধারণ সাবান থেকে উৎপন্ন বর্জ্য পদার্থও আমাদের পরিবেশের জন্য বেশ ক্ষতিকর। এই সকল সমস্যার সমাধান হিসেবে বর্তমানে বিশ্বে </span><span style="font-weight: 400;"> হ্যান্ড সোপ ট্যাবলেট বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। </span><span style="font-weight: 400;">দ্রবীভূত এই  হ্যান্ড সাবান ট্যাবলেট</span> <span style="font-weight: 400;">সাবানের গুণমান বিসর্জন না করে একক-ব্যবহারের প্লাস্টিকের প্রয়োজনীয়তা দূর করে। চলুন আজকে বিস্তারিতভাবে </span><span style="font-weight: 400;">পরিবেশবান্ধব হ্যান্ড সোপ ট্যাবলেট নিয়ে জেনে নেই। </span></p>
<p><b>হ্যান্ড সোপ ট্যাবলেট কি?</b></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8508" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/11/image-01-29.jpg" alt="পরিচ্ছন্নতার টেকসই সমাধান: পরিবেশবান্ধব ট্যাবলেট সাবান। " width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">হ্যান্ড সোপ ট্যাবলেট মূলত এমন একটি পণ্য যা বর্জ্য উৎপাদন  কমাতে এবং পরিবেশের উপর বিরুপ প্রভাব কমানোর জন্য তৈরি করা হয়েছে। পরিবেশবান্ধব হ্যান্ড সাবান ট্যাবলেটগুলি ঘনীভূত, কঠিন ধরনের। ট্যাবলেটগুলো দিয়ে তরল হ্যান্ড সাবান তৈরি করার জন্য জলে মেশাতে হয়। প্রথাগত তরল সাবান যা প্লাস্টিকের বোতলে পাওয়া যায় হ্যান্ড সোপ ট্যাবলেট এর সম্পূর্ণ বিপরীত। এই ট্যাবলেটগুলো প্রায়শই কম্পোস্টেবল বা পুনর্ব্যবহারযোগ্য উপকরণে প্যাকেজ করা হয়, যা উল্লেখযোগ্যভাবে প্লাস্টিক বর্জ্য হ্রাস করে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">হ্যান্ড সোপ ট্যাবলেটগুলো সাধারণ উপাদান যেমন সোডিয়াম বাইকার্বনেট এবং সাইট্রিক অ্যাসিড সহ সাবানের সংকুচিত এবং দ্রবীভূত কেকের মতো। হ্যান্ড সাবানে ব্যবহৃত সকল প্রয়োজনীয় উপাদান  হ্যান্ড সোপ ট্যাবলেটে রয়েছে।</span></p>
<p><b>হ্যান্ড সোপ ট্যাবলেট ব্যবহারের নিয়ম</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">হ্যান্ড সোপ ট্যাবলেট ব্যবহার করা বেশ সহজ। মাত্র দুইটি ধাপ অনুসরণ করলেই খুব সহজেই কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাবে।</span></p>
<p><b>প্রথমত, </b><span style="font-weight: 400;">হ্যান্ড সোপ ট্যাবলেট ব্যবহার করতে হলে একটি পুনরায় ব্যবহারযোগ্য সাবান বিতরণকারী বা বোতল ব্যবহার করতে হবে। হ্যান্ড সোপ ট্যাবলেট বিক্রি করে এমন অনেক কোম্পানি তাদের পণ্যের জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা টেকসই, পুনরায় ব্যবহারযোগ্য বোতল বিক্রি করে থাকে।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8507" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/11/image-02-29.jpg" alt="পরিচ্ছন্নতার সহজ উপায়: হ্যান্ড সোপ ট্যাবলেট ব্যবহারের নিয়ম। " width="1024" height="576" /></p>
<p><b>দ্বিতীয়ত,</b><span style="font-weight: 400;"> ট্যাবলেটটি দ্রুত দ্রবীভূত করার জন্য বোতলটি পরিমাণ অনুযায়ী পানি (সাধারণত গরম পানি) দিয়ে পূর্ণ করতে হবে। তারপর বোতলে একটি ট্যাবলেট ফেলে দিতে হবে। ট্যাবলেটটি দ্রবীভূত হয়ে একটি তরল সাবান তৈরি করবে। এই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হতে সাধারণত কয়েক মিনিট সময় লাগে। তবে বোতলটি আলতো করে ঝাঁকালে এটির গতি বাড়তে পারে। একবার ট্যাবলেটটি সম্পূর্ণরূপে দ্রবীভূত হয়ে গেলে, আপনার সাবানটি ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত হয়ে যাবে। </span></p>
<p><b>পরিবেশ বান্ধব হ্যান্ড সোপ ট্যাবলেট ব্যবহারের সুবিধা</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">পরিবেশ বান্ধব হ্যান্ড সোপ ট্যাবলেটগুলো পরিবেশগত বর্জ্য হ্রাস করার বাইরেও বিভিন্ন রকম সুবিধা দেয়। প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করা থেকে শুরু করে প্যাকেজিংয়ে প্লাস্টিক কম ব্যবহার কর, এই ট্যাবলেটগুলো আসলে একটি টেকসই বিকল্প প্রদান করে যা পরিবেশগত দায়িত্ব এবং কার্যকর ব্যক্তিগত যত্ন উভয়ের সাথেই সামঞ্জস্যপূর্ণ ।</span></p>
<p><b>পরিবেশ-বান্ধব উৎপাদন:</b><span style="font-weight: 400;"> ঐতিহ্যগত সাবানের পরিবেশগত প্রভাব সাম্প্রতিক বছরগুলোতে একটি প্রধান উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে। হ্যান্ড সোপ ট্যাবলেটগুলো একটি পরিবেশ-বান্ধব বিকল্প যা এই উদ্বেগের প্রতিক্রিয়া হিসাবে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। এগুলো সাধারণত প্যাকেজিংয়ে আসে যা বায়োডিগ্রেডেবল বা পুনর্ব্যবহৃত উপকরণ থেকে তৈরি এবং ল্যান্ডফিলগুলিতে শেষ হওয়া বর্জ্যের পরিমাণ হ্রাস করে। অনেক ব্র্যান্ড আবার টেকসই উৎপাদন অনুশীলন করে যা পরিবেশ-বান্ধব।উপরন্তু, হ্যান্ড সোপ ট্যাবলেট উৎপাদন ও ব্যবহারে কম পানির প্রয়োজন হয়, যা পানির অপচয় কমায়। অনেক মানুষ তাদের পরিবেশগত পদচিহ্ন কমাতে এবং স্থায়িত্ব প্রচার করতে হ্যান্ড সোপ ট্যাবলেটে স্যুইচ করছে।</span></p>
<p><b>অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">হ্যান্ড সোপ ট্যাবলেট বিভিন্ন উপায়ে তৈরি ঐতিহ্যবাহী সাবানের চেয়ে অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর। প্রথমত, হ্যান্ড সোপ ট্যাবলেটকে পৃথকভাবে মোড়ানো হয়, যার মানে তারা অন্য মানুষের জীবাণু বা ব্যাকটেরিয়ার সংস্পর্শে আসে না। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">দ্বিতীয়ত, হ্যান্ড সোপ ট্যাবলেটগুলো ত্বকে জমাট বাঁধে না বরং সম্পূর্ণরূপে দ্রবীভূত হয়। ফলে জীবাণু এবং ব্যাকটেরিয়াকে আকর্ষণ করার প্রশ্নই আসে না।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8506" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/11/image-03-21.jpg" alt="ট্যাবলেট সাবান: অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর পরিচ্ছন্নতার সমাধান।" width="1024" height="576" /></p>
<p><b>দীর্ঘস্থায়ী</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">হ্যান্ড সোপ ট্যাবলেট সাধারণ সাবানের চেয়ে বেশি দিন স্থায়ী হয়। শুধুমাত্র অল্প পরিমাণ ট্যাবলেট ব্যবহার করেই কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যায়। যার মানে একটি ট্যাবলেট একাধিক ব্যবহারের জন্য স্থায়ী হতে পারে। এটি তরল সাবান বা বার সাবানের বিপরীত। এই ট্যাবলেট দ্রুত ব্যবহার করা যায় এবং বাড়িতে, অফিসে বা কোথাও যেতে যেতে ডিসপেনসার রিফিল করার জন্য উপযুক্ত।</span></p>
<p><b>সহজে ব্যবহারযোগ্য </b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">হ্যান্ড সাবান ট্যাবলেট ব্যবহার করা অবিশ্বাস্যভাবে সহজ। ট্যাবলেটে পানি যোগ করে খুব সহজেই ব্যবহার করা যায়। এগুলো সাধারণত  ছোট, হালকা ওজনের এবং পরিবহনে সহজ। আপনি যেখানেই যান না কেন, আপনি কর্মক্ষেত্রে, ভ্রমণে বা বাইরে এবং আপনি হ্যান্ড সাবান ট্যাবলেট সাথে নিয়ে যেতে পারেন। সাধারণ সাবানের মতো আপনাকে হ্যান্ড সাবান ট্যাবলেটের ছিটকে পড়া বা গলে যাওয়ার বিষয়ে চিন্তা করতে হবে না।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">পরিবেশ বান্ধব হ্যান্ড সোপ ট্যাবলেট কার্যকর হাতের স্বাস্থ্যবিধি বজায় রেখে পরিবেশগত প্রভাব হ্রাস করার জন্য একটি উদ্ভাবনী সমাধান। সাধারণ তরল সাবানের চেয়ে হ্যান্ড সোপ ট্যাবলেট বেছে নেওয়ার মাধ্যমে, আপনি প্লাস্টিক বর্জ্য উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে পারেন, কার্বন পদচিহ্ন কমাতে পারেন এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার জন্য আরও টেকসই, খরচ-কার্যকর পদ্ধতি উপভোগ করতে পারেন। পরিবেশবান্ধব হ্যান্ড সোপ ট্যাবলেটে স্যুইচ করা একটি এমন  পদক্ষেপ যা আমাদের একটি নিরাপদ পৃথিবীর দিকে, একটি সুন্দর ভবিষ্যতের দিকে  নিয়ে যাবে। </span></p>
<p style="text-align: right;"><a href="https://bstandard.info/references00074/" target="_blank" rel="noopener"><em><strong>&#8220;তথ্যসূত্র&#8221;</strong></em></a></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bstandard.info/hand-soap-tablet-an-eco-friendly-method-of-maintaining-hygiene/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>পরিবেশ বান্ধব পোশাক শিল্পের নতুন দিগন্ত বাংলাদেশ</title>
		<link>https://bstandard.info/eco-friendly-initiatives-set-a-new-example-in-bangladesh-apparel-industries/</link>
					<comments>https://bstandard.info/eco-friendly-initiatives-set-a-new-example-in-bangladesh-apparel-industries/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজটেক স্ট্যান্ডার্ড]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 16 Nov 2024 06:42:15 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ক্লাইমেট চেঞ্জ এন্ড বিসনেস ইমপ্যাক্ট]]></category>
		<category><![CDATA[এনভাইরো-লাইফস্টাইল]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://bstandard.info/?p=4479</guid>

					<description><![CDATA[বাংলাদেশের তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাত গত এক দশকে উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তিত হয়েছে । বিশ্বের সর্বোচ্চ সংখ্যক সবুজ কারখানার পাশাপাশি  টেকসই উৎপাদনে বিশ্বব্যাপী নেতা হিসেবে বাংলাদেশের আবির্ভাব হয়েছে। এই উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন শুধু টেক্সটাইল উৎপাদনের জন্য পরিবেশ-বান্ধব হাব হিসেবে বাংলাদেশের অবস্থানকে সুদৃঢ় করেনি বরং দেশের অর্থনীতি, কর্মশক্তি এবং পরিবেশের জন্য অনেক বেশি সুযোগ- সুবিধার সৃষ্টি করেছে। চলুন আজকে আমরা বাংলাদেশের এই &#8216;সবুজ  ইন্ডাস্ট্রি&#8217; নিয়ে বিস্তারিত জানবো। সবুজ আরএমজি কারখানা সবুজ আরএমজি কারখানা বলতে মূলত পরিবেশ বান্ধব কারখানা নির্মাণ, নবায়নযোগ্য শক্তি গ্রহণ, পানির ব্যবহার কমানো এবং টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করারকে বোঝানো হয়। ২০২৪ সাল পর্যন্ত পাওয়া তথ্যমতে, বাংলাদেশে ২২৬টিরও বেশি এলইইডি -প্রত্যয়িত কারখানা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<table width="100%">
<tbody>
<tr>
<td align="left"><a href="https://bstandard.info/english/eco-friendly-initiatives-set-a-new-example-in-bangladesh-apparel-industries/" type="button" class="btn btn-info btn-md">Read it in English</a></td>
<td align="right"><a href="#" type="button" class="btn btn-link btn-lg">গবেষক এবং প্রতিবেদক: </a><a href="https://bstandard.info/author/shama/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">শামা সুলতানা</a> <a href="https://bstandard.info/author/ayesha/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">আয়েশা আক্তার</a></td>
</tr>
</tbody>
</table>
<p><span style="font-weight: 400;">বাংলাদেশের তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাত গত এক দশকে উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তিত হয়েছে । বিশ্বের সর্বোচ্চ সংখ্যক সবুজ কারখানার পাশাপাশি  টেকসই উৎপাদনে বিশ্বব্যাপী নেতা হিসেবে বাংলাদেশের আবির্ভাব হয়েছে। এই উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন শুধু টেক্সটাইল উৎপাদনের জন্য পরিবেশ-বান্ধব হাব হিসেবে বাংলাদেশের অবস্থানকে সুদৃঢ় করেনি বরং দেশের অর্থনীতি, কর্মশক্তি এবং পরিবেশের জন্য অনেক বেশি সুযোগ- সুবিধার সৃষ্টি করেছে। চলুন আজকে আমরা বাংলাদেশের এই &#8216;সবুজ  ইন্ডাস্ট্রি&#8217; নিয়ে বিস্তারিত জানবো।</span></p>
<p><b>সবুজ আরএমজি কারখানা</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">সবুজ আরএমজি কারখানা বলতে মূলত পরিবেশ বান্ধব কারখানা নির্মাণ, নবায়নযোগ্য শক্তি গ্রহণ, পানির ব্যবহার কমানো এবং টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করারকে বোঝানো হয়। ২০২৪ সাল পর্যন্ত পাওয়া তথ্যমতে, বাংলাদেশে ২২৬টিরও বেশি এলইইডি -প্রত্যয়িত কারখানা রয়েছে। এই কারখানাগুলো ইউএস গ্রীন বিল্ডিং কাউন্সিল(ইউএসজিবিসি) দ্বারা পুরস্কৃত হয়েছে। </span></p>
<p><b>প্রেক্ষাপট</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">২০১২ সালের নভেম্বরে তাজরিন ফ্যাশনসে অগ্নিকান্ডের ঘটনা এবং ২০১৩ সালের মর্মান্তিক রানা প্লাজা ধসের পর এই সবুজ রূপান্তর শুরু হয়েছিলো। মূলত ২০১৩ সালের রানা প্লাজা ধসের পর </span><span style="font-weight: 400;">পোশাক খাতে দুর্বল শ্রম অধিকার এবং কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তার অভাবের কথা উল্লেখ করে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের জন্য জেনারেলাইজড সিস্টেম অফ প্রেফারেন্স (জিএসপি) স্ট্যাটাস স্থগিত করেছিলো। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">ঠিক তখনই ইউরোপীয় এবং উত্তর আমেরিকার খুচরা বিক্রেতা এবং ব্র্যান্ডগুলি গার্মেন্টস সেক্টরে আগুন, কাঠামোগত এবং বৈদ্যুতিক সুরক্ষার ক্ষেত্রে ত্রুটিগুলি পরিদর্শন, সুপারিশ এবং প্রতিকারের জন্য বাংলাদেশে ফায়ার অ্যান্ড বিল্ডিং সেফটি এবং অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি গঠন করেছে। তারপর থেকে যাত্রা শুরু নতুন দিগন্তের। </span><span style="font-weight: 400;">যেখানে উন্নত নিরাপত্তা এবং পরিবেশগত মানের  দিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিলো। বাংলাদেশী নির্মাতারা কেবল কাজের অবস্থার উন্নতিই করেনি বরং বিশ্ব বাজারে প্রতিযোগিতামূলক স্থানও অর্জন করেছে। চলুন আমরা কয়েকটি সবুজ পোশাক কারখানা সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেই।</span></p>
<p><b>নাসা হাইটেক স্টাইল লিমিটেড</b></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8438" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/11/image-01-18.jpg" alt="নাসা হাইটেক স্টাইল লিমিটেড, পরিবেশ বান্ধব পোশাক উৎপাদনের জন্য একটি অগ্রণী প্রতিষ্ঠান।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">নাসা হাইটেক স্টাইল লিমিটেড জুলাই ২০১৮ সালে যাত্রা শুরু করে। সবুজ কারখানাটি গাজীপুরে অবস্থিত। প্রথম থেকেই, এই কোম্পানিটি ইউএসজিবিসি দ্বারা প্রত্যয়িত হওয়ার অভিপ্রায় নিয়ে যাত্রা শুরু করে এবং ২০১৯  সালে এলইইডি গোল্ড প্রশংসাপত্র অর্জন করেছে। কোম্পানিটি বেসলাইন পারফরম্যান্স রেটিংয়ে ৬% শক্তি খরচ কমিয়েছে। গ্রিন ফ্যাক্টরিটির  অভ্যন্তরীণ কাজের জন্য ৪০% জল ব্যবহার হ্রাস করেছে এ্রবং বর্জ্য হ্রাস করেছে ৫০%। এই কোম্পানির সবুজ শিল্পায়ন প্রক্রিয়ায় নতুন ভবন নির্মাণ, ফ্যাব্রিকেশন এবং এলইইডি রেজিস্ট্রেশন, সার্টিফিকেশন এবং কনসালটেন্সি ফি হিসাবে খরচ ১৮% থেকে ২০ % পর্যন্ত বাড়িয়েছে। গ্রীন প্রজেক্টের কাজ শুরু করার পর, বিদ্যুতের ব্যবহারের ক্ষেত্রে মেশিনের দক্ষতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। </span></p>
<p><b>ইনভয় টেক্সটাইল লিমিটেড (ইটিএল) </b></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8437" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/11/image-02-18.jpg" alt="ইনভয় টেক্সটাইল লিমিটেড (ইটিএল), পরিবেশ বান্ধব পোশাক উৎপাদনে টেকসই পদ্ধতির অনুসরণ করছে।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">ইনভয় টেক্সটাইল লিমিটেড হল বিশ্বের প্রথম স্কোরকারী এলইইডি সার্টিফাইড প্লাটিনাম ডেনিম ফ্যাক্টরি। এটি ২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ২০০৮ সালের প্রথম দিকে এর বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হয়। কারখানাটি ময়মনসিংহের ভালুকা জমিন্দিয়াতে অবস্থিত। ইনভয় টেক্সটাইল লিমিটেড শক্তি এবং পরিবেশ ডিজাইনে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য সুপরিচিত। ইটিএল ম্যানেজমেন্টের মূল উদ্দেশ্য ছিল কম শক্তি এবং কম জল খরচসহ একটি সবুজ কারখানা স্থাপন করা। ইটিএল ২৯% শক্তি খরচ এবং ৩৪% জল খরচ হ্রাস করেছে। একইসঙ্গে পুনর্ব্যবহারযোগ্য ৯৫% বর্জ্য উৎপাদন করে এবং প্রাকৃতিক সম্পদের ১00% ব্যবহার নিশ্চিত করে।</span></p>
<p><b>বে ক্রিয়েশনস লিমিটেড</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বে ক্রিয়েশনস লিমিটেড গত ১৪ বছর ধরে নিটিং গার্মেন্টস তৈরি ও রপ্তানি করার ক্ষেত্রে একটি বিখ্যাত নাম। এটি নারায়নগঞ্জে অবস্থিত। কোম্পানিটি এলইইডি গোল্ড ক্যাটাগরির সার্টিফিকেশন অর্জন করেছে। বে ক্রিয়েশন লিমিটেডের গ্রিন বিল্ডিং প্রকল্পটি ছিল একটি নতুন নির্মাণ প্রকল্প। এই বিল্ডিং নির্মাণের জন্য ১০% রি-সাইকেল কন্টেন্ট, ২০% আঞ্চলিকভাবে নিষ্কাশিত, পুনরুদ্ধার বা তৈরি সামগ্রী ব্যবহার করেছে। সবুজ কারখানাটি ল্যান্ডস্কেপ ওয়াটারিং এর জন্য ১০০% জলের ব্যবহার কমিয়েছে, ৪০% বেসলাইন ইনডোর জল খরচ এবং  ৫০% বর্জ্য জল উৎপাদন কমিয়েছে। </span></p>
<p><b>এসএম সোর্সিং</b></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8436" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/11/image-03-11.jpg" alt="এসএম সোর্সিং, পরিবেশ বান্ধব পোশাক উৎপাদনের জন্য পদ্ধতিগত এবং টেকসই সমাধান প্রদান করছে।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">এলইইডি তালিকায় বিশ্বের সর্বোচ্চ পয়েন্টপ্রাপ্ত সবুজ পোশাক কারখানা এসএম সোর্সিং যা গাজীপুরের কোনাবাড়িতে অবস্থিত। এলইইডি </span><span style="font-weight: 400;">রেটিং সিস্টেমে ১১০ পয়েন্টের মধ্যে কোম্পানিটি ১০৬ স্কোর করেছে। প্রায় চার বিঘা জমির উপর প্রতিষ্ঠিত কারখানাটি ভিতরে এবং বাইরে বিশুদ্ধ বাতাসের অবাধ প্রবাহের সুবিধার্থে ৩৫ শতাংশ জায়গা খোলা রেখে গাছ লাগানো হয়েছে। কারখানাটি সৌর প্যানেল থেকে প্রতিদিন ৪৫ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ ব্যবহার করে। এসএম সোর্সিং প্রতি বছর ২০০০ টন কার্বন নিঃসরণ রোধ করে যা প্রায় ৬৭,০০০ গাছ লাগানোর সমান।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">একটি প্ল্যাটিনাম-রেটেড </span><span style="font-weight: 400;">এলইইডি &#8211;</span><span style="font-weight: 400;">প্রত্যয়িত ইউনিট তৈরি করতে খরচ একটি সাধারণ কারখানা তৈরির খরচের চেয়ে প্রায় ৪০ শতাংশ বেশি।কিন্তু অতিরিক্ত খরচ সত্ত্বেও, বাংলাদেশের বেশ কিছু সংখ্যক উদ্যোক্তা তাদের কারখানাগুলোকে গ্রীন ইউনিটে রূপান্তরিত করেছে যাতে তাদের সুযোগ-সুবিধাগুলিকে বৈশ্বিক মানের উপযোগী করা যায়। বাংলাদেশ অবশেষে চীনের পর দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রপ্তানিকারক হয়ে উঠেছে এবং বৈশ্বিক পোশাক বাণিজ্য অঙ্গনে ৭.৯ শতাংশ দখল করেছে। সবুজায়নের উদ্যোগ এই খাতে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে সাহায্য করেছে।</span></p>
<p style="text-align: right;"><a href="https://bstandard.info/references00063/" target="_blank" rel="noopener"><b><i>&#8220;তথ্যসূত্র&#8221;</i></b></a></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bstandard.info/eco-friendly-initiatives-set-a-new-example-in-bangladesh-apparel-industries/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>টেকসই উন্নয়নের রূপকার বাংলাদেশের এই ১০ টি প্রতিষ্ঠান</title>
		<link>https://bstandard.info/top-10-organizations-in-bangladesh-that-influence-sustainable-development/</link>
					<comments>https://bstandard.info/top-10-organizations-in-bangladesh-that-influence-sustainable-development/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজটেক স্ট্যান্ডার্ড]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 13 Nov 2024 06:26:27 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ক্লাইমেট চেঞ্জ এন্ড বিসনেস ইমপ্যাক্ট]]></category>
		<category><![CDATA[এনভাইরো-লাইফস্টাইল]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://bstandard.info/?p=4382</guid>

					<description><![CDATA[বিশ্বব্যাপী ব্যবসার জন্য টেকসই একটি অপরিহার্য বিষয় হয়ে উঠছে এবং বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। দেশে তাজরিন ফ্যাশন এবং রানা প্লাজার ভয়াবহ ট্র্যাজেডির পর, শিল্প-প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা এবং পরিবেশ নিয়ে কর্তৃপক্ষ গুরুত্ব সহকারে কাজ করা শুরু করেছে। দেশের বেশ কয়েকটি কোম্পানি টেকসই প্রকল্প গ্রহণ করেছে এবং পরিবেশ বান্ধব প্রতিষ্ঠান তৈরি করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। চলুন আজকে বাংলাদেশের শীর্ষ ১০টি টেকসই ব্যবসা- প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে বিস্তারিত জানবো যারা একটি সবুজ ভবিষ্যতের লক্ষ্যে প্রতিনিয়ত কাজ করছে। গ্রামীণফোন &#160; গ্রামীণফোন বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় টেলিকম অপারেটর। ব্লুমবার্গের স্থায়িত্বের তালিকায় ৩৯.৬  স্কোর নিয়ে এটি শীর্ষস্থানীয় বাংলাদেশী কোম্পানি হিসাবে স্থান করে নিয়েছে। গ্রামীণফোন তার কার্যকলাপে টেকসই অনুশীলনের বিষয়কে একীভূত করেছে। একইসাথে কার্বন [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<table width="100%">
<tbody>
<tr>
<td align="left"><a href="https://bstandard.info/english/top-10-organizations-in-bangladesh-that-influence-sustainable-development/" type="button" class="btn btn-info btn-md">Read it in English</a></td>
<td align="right"><a href="#" type="button" class="btn btn-link btn-lg">গবেষক এবং প্রতিবেদক: </a><a href="https://bstandard.info/author/shama/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">শামা সুলতানা</a> <a href="https://bstandard.info/author/ayesha/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">আয়েশা আক্তার</a></td>
</tr>
</tbody>
</table>
<p><span style="font-weight: 400;">বিশ্বব্যাপী ব্যবসার জন্য টেকসই একটি অপরিহার্য বিষয় হয়ে উঠছে এবং বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। দেশে তাজরিন ফ্যাশন এবং রানা প্লাজার ভয়াবহ ট্র্যাজেডির পর, শিল্প-প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা এবং পরিবেশ নিয়ে কর্তৃপক্ষ গুরুত্ব সহকারে কাজ করা শুরু করেছে। দেশের বেশ কয়েকটি কোম্পানি টেকসই প্রকল্প গ্রহণ করেছে এবং পরিবেশ বান্ধব প্রতিষ্ঠান তৈরি করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। চলুন আজকে বাংলাদেশের শীর্ষ ১০টি টেকসই ব্যবসা- প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে বিস্তারিত জানবো যারা একটি সবুজ ভবিষ্যতের লক্ষ্যে প্রতিনিয়ত কাজ করছে।</span></p>
<p><b>গ্রামীণফোন</b></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8419" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/11/image-01-15.jpg" alt="গ্রামীণফোনের লোগো, টাওয়ার, মডেম, এবং মোবাইল ফোনের ছবি।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">গ্রামীণফোন বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় টেলিকম অপারেটর। ব্লুমবার্গের স্থায়িত্বের তালিকায় ৩৯.৬  স্কোর নিয়ে এটি শীর্ষস্থানীয় বাংলাদেশী কোম্পানি হিসাবে স্থান করে নিয়েছে। গ্রামীণফোন তার কার্যকলাপে টেকসই অনুশীলনের বিষয়কে একীভূত করেছে। একইসাথে কার্বন নিঃসরণ হ্রাস, নবায়নযোগ্য শক্তির প্রচার এবং তার নেটওয়ার্ক অবকাঠামোর মাধ্যমে পরিবেশগত প্রভাব কমানোর উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করেছে। কোম্পানির সবচেয়ে স্ট্যান্ডআউট উদ্যোগ হল গ্রামীণ এলাকায় সৌর-চালিত বেস স্টেশন ব্যবহার করার প্রতিশ্রুতি। এই পদক্ষেপটি কেবল কার্বন পদচিহ্নই কমায় না বরং বিদ্যুতের সীমিত সরবারহ অঞ্চলগুলোতে নির্ভরযোগ্য টেলিযোগাযোগ পরিষেবা দেয়। অধিকন্তু, গ্রামীণফোন সক্রিয়ভাবে ইলেকট্রনিক বর্জ্য পুনর্ব্যবহার করে এবং ডিজিটাল সাক্ষরতা কর্মসূচির প্রচারে, বিশেষ করে মহিলাদের জন্য, টেকসইতার সামাজিক দিকটিতে অবদান রাখে। পরিবেশ সচেতনতা বজায় রেখে ডিজিটাল ইকোসিস্টেম তৈরিতে তাদের প্রচেষ্টা গ্রামীণফোনকে বাংলাদেশে টেকসই ব্যবসায়িক চর্চায় সত্যিকারের নেতা হিসেবে গড়ে তুলেছে।</span></p>
<p><b>ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো (বিএটি) বাংলাদেশ</b></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8418" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/11/image-02-15.jpg" alt="ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো (বিএটি) বাংলাদেশের লোগো ও অফিস ভবনের ছবি।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বিএটি বাংলাদেশ হলো ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান। ব্লুমবার্গের টেকসই উন্নয়নের তালিকায় ৩৫.৪ স্কোর নিয়ে এই প্রতিষ্ঠান দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। ঐতিহ্যগতভাবে তামাক উৎপাদনের সাথে যুক্ত থাকাকালীন, বিএটি বাংলাদেশ পরিবেশগত স্টুয়ার্ডশিপ, শক্তি সংরক্ষণ এবং সম্প্রদায়ের উন্নয়নের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে স্থায়িত্বের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে। সংস্থাটি বেশ কিছু সবুজ উদ্যোগ চালু করেছে। যেমন পুনঃবনায়ন প্রকল্প এবং উত্পাদন প্রক্রিয়াতে জলের ব্যবহার হ্রাস করা। বিএটি বাংলাদেশ বায়োএনার্জি উদ্যোগও চালু করেছে। পরিবেশগত প্রচেষ্টার পাশাপাশি, কোম্পানিটি টেকসই কৃষি অনুশীলনের মাধ্যমে কৃষকদের জীবিকা উন্নত করে এমন প্রকল্পতে বিনিয়োগ করছে।</span></p>
<p><b>ম্যারিকো বাংলাদেশ</b></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8417" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/11/image-03-8.jpg" alt="ম্যারিকো বাংলাদেশের লোগো ও কর্পোরেট অফিসের ছবি।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">ব্লুমবার্গের টেকসই তালিকায় ৩৪.৯ স্কোর নিয়ে ম্যারিকো বাংলাদেশ তৃতীয় স্থানে রয়েছে। এটি মূলত ভোগ্যপণ্য (এফএমসিজি) সেক্টরে একটি শীর্ষস্থানীয় কোম্পানি। এটি প্যারাসুট নারকেল তেলের জন্য বেশ পরিচিত। ম্যারিকো পরিবেশ-বান্ধব প্যাকেজিং, শক্তি-দক্ষ উত্পাদন এবং কাঁচামালের দায়িত্বশীল উত্সের মাধ্যমে স্থায়িত্ব গ্রহণ করেছে। সংস্থাটি স্থানীয় কৃষকদের সাথে কাজ করে, জৈব এবং টেকসই কৃষি অনুশীলনকে  উৎসাহিত করে যা কৃষি বাস্তুতন্ত্রের দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্য নিশ্চিত করে। শুধু তাই নয়, ম্যারিকো বাংলাদেশ তার প্যাকেজিংয়ে প্লাস্টিক ব্যবহার কমাতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।</span></p>
<p><b>ব্র্যাক ব্যাংক</b></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8416" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/11/image-04-4.jpg" alt="ব্র্যাক ব্যাংক সম্পর্কিত একটি ছবি, যেখানে ব্যাংকিং সেবার ধারণা তুলে ধরা হয়েছে।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">ব্র্যাক ব্যাংক বাংলাদেশে টেকসই ব্যাংকিং প্রচারে অগ্রগামী। এটি তার আর্থিক ক্রিয়াকলাপগুলিতে পরিবেশগত, সামাজিক এবং শাসনের (ইএসজি) মানদণ্ডকে একীভূত করে, এটি নিশ্চিত করে যাতে এর ব্যবসায়িক কার্যক্রম সমাজ এবং পরিবেশে ইতিবাচকভাবে অবদান রাখে। ব্র্যাক ব্যাংক সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্পের সাথেও জড়িত। যার লক্ষ্য আর্থিক সাক্ষরতা উন্নত করা এবং সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য ঋণের সুবিধা প্রদান। কাগজবিহীন ব্যাংকিং এবং শক্তি-দক্ষ ডেটা সেন্টারের মাধ্যমে কার্বন ফুটপ্রিন্ট কমাতে এই ব্যাংকের প্রচেষ্টাও উল্লেখযোগ্য।</span></p>
<p><b>আইডিএলসি ফাইন্যান্স</b></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8415" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/11/image-05-3.jpg" alt="আইডিএলসি ফাইন্যান্সের সম্পর্কিত একটি ছবি।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">আইডিএলসি ফাইন্যান্স ৩১.১ স্কোর নিয়ে ব্লুমবার্গের স্থায়িত্ব তালিকায় পঞ্চম স্থানে রয়েছে।  কোম্পানিটি শক্তি-দক্ষ প্রকল্প, পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা লক্ষ্য করে সবুজ অর্থায়ন পণ্য চালু করেছে। আইডিএলসি -এর অন্যতম প্রধান উদ্যোগ হল ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগের (এসএমই) অর্থায়নের উপর এর ফোকাস যা টেকসই উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেয়। এটি শুধুমাত্র সামগ্রিক কার্বন পদচিহ্ন কমাতে সাহায্য করে না বরং পরিবেশ-সচেতন ব্যবসার বৃদ্ধিকেও সহায়তা করে। কোম্পানিটি কর্পোরেট গভর্নেন্সের উপরও জোর দেয়।</span></p>
<p><b>স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস</b></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8414" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/11/image-06-2.jpg" alt="স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের সম্পর্কিত একটি ছবি।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি এবং ব্লুমবার্গের টেকসই তালিকায় ২৬ স্কোর নিয়ে ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে। কোম্পানিটি পরিবেশবান্ধব উৎপাদন পদ্ধতি এবং শক্তি-দক্ষ প্রযুক্তি গ্রহণ করে টেকসইতার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ করেছে। স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস তার উৎপাদন প্রক্রিয়ার মধ্যে সৌর শক্তি প্রবর্তন করেছে এবং দক্ষ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থার মাধ্যমে বর্জ্য কমাতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সংস্থাটি জল সংরক্ষণ এবং পুনর্ব্যবহার করার উপরও জোর দেয়। পরিবেশগত প্রচেষ্টার পাশাপাশি, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস সক্রিয়ভাবে সামাজিক কারণগুলোতে অবদান রাখে, বিশেষ করে স্বাস্থ্যসেবা এবং শিক্ষার ক্ষেত্রে।</span></p>
<p><b>ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ</b></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8413" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/11/image-07-1.jpg" alt="ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের সম্পর্কিত একটি ছবি।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ বাংলাদেশের একটি শীর্ষস্থানীয় ইলেকট্রনিক্স প্রস্তুতকারক এবং  ব্লুমবার্গের টেকসই তালিকায় ২৩.৭ স্কোর নিয়ে সপ্তম অবস্থানে রয়েছে। ওয়ালটন শক্তি-দক্ষ উৎপাদন প্রক্রিয়া অন্তর্ভুক্ত করে এবং পরিবেশ-বান্ধব পণ্য বিকাশের মাধ্যমে পরিবেশগত প্রভাব হ্রাসে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে। রেফ্রিজারেটর এবং এয়ার কন্ডিশনার-এর মতো শক্তি-সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি উৎপাদনে কোম্পানির ফোকাস বাংলাদেশের পরিবার জুড়ে শক্তি খরচ কমাতে সাহায্য করে। ওয়ালটন এটাও নিশ্চিত করে যাতে তার উৎপাদন সুবিধাগুলো আন্তর্জাতিক পরিবেশগত মান মেনে চলে ও বর্জ্য নির্গমন কম করে।</span></p>
<p><b>বিএসআরএম</b></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8412" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/11/image-08-1.jpg" alt="বিএসআরএম-এর সম্পর্কিত একটি ছবি।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বাংলাদেশ স্টিল রি-রোলিং মিলস (বিএসআরএম) একটি নেতৃস্থানীয় ইস্পাত প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান যা টেকসইতার উদ্ভাবনী পদ্ধতির জন্য পরিচিত। বিএসআরএম -এর অন্যতম প্রধান কৃতিত্ব হল দস্তা ছাই রপ্তানিতে অগ্রণী প্রচেষ্টা,  এটি এমন একটি উপজাত যা পূর্বে পরিবেশগত বিপদ হিসেবে বিবেচিত  হত। জিঙ্ক অ্যাশের পুনঃপ্রয়োগ করে বিএসআরএম ইস্পাত শিল্পের মধ্যে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পুনর্ব্যবহারে একটি উদাহরণ স্থাপন করেছে। কোম্পানিটি তার উৎপাদন সুবিধাগুলিতে শক্তি-দক্ষ প্রযুক্তি প্রয়োগ করেছে, কার্বন নিঃসরণ কমিয়েছে এবং প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করেছে। বিএসআরএম টেকসই উন্নয়নের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, পরিবেশগত দায়িত্বের সাথে শিল্প বৃদ্ধির ভারসাম্য রক্ষা করে।</span></p>
<p><b>প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ</b></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8411" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/11/image-09-1.jpg" alt="প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের লোগো সহ একটি ছবি।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ বাংলাদেশের খাদ্য ও পানীয় শিল্পের একটি প্রধান প্রতিষ্ঠান। কোম্পানিটি তার কারখানার ভবন এবং অবকাঠামোর নকশায় টেকসই অনুশীলনগুলোকে একীভূত করেছে, যাতে ন্যূনতম পরিবেশগত প্রভাব নিশ্চিত করা যায়। প্রাণ-আরএফএল তার কার্যক্রম জুড়ে জল সংরক্ষণ ব্যবস্থা, শক্তি-দক্ষ উৎপাদন প্রক্রিয়া এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়ন করেছে। কোম্পানিটি দায়িত্বের সাথে কাঁচামাল সোর্সিং এবং কৃষি প্রোগ্রামের মাধ্যমে স্থানীয় সম্প্রদায়কে সমর্থন করার উপরও মনোযোগ দেয়। শক্তি ও পানির ব্যবহার কমিয়ে প্রাণ-আরএফএল তার বৃহৎ আকারের উৎপাদন কার্যক্রমের পরিবেশগত প্রভাব কমাতে সাহায্য করছে।</span></p>
<p><b>এসিআই লিমিটেড</b></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8410" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/11/image-10-1.jpg" alt="এসিআই লিমিটেডের অফিস ভবনের ছবি এবং টেকসই উন্নয়ন।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">অ্যাডভান্সড কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (এসিআই) লিমিটেড বাংলাদেশের সবচেয়ে টেকসই ব্যবসার তালিকার মধ্যে একটি। কোম্পানিটি পরিবেশ বান্ধব কৃষি অনুশীলনের প্রচারে গভীরভাবে জড়িত এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্পের উপর দৃঢ় ফোকাস রয়েছে। এসিআই লিমিটেড জৈব-বান্ধব বিকল্প প্রচারের মাধ্যমে কৃষিতে রাসায়নিক ব্যবহার কমাতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সংস্থাটি অ-নবায়নযোগ্য উৎসের উপর নির্ভরতা কমাতে নবায়নযোগ্য শক্তি, বিশেষত সৌর শক্তিতে বিনিয়োগ করেছে। পরিবেশগত উদ্যোগের পাশাপাশি এসিআই বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়ন কর্মসূচীর সাথে জড়িত, বিশেষ করে স্বাস্থ্যসেবা এবং শিক্ষার ক্ষেত্রে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">টেকসইয়ের দিকে বাংলাদেশের যাত্রার নেতৃত্ব দিচ্ছে কিছু বিশেষ কোম্পানি যারা পরিবেশগত এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার সঙ্গে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ভারসাম্য রক্ষার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। গ্রামীণফোনের পরিবেশ-বান্ধব উদ্যোগ থেকে শুরু করে টেকসই কৃষিতে এসিআই-এর ফোকাস, এই ব্যবসাগুলো দায়িত্বশীল কর্পোরেট আচরণের জন্য একটি নতুন মান স্থাপন করছে। ব্যবসায়িক বিশ্বে টেকসই ধারণা আরও বদ্ধমূল হয়ে উঠলে, আমরা আশা করতে পারি যে এই প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশেকে একটি সবুজ ভবিষ্যতের দিকে নেতৃত্ব দিতে।</span></p>
<p style="text-align: right;"><a href="https://bstandard.info/references00060/" target="_blank" rel="noopener"><b><i>&#8220;তথ্যসূত্র&#8221;</i></b></a></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bstandard.info/top-10-organizations-in-bangladesh-that-influence-sustainable-development/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>শিল্প ও প্রকৃতির মেলবন্ধনের উজ্জল দৃষ্টান্ত কারুপণ্য রংপুর লিমিটেড</title>
		<link>https://bstandard.info/karupannya-rangpur-limited-a-wonderful-amalgamation-of-art-and-nature/</link>
					<comments>https://bstandard.info/karupannya-rangpur-limited-a-wonderful-amalgamation-of-art-and-nature/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজটেক স্ট্যান্ডার্ড]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 05 Nov 2024 08:05:51 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কোম্পানি ফরেনসিকস]]></category>
		<category><![CDATA[ক্লাইমেট চেঞ্জ এন্ড বিসনেস ইমপ্যাক্ট]]></category>
		<category><![CDATA[এনভাইরো-লাইফস্টাইল]]></category>
		<category><![CDATA[স্টার্টআপ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://bstandard.info/?p=4003</guid>

					<description><![CDATA[বায়ু দূষণের দিক থেকে সারাবিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান শীর্ষে। প্রাণের নগরী ঢাকা ধীরে ধীরে বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠেছে। এই বায়ু দূষণ কিংবা পরিবেশে দূষণের জন্য দায়ী কলকারখানার দূষিত বায়ু এবং বর্জ্য পদার্থ। প্রায়ই খবরের কাগজে আমরা কারখানায় অগ্নি সংযোগের কথা, কর্মীদের নিরাপত্তাহীনতার কথা শুনতে পাই। এইদিক থেকে ব্যতিক্রধর্মী এক কারখানার নাম কারুপণ্য রংপুর লিমিটেড। তীব্র তাপদাহে দেশের মানুষের জীবন যখন অতিষ্ঠ, তখন ব্যতিক্রমী এই কারখানার ভেতরের তাপমাত্রা মাত্র ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস! প্রায় আট লাখ বর্গফুটের বিশাল এই কারখানায় রয়েছে সাততলা ভবন। প্রতিটি ফ্লোর ৪০ হাজার বর্গফুটের। দিনে-রাতে দুই শিফটে এখানে কাজ করেন প্রায় পাঁচ হাজার শ্রমিক। এত বড় কারখানার একটি কক্ষে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<table width="100%">
<tbody>
<tr>
<td align="left"><a href="https://bstandard.info/english/karupannya-rangpur-limited-a-wonderful-amalgamation-of-art-and-nature/" type="button" class="btn btn-info btn-md">Read it in English</a></td>
<td align="right"><a href="#" type="button" class="btn btn-link btn-lg">গবেষক এবং প্রতিবেদক: </a><a href="https://bstandard.info/author/shama/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">শামা সুলতানা</a> <a href="https://bstandard.info/author/ayesha/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">আয়েশা আক্তার</a></td>
</tr>
</tbody>
</table>
<p><span style="font-weight: 400;">বায়ু দূষণের দিক থেকে সারাবিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান শীর্ষে। প্রাণের নগরী ঢাকা ধীরে ধীরে বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠেছে। এই বায়ু দূষণ কিংবা পরিবেশে দূষণের জন্য দায়ী কলকারখানার দূষিত বায়ু এবং বর্জ্য পদার্থ। প্রায়ই খবরের কাগজে আমরা কারখানায় অগ্নি সংযোগের কথা, কর্মীদের নিরাপত্তাহীনতার কথা শুনতে পাই। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">এইদিক থেকে ব্যতিক্রধর্মী এক কারখানার নাম কারুপণ্য রংপুর লিমিটেড। তীব্র তাপদাহে দেশের মানুষের জীবন যখন অতিষ্ঠ, তখন ব্যতিক্রমী এই কারখানার ভেতরের তাপমাত্রা মাত্র ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস! প্রায় আট লাখ বর্গফুটের বিশাল এই কারখানায় রয়েছে সাততলা ভবন। প্রতিটি ফ্লোর ৪০ হাজার বর্গফুটের। দিনে-রাতে দুই শিফটে এখানে কাজ করেন প্রায় পাঁচ হাজার শ্রমিক। এত বড় কারখানার একটি কক্ষে এসি রয়েছে। নিশ্চয়ই মনে প্রশ্ন জেগেছে- তাহলে এই কারখানার ভেতরের তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি কিভাবে? এর উত্তর হলো কারখানার বিশেষ ধরনের স্থাপত্যকৌশল। চলুন জেনে নেই কারুপণ্য রংপুর লিমিটেডের আদ্যোপান্ত।</span></p>
<p><b>কারুপণ্যের যাত্রা</b></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8345" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/11/image-01-5.jpg" alt="কারুপণ্য রংপুর লিমিটেডের উৎপাদনের চিত্র, যেখানে বিভিন্ন কারু পণ্য ও শিল্পকর্ম প্রদর্শিত হচ্ছে, যা স্থানীয় হস্তশিল্প এবং সংস্কৃতির প্রতিনিধিত্ব করে।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">কারুপণ্য রংপুর লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা শফিকুল আলম সেলিম। তাঁর জন্ম রংপুরের গুপ্তপাড়ায়। হস্তশিল্পের সাথে তাঁর জীবন জড়িয়ে যাওয়ার ঘটনাটি বেশ অদ্ভুত। রাজনৈতিক কারণে তিনি তিনমাস রংপুর জেলে ছিলেন। সেসময় তিনি হস্তশিল্পের প্রতি আকৃষ্ট হন। তারপর তিনি রংপুর প্রেসক্লাবের বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সংস্থার বন্ধ থাকা হস্তশিল্পের একটি দোকান ভাড়া নেন। সেখানে চালু করেন একখানা শতরঞ্জি বিপণন কেন্দ্র। হারিয়ে যাওয়া এই শতরঞ্জি শিল্পের সঙ্গে জড়িত থাকা ২০ জন কারিগরকে তিনি খুঁজে বের করে প্রশিক্ষণ দিয়ে নতুন কারিগর তৈরি করেন। ১৯৯১ সালে তিনি গড়ে তোলেন কারুপণ্য নামে রংপুরের ঐতিহ্যবাহী শতরঞ্জি বিপণনের দোকানটি।</span> <span style="font-weight: 400;">শতরঞ্জির প্রতি বিদেশি ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে নানান দেশে প্রচারণা চালাতে থাকেন। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">সর্বপ্রথম ২০০২ সালে জাপানে এই পণ্য রপ্তানির সুযোগ পান। ব্যবসার প্রসার করার জন্য রংপুর শহর থেকে চার কিলোমিটার পশ্চিমে নিসবেতগঞ্জ গ্রামে বিসিকের বন্ধ থাকা একটি কারখানা ভাড়া নিয়েই শুরু করেন নিজ কারখানা। ৫০ জন নারী—পুরুষকে নিয়ে তিনি শতরঞ্জি বুনন শুরু করেন। প্রতিষ্ঠানটির নাম দেন কারুপণ্য রংপুর লিমিটেড। শতরঞ্জি দিয়ে যাত্রা শুরু হলেও এখন কারুপণ্যের কারখানায় তৈরি হচ্ছে নানা রকমের হস্তশিল্প পণ্য। বর্তমানে দেশের হস্তশিল্প রপ্তানি বাণিজ্যে শিল্পখাতে ৮০ শতাংশ রপ্তানি করে থাকে কারুপণ্য। সেজন্য প্রতিষ্ঠানটি প্রতি বছরই বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া জাতীয় রপ্তানি ট্রফির স্বর্ণপদক পেয়ে আসছে।</span></p>
<p><b>সবুজের রাজ্য </b></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8344" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/11/image-02-5.jpg" alt="সবুজের রাজ্য চিত্র, যেখানে কারুপণ্য রংপুর লিমিটেডের বিভিন্ন প্রাকৃতিক দৃশ্য এবং পরিবেশবান্ধব পণ্য প্রদর্শিত হচ্ছে, যা টেকসই উন্নয়ন ও সৃজনশীলতার প্রতিনিধিত্ব করে।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">এই কারখানায় কেউ প্রবেশ করলে মনে হবে কোনো সবুজের রাজ্যে চলে এসেছে। গাছগাছালিতে ভরা নান্দনিক এই সবুজ কারখানায় প্রতিনিয়ত ৮০ শতাংশ বিদ্যুৎ সাশ্রয় হচ্ছে। এই গ্রিন ফ্যাক্টরির জন্য বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ স্থাপত্য পুরস্কার রিবা ইন্টারন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সিলেন্স-২০২৪ পেয়েছে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান ‘নকশাবিদ আর্কিটেক্টস। গ্রামবাংলার লোকজ জ্ঞান প্রয়োগে গড়ে তোলা দৃষ্টিনন্দন এই সবুজ কারখানাটির স্থপতি নকশাবিদ আর্কিটেক্টসের প্রধান বায়েজিদ মাহবুব খন্দকার। এ কারখানা যেন সবুজের রাজত্ব। চারদিকে কেবল সবুজের সমারোহ। ইট—পাথরের দালান ছেয়ে আছে নানা প্রজাতির গাছপালা আর ফুল—ফলে। দালান বেয়ে ঝুলছে লতাপাতা। সেবা বিভাগের একতলা ভবনের ছাদেও রয়েছে সবুজের বাগান। এর নাম দেওয়া হয়েছে </span><b>‘নন্দিনী পার্ক’</b><span style="font-weight: 400;">। এখানে রয়েছে গাছের ছায়ায় বসে বিশ্রাম নেওয়ার জন্য কারুকার্যখচিত বেঞ্চ। এই নন্দিনী পার্কে বসে দুপুরের খাবার খান শ্রমিকরা।</span></p>
<p><b>বনলতা ভাস্কর্য এবং জলাধার</b></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8343" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/11/image-03-2.jpg" alt="বনলতা ভাস্কর্য এবং জলাধারের চিত্র, যেখানে কারুপণ্য রংপুর লিমিটেডের শিল্পকর্ম প্রদর্শিত হচ্ছে, যা স্থাপত্য ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মেলবন্ধন ঘটায়।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">পুরো কারখানা চত্বর জুড়ে প্রায় হাজার হাজার ছোট-বড় ভাস্কর্য রয়েছে। ক্ষুদ্রাকৃতির মহিলা ভাস্কর্যগুলি সিঁড়ি এবং অভ্যন্তরীণ দেয়ালগুলিকে সজ্জিত করেছে। কম্পাউন্ডে প্রবেশ করার সময় সাইটের সামনের অংশের উঠোনে টেপাপুতুল আকৃতির </span><b>&#8220;বনলতা&#8221;</b><span style="font-weight: 400;"> নামে একটি চমৎকার ভাস্কর্য রয়েছে। ভাস্কর্যটি মূলত নারীর ক্ষমতায়নের শক্তির প্রতীক। কারণ, এই কারখানার ৫০০০ কর্মচারীর আশি শতাংশই নারী।</span> <span style="font-weight: 400;">আর তাই নারীর এই ক্ষমতায়নকে ফুটিয়ে তোলার জন্য তৈরি করা হয়েছে বনলতা ভাস্কর্য।  </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">কারখানার পরিবেশ সবসময় শীতল রাখার জন্য নির্মাণ করা হয়েছে জলাধার। নিচতলায় লবিতে পুকুরের মতো বড় বড় চারটি জলাধার রয়েছে। ১৫ হাজার বর্গফুট ব্যাসার্ধের এ জলাধারগুলো একসঙ্গে ধারণ করতে পারে ৫ লাখ লিটার পানি। আয়রনমুক্ত এই পানি কারখানায় শতরঞ্জি ডাইংয়ের কাজে ব্যবহৃত হয়ে এই জলাধারে আসে। সবুজ গাছপালা আর এই পানির ওপর দিয়ে উড়ে আসা বাতাস ৩৭ ফুট ব্যাসার্ধের চারটি চক্রাকার শূন্য স্তম্ভের মধ্য দিয়ে প্রবেশ করে কারখানার ভেতরে। তারপর বিভিন্ন তলায় উঠে যায়। ফলে এসি বা ফ্যান ছাড়াই কারখানার বাইরের চেয়ে ভেতরের তাপমাত্রা ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমে যায়।</span></p>
<p><b>কারুপণ্যের বিশেষত্ব</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">কারুপণ্য কারখানাটি অন্য যেকোনো কারখানা থেকে বেশ আলাদা ধরনের। চারদিকে সবুজের সমরোহ এই কারখানাকে করে তুলেছে সবার থেকে আলাদা। অন্য কারখানার মতো কারুপণ্যের এই কারখানায় কালো ধোয়া, নোংরা দুর্গন্ধময় পানি কিংবা রাসায়নিক বর্জ্য পদার্থ নির্গমন হয় না। এই কারখানায় ব্যবহার করা হয় প্রাকৃতিক ও নবায়নকৃত কাঁচামাল। যেমন- স্পিনিং মিলের তুলার বর্জ্য থেকে তৈরি সুতা, গার্মেন্টস ফ্যাক্টরির ঝুট কাপড়, পাটের অঁশ, কাশ-খড়, হোগলাপাতা, ধানের খড়, কচুরিপানা, কলাগাছের বাকল, ভুট্টার খোসা, নারকেলের ছোবড়া ইত্যাদি। কারখানার চারদিকে সবুজের সমরোহের পাশাপাশি কর্মীদের জন্য রয়েছে নানা সুবিধা। দুপুর ও রাতের খাবারের ব্যবস্থা, চিকিৎসা সুবিধা, কর্মীদের শিশুদের দেখাশোনার জন্য ডে কেয়ার, ইমার্জেন্সি আগুন নেভানোর ব্যবস্থা, নিত্যপ্রয়োজনীয় বাজার থেকে শুরু করে আরো নানা ধরনের সুবিধা।</span></p>
<p><b>বিশেষজ্ঞদের অভিমত</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">পরিবেশ সংগঠকরা এই গ্রিন ফ্যাক্টরি নিয়ে বেশ আশাবাদী। তারা মনে করেন এই কারখানা দেখে আরো অনেকে উদ্বুদ্ধ হবে।</span> <span style="font-weight: 400;">বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) রংপুর জেলা সদস্য সচিব রশিদুস সুলতান বাবলু এর মতে, ‘দুষণমুক্ত পরিবেশ ও তাপমাত্রা ভারসাম্য রক্ষায় কারুপণ্যের কারখানাটি একটি অনন্য স্থাপনা। এই কারখানাটির সবুজায়ন বাইরের অতিরিক্ত তাপমাত্রা শোষণ করে পরিবেশকে যেমন নির্মল রাখছে তেমনি বেঁচে থাকার মূল উপাদান অক্সিজেন নির্গমনও করছে’।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">প্রতিনিয়ত খবরের কাগজে কারখানায় অগ্নি সংযোগের ঘটনা, শ্রমিকদের নিরাপত্তাহীনতার কথা, বায়ু দূষণে বাংলাদেশের অবস্থান শীর্ষে যাওয়া কিংবা তীব্র তাপদাহে জনজীবন অতিষ্ঠ হওয়া এতো এতো খারাপ সংবাদের মাঝে কারুপণ্য রংপুর লিমিটেড আমাদের নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শেখায়। এই গ্রিন ফ্যাক্টরি থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে সবুজের সমরোহ ছড়িয়ে যাবে রংপুর থেকে ঢাকা সারাদেশে, এই প্রত্যাশা এখন সকলের।  </span></p>
<p style="text-align: right;"><a href="https://bstandard.info/references00049/" target="_blank" rel="noopener"><b><i>&#8220;তথ্যসূত্র&#8221;</i></b></a></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bstandard.info/karupannya-rangpur-limited-a-wonderful-amalgamation-of-art-and-nature/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
