<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>এন্ট্রেপ্রেনিউরশিপ &#8211; BizTech Standard</title>
	<atom:link href="https://bstandard.info/category/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%9c-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%82/%e0%a6%8f%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%89%e0%a6%b0%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%aa/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://bstandard.info</link>
	<description>Inspiring Tech Needs for Business</description>
	<lastBuildDate>Wed, 01 Apr 2026 11:29:00 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>

<image>
	<url>https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/10/cropped-BIZTECH-icon-32x32.png</url>
	<title>এন্ট্রেপ্রেনিউরশিপ &#8211; BizTech Standard</title>
	<link>https://bstandard.info</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>বিবিসি ২০২৪ সালের প্রভাবশালী ১০০ নারীর তালিকায় বাংলাদেশের রিক্তা আক্তার বানু</title>
		<link>https://bstandard.info/bangladeshs-rikta-akter-banu-named-in-bbcs-100-most-influential-women-of-2024/</link>
					<comments>https://bstandard.info/bangladeshs-rikta-akter-banu-named-in-bbcs-100-most-influential-women-of-2024/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজটেক স্ট্যান্ডার্ড]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 16 Mar 2025 05:11:53 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[এন্ট্রেপ্রেনিউরশিপ]]></category>
		<category><![CDATA[বিজ-মার্কেটিং]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://bstandard.info/?p=6995</guid>

					<description><![CDATA[২০১৩ সাল থেকে প্রতিবছর বিশ্বজুড়ে ১০০ প্রভাবশালী ও অনুপ্রেরণাময় নারীর নাম প্রকাশ করে থাকে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি। বিবিসির ২০২৪ সালের প্রভাবশালী ১০০ নারীর তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন বাংলাদেশের রিক্তা আক্তার বানু। চলুন আজকে তাঁর এই সফলতার যাত্রা সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেই। বিবিসি ১০০ নারী, ২০২৪ প্রকাশ করা হয় গত ৩রা ডিসেম্বর। পাঁচটি বিভাগে তারা সারাবিশ্বের ১০০ নারীর নাম প্রকাশ করেন। এর মধ্যে একমাত্র বাংলাদেশী হিসেবে বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও প্রযুক্তি বিভাগে স্থান করে নিয়েছেন রিক্তা আক্তার বানু। পেশায় নার্স রিক্তা আক্তার বানু বহু প্রতিকূলতার মোকাবেলা করে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য স্কুল প্রতিষ্ঠা করে এই তালিকায় জায়গা করে নেন। &#160; শুরুর যাত্রা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<table width="100%">
<tbody>
<tr>
<td align="left"><a href="https://bstandard.info/english/bangladeshs-rikta-akter-banu-named-in-bbcs-100-most-influential-women-of-2024/" type="button" class="btn btn-info btn-md">Read it in English</a></td>
<td align="right"><a href="#" type="button" class="btn btn-link btn-lg">গবেষক এবং প্রতিবেদক: </a><a href="https://bstandard.info/author/fuad/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">তানজিল ফুয়াদ</a> <span style="font-weight: 400;"><a href="https://bstandard.info/author/ayesha/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">আয়েশা আক্তার</a></span></td>
</tr>
</tbody>
</table>
<p><span style="font-weight: 400;">২০১৩ সাল থেকে প্রতিবছর বিশ্বজুড়ে ১০০ প্রভাবশালী ও অনুপ্রেরণাময় নারীর নাম প্রকাশ করে থাকে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি। বিবিসির ২০২৪ সালের প্রভাবশালী ১০০ নারীর তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন বাংলাদেশের রিক্তা আক্তার বানু। চলুন আজকে তাঁর এই সফলতার যাত্রা সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেই।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বিবিসি ১০০ নারী, ২০২৪ প্রকাশ করা হয় গত ৩রা ডিসেম্বর। পাঁচটি বিভাগে তারা সারাবিশ্বের ১০০ নারীর নাম প্রকাশ করেন। এর মধ্যে একমাত্র বাংলাদেশী হিসেবে </span><span style="font-weight: 400;">বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও প্রযুক্তি বিভাগে স্থান করে নিয়েছেন রিক্তা আক্তার বানু। পেশায় নার্স রিক্তা আক্তার বানু বহু প্রতিকূলতার মোকাবেলা করে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য স্কুল প্রতিষ্ঠা করে এই তালিকায় জায়গা করে নেন।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img fetchpriority="high" decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8147" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2025/03/image-01-13.jpg" alt="প্রভাবশালী ১০০ নারী তালিকা প্রকাশ করে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি, যেখানে বিশ্বজুড়ে অনুপ্রেরণাময় নারীদের নাম স্থান পায়।" width="1024" height="576" /></p>
<p><b>শুরুর যাত্রা</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের একটি প্রত্যন্ত অঞ্চলে বাস করেন রিক্তা আক্তার বানু। তিনি পেশায় একজন নার্স। কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জেষ্ঠ্য নার্স তিনি। ১৯৯৯ সালে তার কোলজুড়ে আসে কন্যা তানভীন দৃষ্টিমনি (ব্রহ্মপুত্র)।  রিক্তা বানু যে অঞ্চলে বাস করেন, সেখানে অটিস্টিক শিশু কিংবা প্রতিবন্ধী শিশুকে অভিশাপ হিসেবে দেখা হয়।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">নিজের অটিস্টিক ও সেরিব্রাল পালসি আক্রান্ত কন্যাকে লেখাপড়ার জন্য ২০০৭ সালে বিদ্যালয়ে পাঠান। কিন্তু মাত্র তিন বছরের মধ্যে স্কুল কর্তৃপক্ষ তিনবার তাকে তাড়িয়ে দেয়। এরপর রিক্তা বানু আবার চেষ্টা করেন তানভীনকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি করতে, কিন্তু বহু অনুরোধ সত্ত্বেও, কয়েকদিনের মধ্যেই শিক্ষকরা তাকে আর পড়াতে চাননি।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বারবার স্কুলে ভর্তি করানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হওয়ার যন্ত্রণা থেকেই তিনি নিজের জমি বিক্রি করে ২০০৯ সালে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। সেই স্কুলের নাম দেন ‘রিক্তা আক্তার বানু লার্নিং ডিজেবিলিটি স্কুল’। বর্তমানে সেখানে প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থী ভর্তি রয়েছে। স্কুলটি প্রাথমিকভাবে অটিস্টিক কিংবা শেখার প্রতিবন্ধকতা থাকা শিশুদের জন্য নির্মিত হলেও বর্তমানে এই স্কুল বিভিন্ন ধরনের বুদ্ধিমত্তা ও শারীরিক প্রতিবন্ধী শিশুদেরও লেখাপড়া করার ব্যবস্থা করেছে।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8146" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2025/03/image-02-13.jpg" alt="প্রভাবশালী ১০০ নারী তালিকাভুক্ত তিনি, যিনি ২০০৯ সালে নিজের জমি বিক্রি করে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন।" width="1024" height="576" /></p>
<p><b>শেষ কথা</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বহু প্রতিকূলতার মোকাবেলা করে রিক্তা আক্তার বানুর তৈরি করা এই স্কুল অটিস্টিক এবং প্রতিবন্ধী শিশুদের প্রতি সমাজের বিরুপ মনোভাব পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তিনি শুধু একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেননি, বরং প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে অবদান রেখেছেন। তাঁর মতো সংগ্রামী নারীরা আমাদের সমাজ পরিবর্তনে কাজ করে যাচ্ছেন।</span></p>
<p style="text-align: right;"><a href="https://bstandard.info/references00184/" target="_blank" rel="noopener"><em><strong>&#8220;তথ্যসূত্র&#8221;</strong></em></a></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bstandard.info/bangladeshs-rikta-akter-banu-named-in-bbcs-100-most-influential-women-of-2024/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>জলবায়ু সংকটে বিবিসি ১০০ নারীর তালিকায় প্রশংসিত যে ১১ জন</title>
		<link>https://bstandard.info/11-women-honored-in-bbcs-100-women-list-for-impact-on-the-climate-crisis/</link>
					<comments>https://bstandard.info/11-women-honored-in-bbcs-100-women-list-for-impact-on-the-climate-crisis/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজটেক স্ট্যান্ডার্ড]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 08 Mar 2025 06:32:01 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[এন্ট্রেপ্রেনিউরশিপ]]></category>
		<category><![CDATA[বিজ-মার্কেটিং]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://bstandard.info/?p=6858</guid>

					<description><![CDATA[আমরা প্রায়ই ‘বিশ্বব্যাপী শীর্ষ প্রভাবশালী নারী’ এমন শব্দ শুনে থাকি। কিন্তু আমরা কি জানি কারা এই তালিকা প্রকাশ করেন এবং কিভাবে তারা এই প্রভাবশালীর মানদণ্ড নির্ণয় করেন? প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে ১০০ জন প্রভাবশালী এবং অনুপ্রেরণাদায়ী নারীর নাম প্রকাশ করে থাকেন ‘বিবিসি ১০০ নারী’ নামক সিরিজ। ২০১৩ সাল থেকে তারা এই সিরিজ চালু করেছেন। পাঁচটি বিভাগে ১০০ জন নারীকে বেছে নিয়ে প্রকাশ করা হয়েছে বিবিসি ১০০ নারী, ২০২৪ -এর তালিকা। আজকের আর্টিকেলে আমরা এমন ১১ জন নারী সম্পর্কে আলোচনা করবো যারা জলবায়ু নিয়ে কাজ করে বিবিসির প্রকাশিত তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন। চলুন সংক্ষেপে তাদের অবদান সম্পর্কে জেনে নেই। ১. সাশা লুকিওনি, [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<table width="100%">
<tbody>
<tr>
<td align="left"><a href="https://bstandard.info/english/11-women-honored-in-bbcs-100-women-list-for-impact-on-the-climate-crisis/" type="button" class="btn btn-info btn-md">Read it in English</a></td>
<td align="right"><a href="#" type="button" class="btn btn-link btn-lg">গবেষক এবং প্রতিবেদক: </a><span style="font-weight: 400;"><a href="https://bstandard.info/author/shama/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">শামা সুলতানা</a></span> <span style="font-weight: 400;"><a href="https://bstandard.info/author/ayesha/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">আয়েশা আক্তার</a></span></td>
</tr>
</tbody>
</table>
<p><span style="font-weight: 400;">আমরা প্রায়ই ‘বিশ্বব্যাপী শীর্ষ প্রভাবশালী নারী’ এমন শব্দ শুনে থাকি। কিন্তু আমরা কি জানি কারা এই তালিকা প্রকাশ করেন এবং কিভাবে তারা এই প্রভাবশালীর মানদণ্ড নির্ণয় করেন? প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে ১০০ জন প্রভাবশালী এবং অনুপ্রেরণাদায়ী নারীর নাম প্রকাশ করে থাকেন ‘বিবিসি ১০০ নারী’ নামক সিরিজ। ২০১৩ সাল থেকে তারা এই সিরিজ চালু করেছেন। পাঁচটি বিভাগে ১০০ জন নারীকে বেছে নিয়ে প্রকাশ করা হয়েছে বিবিসি ১০০ নারী, ২০২৪ -এর তালিকা। আজকের আর্টিকেলে আমরা এমন ১১ জন নারী সম্পর্কে আলোচনা করবো যারা জলবায়ু নিয়ে কাজ করে বিবিসির প্রকাশিত তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন। চলুন সংক্ষেপে তাদের অবদান সম্পর্কে জেনে নেই।</span></p>
<p><b>১. সাশা লুকিওনি, কানাডা </b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">-কম্পিউটার বিজ্ঞানী</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">ডিজিটাল এই যুগে আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্সের (এআই) কল্যাণে যে দ্রুতবেগের পরিবর্তন ঘটছে, তার ফলে অনেক সময়ই কার্বন ফুটপ্রিন্টের বিষয়টি লোকচক্ষুর আড়ালে রয়ে যায়। সাশা লুকিওনি এমন একটি প্রযুক্তি তৈরি করেছেন যার সাহায্যে ডেভেলপাররা তাদের কার্বন নি:সরণের পরিমাণ পরিমাপ করতে পারবেন। এরই মধ্যে এই প্রযুক্তিটি ১৩ লক্ষবারেরও বেশি ডাউনলোড করা হয়েছে। তিনি মূলত ওপেন সোর্স এআই মডেল নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠান &#8216;হাগিন্স ফেস&#8217; এর জলবায়ু বিষয়ক প্রধান। বর্তমানে  তিনি একটি &#8216;এনার্জি স্টার রেটিং সিস্টেম&#8217; তৈরি করার চেষ্টা করছেন যা জলবায়ুতে এআই স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠানগুেলোর প্রভাব পরিমাপ করতে সাহায্য করবে।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8111" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2025/03/image-01-7.jpg" alt="সাশা লুকিওনি, কানাডা - কম্পিউটার বিজ্ঞানী, নারীর তালিকায় প্রশংসিত যে ১১ জনের একজন।" width="1024" height="576" /></p>
<p><b>২. রোজমারি উইডলার-ওয়াল্টি, সুইজারল্যান্ড</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">-শিক্ষক এবং জলবায়ু কর্মী</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;"> ইউরোপীয় মানবাধিকার আদালতে প্রথম জলবায়ু মামলায় জয়ী হন রোজমারি উইডলার-ওয়াল্টি। তিনি মূলত ‘ক্লাইমাসিনিয়রিনেন&#8217; বা &#8216;সিনিয়র উইমেন ফর ক্লাইমেট প্রোটেকশন&#8217;-এর সহ-সভাপতি হিসেবে সুইস সরকারের বিরুদ্ধে নয় বছরের আইনি লড়াইয়ের নেতৃত্ব দেন। শুধু তাই নয়, তিনি অন্যান্য দুই হাজার নারীর সঙ্গে মিলে যুক্তি দেন যে, জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে সম্পর্কিত তাপপ্রবাহ মোকাবেলায় সুইস সরকারের অবস্থান তাদের স্বাস্থ্য অধিকারের ক্ষতি করেছে, এবং তাদের বয়স ও লিঙ্গ তাদের অনেক বেশি ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে। গত এপ্রিল মাসে দেশটির আদালত ঘোষণা করে যে সুইস সরকারের নির্গমন হ্রাসের লক্ষ্য অর্জনের প্রচেষ্টা ছিল অপ্রতুল। যদিও সুইস সংসদ এই রায় প্রত্যাখ্যান করেছেন, তবে এই মামলা জলবায়ু সংক্রান্ত আইনি পদক্ষেপের জন্য একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8110" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2025/03/image-02-7.jpg" alt="রোজমারি উইডলার-ওয়াল্টি, সুইজারল্যান্ড - শিক্ষক এবং জলবায়ু কর্মী, নারীর তালিকায় প্রশংসিত যে ১১ জনের একজন।" width="1024" height="576" /></p>
<p><b>৩. ইনা মোজা, মালি</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">-শিল্পী এবং জলবায়ু কর্মী</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">ইনা মোজা, একজন জলবায়ু বিষয়ক আইনজীবী, সঙ্গীতশিল্পী এবং চলচ্চিত্র নির্মাতানারী, যিনি নারী যৌনাঙ্গ বিকৃতি প্রতিরোধ থেকে শুরু করে টেকসই উন্নয়ন প্রচারের কাজ করেছেন এবং বহু ধরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছেন। &#8216;দ্য গ্রেট গ্রিন ওয়াল&#8217; ডকুমেন্টারিতে তিনি একইসাথে প্রযোজনা ও অভিনয় করেছেন। এই ডকুমেন্টারিটি আফ্রিকার মরুভূমি বেড়ে যাওয়া রোধ এবং সাহেল অঞ্চলের নষ্ট হতে থাকা ভূমি পুনরুদ্ধারের উচ্চাভিলাষী প্রচেষ্টাকে নিয়ে করা হয়েছে। সাহেল অঞ্চল সাহারা মরুভূমির দক্ষিণে অবস্থিত। তিনি জাতিসংঘের কনভেনশন টু কমব্যাট ডেজার্টিফিকেশন-এর শুভেচ্ছাদূত হিসেবে জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত সম্প্রদায়ের কণ্ঠস্বরকে তুলে ধরেন।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8109" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2025/03/image-03-7.jpg" alt="ইনা মোজা, মালি - শিল্পী এবং জলবায়ু কর্মী, নারীর তালিকায় প্রশংসিত যে ১১ জনের একজন।" width="1024" height="576" /></p>
<p><b>৪. সিলসিলা আচার্য, নেপাল</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">-টেকসই পরিবেশ উদ্যোক্তা</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">সিলসিলা আচার্য নেপালের বৃহত্তম প্লাস্টিক রিসাইক্লিং নেটওয়ার্কগুলোর একটি &#8216;আভনি ভেঞ্চারস&#8217; পরিচালনা করেন। তিনি তার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবসায় প্রান্তিক  সম্প্রদায় থেকে বিশেষ করে নারীদের নিয়োগ করেন যাতে তারা সবুজ খাতে আরো বেশি অংশগ্রহণ করে। ‘না ধন্যবাদ, আমি আমার নিজের ব্যাগ বহন করি’- ২০১৪ সালের এমন প্রচারণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন তিনি যা প্লাস্টিক শপিং ব্যাগ নিষিদ্ধে ভূমিকা রেখেছিল। এছাড়াও তিনি একটি বার্ষিক হিমালয় পরিচ্ছন্নতা অভিযানের কাজ করেন, যেখানে পর্বতারোহীদের ফেলে যাওয়া আবর্জনা পরিষ্কার করা হয়।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8108" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2025/03/image-04-3.jpg" alt="সিলসিলা আচার্য, নেপাল - টেকসই পরিবেশ উদ্যোক্তা, নারীর তালিকায় প্রশংসিত যে ১১ জনের একজন।" width="1024" height="576" /></p>
<p><b>৫. মাহেদার হাইলেসেলাসি, ইথিওপিয়া</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">-ফটোগ্রাফার</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">ইথিওপিয়ান ফটোগ্রাফার মাহেদার হাইলেসেলাসি মূলত শুকিয়ে যাওয়া নদী এবং ধ্বংস হওয়া শস্যক্ষেত্র নিয়ে কাজ করেন। তিনি তাঁর ফটোগ্রাফিতে তুলে ধরেছেন কীভাবে মারাত্মক খরা, পরিবারগুলোকে তাদের কন্যাশিশুদের বাল্যবিবাহ দিতে  বাধ্য করছে। এই কাজের জন্য ২০২৩ সালে তিনি কনটেম্পোরারি আফ্রিকান ফটোগ্রাফি পুরস্কার জিতেছেন। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, জলবায়ু সংকটের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী বাল্যবিবাহের ঝুঁকিতে থাকা মেয়েদের সংখ্যা প্রায় এক-তৃতীয়াংশ বৃদ্ধি পাবে।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8107" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2025/03/image-05.jpg" alt="মাহেদার হাইলেসেলাসি, ইথিওপিয়া - ফটোগ্রাফার, নারীর তালিকায় প্রশংসিত যে ১১ জনের একজন।" width="1024" height="576" /></p>
<p><b>৬. রোসা ভাসকেজ এসপিনোজা, পেরু</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">-রাসায়নিক জীববিজ্ঞানী</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">জীববিজ্ঞানী রোসা ভাসকেজ এসপিনোজা তার দাদীর ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসার জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে পেরুর আমাজন রেইনফরেস্টের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় কাজ করছেন। শুধু তাই নয়, তিনি জঙ্গলের অপরিচিত জীববৈচিত্র্য খুঁজতে আমাজন রিসার্চ ইন্টারন্যাশনাল প্রতিষ্ঠা করেছেন এবং আদিবাসী সম্প্রদায়ের সঙ্গে কাজ করছেন। তিনি আমাজনের বিখ্যাত &#8216;বয়লিং রিভার&#8217; বা ফুটন্ত নদীতে নতুন ব্যাকটেরিয়া আবিষ্কার করেছেন। তিনি দক্ষিণ আমেরিকার অন্যতম বৃহত্তম আদিবাসী গোষ্ঠী আষানিংকা জনগণের আন্তর্জাতিক দূত হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8106" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2025/03/image-06.jpg" alt="রোসা ভাসকেজ এসপিনোজা, পেরু - রাসায়নিক জীববিজ্ঞানী, নারীর তালিকায় প্রশংসিত যে ১১ জনের একজন।" width="1024" height="576" /></p>
<p><b>৭. ব্রিজিট ব্যাপটিস্টে , কলম্বিয়া</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">-ইকোলজিস্ট</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">ট্রান্সউইম্যান জীববিজ্ঞানী ব্রিজিট ব্যাপটিস্টে একটি ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি থেকে প্রকৃতি এবং প্রজাতি বিশ্লেষণ করেন, যাতে &#8216;প্রকৃতি&#8217; ধারণাটিকে সম্প্রসারিত করা যায় এবং বাস্তুতন্ত্রকে আরো ভালোভাবে রক্ষা করা যায়। ২০১৮ সালের ‘টেডএক্স’ আলোচনায় তিনি কলম্বিয়ার জাতীয় গাছ &#8216;কুইন্দিও মোম পামে&#8217;র উদাহরণ দিয়েছিলেন। এ গাছটি জীবনের বিভিন্ন সময়ে পুরুষ থেকে নারী লিঙ্গ পরিবর্তন করতে পরিচিত। বর্তমানে তিনি  বোগোটার ইউনিভার্সিদাদ ইএএন-এ সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। এটি মূলত টেকসই উদ্যোগে জোর দেয়া একটি উচ্চ শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8105" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2025/03/image-07.jpg" alt="ব্রিজিট ব্যাপটিস্টে, কলম্বিয়া - ইকোলজিস্ট, নারীর তালিকায় প্রশংসিত যে ১১ জনের একজন।" width="1024" height="576" /></p>
<p><b>৮. নেজলা ইশিক, তুরস্ক</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">-গ্রামপ্রধান এবং বন রক্ষাকর্মী</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">তুরস্কের পশ্চিমাঞ্চলের ইকিজকয় এলাকার নবনির্বাচিত প্রধান এবং কৃষক নেজলা ইশিক বিগত পাঁচ বছর ধরে বনাঞ্চল ধ্বংসের বিরুদ্ধে সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন। যখন কয়লাখনির প্রস্তাবের কারণে আকবেলেন জঙ্গল হুমকির মুখে পড়ে, তখন ইশিক এবং স্থানীয় নারীরা জমি পরিষ্কারের জন্য কাঠ কাটার কাজ বন্ধ করতে মামলা এবং বিক্ষোভের মাধ্যমে লড়াই করেন। বন রক্ষার জন্য তিনি হুমকির সম্মুখীন হলেও লড়াই চালিয়ে যান। তিনি বলেছেন- “বাড়িতে, মাঠে, রাস্তায়, কিংবা সংগ্রামে—নারীরাই বিশ্বকে সুন্দর করে তুলছেন, এবং নিশ্চিতভাবেই তারা এটিকে রক্ষা করবেন”।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8104" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2025/03/image-08.jpg" alt="নেইজলা ইশিক, তুরস্ক - গ্রামপ্রধান এবং বন রক্ষাকর্মী, নারীর তালিকায় প্রশংসিত যে ১১ জনের একজন।" width="1024" height="576" /></p>
<p><b>৯. এনাস আল-গুল, ফিলিস্তিন</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">-কৃষি প্রকৌশলী</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">ফিলিস্তিনের গাজায় যখন যুদ্ধের কারণে তীব্র পানির সংকট দেখা দেয়, তখন এনাস আল-গুল এর সমাধান খুঁজে বের করতে সচেষ্ট হন। তিনি কাঠ, কাচ ও ত্রিপলসহ পুনর্ব্যবহৃত নানা উপকরণ দিয়ে একটি সৌরশক্তি চালিত লবণাক্ত পানি শোধন যন্ত্র তৈরি করেন। যাতে এই যন্ত্র ব্যবহার করে সমুদ্রের পানিকে পানযোগ্য করা সম্ভব হয়। এই যন্ত্রটি গাজা উপত্যকার দক্ষিণে খান ইউনিস অঞ্চলের তাঁবুতে বসবাসরত বহু মানুষের জন্য জীবনরক্ষা কবচ হয়ে উঠেছে। তিনি বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের সাহায্য করতে সৌরশক্তি চালিত কুকারও তৈরি করেছেন।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8103" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2025/03/image-09.jpg" alt="এনাস আল-গুল, ফিলিস্তিন - কৃষি প্রকৌশলী, নারীর তালিকায় প্রশংসিত যে ১১ জনের একজন।" width="1024" height="576" /></p>
<p><b>১০. নাওমি চান্ডা, জাম্বিয়া</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">-কৃষক এবং প্রশিক্ষক</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">নাওমি চান্ডা পেশায় একটি প্রশিক্ষণ খামারের কৃষি গাইড। তিনি সাধারণত ‘জলবায়ু-স্মার্ট’ দক্ষতার ওপর জোর দেন। যেমন- কম পানি ব্যবহারকারী ড্রিপ সেচ, অথবা স্বল্প-সময়ের ফসল চাষ। তিনি নারীদের জলবায়ু পরিবর্তনের সমাধানের কেন্দ্র মনে করেন। মেয়েদের শিক্ষা নিয়ে কাজ করা এনজিও ‘ক্যামফেড’-এর সঙ্গে তিনি প্রায় ১৫০ তরুণীকে কৃষি প্রযুক্তি মানিয়ে নেওয়া এবং তা জলবায়ু সংকটের মুখে টিকে থাকার উপযোগী করে তোলার প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকেন।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8102" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2025/03/image-10.jpg" alt="নাওমি চান্ডা, জাম্বিয়া - কৃষক এবং প্রশিক্ষক, নারীর তালিকায় প্রশংসিত যে ১১ জনের একজন।" width="1024" height="576" /></p>
<p><b>১১. আডেনিকে টিটিলোপে ওলাদোসু, নাইজেরিয়া</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">-জলবায়ু আইনজীবী</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">নাইজেরিয়ান জলবায়ু আইনজীবী আডেনিকে টিটিলোপে ওলাদোসু &#8216;আই লিড ক্লাইমেট অ্যাকশন&#8217; এর প্রতিষ্ঠাতা। এই প্রতিষ্ঠান নারী এবং তরুণদের জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য একটি তৃণমূল পর্যায়ের উদ্যোগ। তিনি তার কাজের মাধ্যমে পরিবেশগত এবং সামাজিক উভয় সমস্যার সমাধান করেন, বিশেষত যা আফ্রিকান নারীদের প্রভাবিত করে। তিনি খাদ্য নিরাপত্তা ঝুঁকিতে থাকা অঞ্চলে টেকসই কৃষিতে নারীদের দক্ষ করে গড়ে তোলার জন্য কাজ করেন।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বিবিসি প্রভাবশালী ১০০ নারী প্রতিবেদনে স্থান করে নেওয়া এগারো জন জলবায়ু কর্মীই অসামান্য অবদান রেখেছেন। তাঁরা তাদের অদম্য সাহস, নিরলস পরিশ্রম এবং প্রচেষ্টার মাধ্যমে জলবায়ু সংকট নিরসনে কাজ করে যাচ্ছেন। এই নারীরা আমাদের অনুপ্রেরণার উৎস, আমাদের সম্ভাবনাময় ভবিষ্যত।</span></p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8101" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2025/03/image-11.jpg" alt="আডেনিকে টিটিলোপে ওলাদোসু, নাইজেরিয়া - জলবায়ু আইনজীবী, নারীর তালিকায় প্রশংসিত যে ১১ জনের একজন।" width="1024" height="576" /></p>
<p>&nbsp;</p>
<p style="text-align: right;"><a href="https://bstandard.info/references00178/" target="_blank" rel="noopener"><em><strong>&#8220;তথ্যসূত্র&#8221;</strong></em></a></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bstandard.info/11-women-honored-in-bbcs-100-women-list-for-impact-on-the-climate-crisis/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>২০২৫ শেষ হওয়ার আগেই শুরু করুন ৫টি সেরা অনলাইন ব্যবসা</title>
		<link>https://bstandard.info/top-5-online-businesses-to-launch-before-the-end-of-2025/</link>
					<comments>https://bstandard.info/top-5-online-businesses-to-launch-before-the-end-of-2025/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজটেক স্ট্যান্ডার্ড]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 22 Feb 2025 04:37:47 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[এন্ট্রেপ্রেনিউরশিপ]]></category>
		<category><![CDATA[বিজ-মার্কেটিং]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://bstandard.info/?p=6356</guid>

					<description><![CDATA[নতুন বছর আসলেই আমরা সকলে কোনো না কোনো রেজোলিউশন করে থাকি। বেশিরভাগ সময়েই আমরা সেসব পূরণ করতে পারি না। আচ্ছা, কেমন হয় যদি আমরা ২০২৫ শেষ হওয়ার আগেই অনলাইনে ছোটোখাটো ব্যবসা শুরু করি? শুনে নিশ্চয়ই অবাক হচ্ছেন। ভাবছেন, আমার তো পুঁজি বা মূলধন নেই। তাহলে আমি কিভাবে ব্যবসা করবো? এর উত্তর হলো আজকে আমরা এমন কিছু অনলাইন ব্যবসা নিয়ে আলোচনা করবো, যেগুলো শুরু করতে আপনার বড় কোনো মূলধন বা পুঁজির প্রয়োজন পড়বে না। অনেক ব্যবসা আপনি মূলধন ছাড়াই করতে পারবেন। আপনার প্রয়োজন হবে স্কিলের এবং ধৈর্য্যের। চলুন আমরা এমন ৫টি অনলাইন ব্যবসা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করি যার মাধ্যমে আমরা স্বল্প [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<table width="100%">
<tbody>
<tr>
<td align="left"><a href="https://bstandard.info/english/top-5-online-businesses-to-launch-before-the-end-of-2025/" type="button" class="btn btn-info btn-md">Read it in English</a></td>
<td align="right"><a href="#" type="button" class="btn btn-link btn-lg">গবেষক এবং প্রতিবেদক: </a><span style="font-weight: 400;"><a href="https://bstandard.info/author/shama/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">শামা সুলতানা</a></span> <span style="font-weight: 400;"><a href="https://bstandard.info/author/ayesha/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">আয়েশা আক্তার</a></span></td>
</tr>
</tbody>
</table>
<p><span style="font-weight: 400;">নতুন বছর আসলেই আমরা সকলে কোনো না কোনো রেজোলিউশন করে থাকি। বেশিরভাগ সময়েই আমরা সেসব পূরণ করতে পারি না। আচ্ছা, কেমন হয় যদি আমরা ২০২৫ শেষ হওয়ার আগেই অনলাইনে ছোটোখাটো ব্যবসা শুরু করি? শুনে নিশ্চয়ই অবাক হচ্ছেন। ভাবছেন, আমার তো পুঁজি বা মূলধন নেই। তাহলে আমি কিভাবে ব্যবসা করবো?</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">এর উত্তর হলো আজকে আমরা এমন কিছু অনলাইন ব্যবসা নিয়ে আলোচনা করবো, যেগুলো শুরু করতে আপনার বড় কোনো মূলধন বা পুঁজির প্রয়োজন পড়বে না। অনেক ব্যবসা আপনি মূলধন ছাড়াই করতে পারবেন। আপনার প্রয়োজন হবে স্কিলের এবং ধৈর্য্যের। চলুন আমরা এমন ৫টি অনলাইন ব্যবসা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করি যার মাধ্যমে আমরা স্বল্প পুঁজিতে, অল্প সময়েই সফলতা অর্জন করা সম্ভব। </span></p>
<p><b>১. কাস্টমাইজড টি-শার্ট ব্যবসা শুরু করুন</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">আপনার যদি ফ্যাশন সচেতন হয়ে থাকেন, তবে আপনি কাস্টমাইজড টি-শার্ট ব্যবসা শুরু করতে পারেন। বর্তমান বাজারে টি-শার্টের চাহিদা বিশেষ করে কাস্টমাইজড টি-শার্টের চাহিদা অনেক বেশি। যদি আপনি ডিজাইন করতে পারেন বা আপনার মধ্যে সৃজনশীলতা থাকে, তবে আপনি সহজেই এই ব্যবসায় সফলতা লাভ করতে পারবেন। এই ব্যবসা শুরু করার জন্য খুব বেশি মূলধনের প্রয়োজন হয় না। আপনি স্বল্প মূলধন নিয়ে ব্যবসা শুরু করতে পারবেন। </span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8020" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2025/02/image-01-17.jpg" alt="কাস্টমাইজড টি-শার্ট ব্যবসা অনলাইনে দ্রুত জনপ্রিয়তা পাচ্ছে, যা ৫টি সেরা অনলাইন ব্যবসার অন্যতম। " width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">আপনি চাইলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি পেইজ খুলে প্রাথমিকভাবে আপনার ব্যবসা শুরু করতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনি প্রিন্ট- অন- ডিমান্ড ব্যবসা নীতি অনুসরণ করতে পারেন। আপনার ব্যতিক্রমী ডিজাইন এবং ভালো মানের কাপড় আপনাকে তাড়াতাড়ি মানুষের কাছে পৌঁছাতে সাহায্য করবে। একইসাথে আপনি চাইলে দারাজ, অ্যামাজনের মতো অনলাইন প্ল্যাটফর্মের সাথে যুক্ত হতে পারেন । যা আপনাকে ক্রেতাদের খুব কাছে যেতে সাহায্য করবে। এই ব্যবসার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো আপনাকে প্রতিনিয়ত নতুনত্ব নিয়ে আসতে হবে। আপনি যদি ডিজাইনে বৈচিত্র্য আনতে না পারেন, তবে আপনার ব্যবসা খুব বেশি এগোতে পারবে না। একইসাথে প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠান বা পেইজের থেকে নিজেকে এগিয়ে রাখার জন্য ভালো মানের পণ্য সরবারহের পাশাপাশি মূল্যের দিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে।</span></p>
<p><b>২. অনলাইনে আর্ট বিক্রির ব্যবসা শুরু করুন</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বর্তমানে অনলাইনে অনেক পেইজ রয়েছে যারা ক্যানভাসে আঁকা পোর্টরেট ছবি, ক্যালিগ্রাফি বিক্রি করে। যদি আপনার এ বিষয়ে দক্ষতা থাকে, তবে আপনিও এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন। প্রিয়জন কিংবা বন্ধু-বান্ধবের জন্মদিনে কিংবা যেকোনো উৎসবে পোর্টরেট ছবি উপহার দেয়া এখন বেশ ট্রেন্ডে রয়েছে। আবার অনেকে নিজেদের ঘর সাজানোর জন্য ক্যালিগ্রাফি কিংবা আর্ট অর্ডার দিয়ে থাকেন। কাস্টমাইজড করে নিজের পছন্দমতো আর্ট অর্ডার করার সুযোগ থাকায় বর্তমানে এই ধরনের পেইজের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">আপনি চাইলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বিশেষ করে ফেসবুকে নিজের একটি পেইজ খুলে এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন। এর জন্য কোনো মূলধন প্রয়োজন হয় না বললেই চলে। কাস্টমারের চাহিদা অনুযায়ী তার পছন্দের ক্যানভাসে আপনি তাঁর পোর্টরেট ছবি, আর্ট কিংবা ক্যালিগ্রাফি করে দিবেন। অনেকে শখের বসে এই কাজ শুরু করে পরবর্তীতে তা ব্যবসায় রুপান্তর করেন। এই ব্যবসার জন্য প্রয়োজন আপনার আঁকাআঁকির দক্ষতা এবং সৃজনশীলতা।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8018" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2025/02/image-02-16.jpg" alt="অনলাইনে আর্ট বিক্রির ব্যবসা সৃজনশীল উদ্যোক্তাদের জন্য দারুণ সুযোগ, যা ৫টি সেরা অনলাইন ব্যবসার অন্যতম। " width="1024" height="576" /></p>
<p><b>৩. ফ্রিল্যান্সিং কাজ শুরু করুন</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">আপনি চাইলে ফ্রিল্যান্সিং কাজ শুরু করতে পারেন। লেখাপড়ার পাশাপাশি পার্ট-টাইম কিংবা ফুল টাইম জব হিসেবে অনেকের পছন্দের শীর্ষে রয়েছে ফ্রিল্যান্সিং। ফ্রিল্যান্সিং এর কিন্তু নানা বিভাগ রয়েছে। আপনি যদি গ্রাফিক্স ডিজাইনে ভালো হন, আপনি তা করতে পারেন। চাইলে লেখালেখি, ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্ট সহ নানা ধরনের কাজ করতে পারেন।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য বিশ্বব্যাপী ‘ফিবার’ বেশ জনপ্রিয়। আপনি চাইলে সেখানে দক্ষতা অনুযায়ী বিভাগ নির্ধারণ করে অ্যাকাউন্ট খুলে ফ্রিল্যান্সিং করতে পারেন। আবার কারো যদি দক্ষতা না থাকে কিন্তু ফ্রিল্যান্সিং করার ইচ্ছা থাকে, তারা কিন্তু সহজেই অনলাইন থেকে নানা ফ্রি কোর্স করে প্রয়োজনীয় স্কিল শিখে নিতে পারেন। ফ্রিল্যান্সার হওয়ার জন্য যে দক্ষতার প্রয়োজন তা আপনি চাইলেই সহজে আয়ত্ত করে নিতে পারবেন। তবে আপনাকে অবশ্যই ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা আয়ত্ত করতে হবে এবং ধৈর্য্য সহকারে কাজ করতে হবে। ফ্রিল্যান্সিং করার সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো আপনি নিজের সুবিধামতো সময়ে কাজ করতে পারবেন। আপনি যদি একজন ভালো ফ্রিল্যান্সার হতে চান, তবে আপনাকে অবশ্যই কাজের প্রতি ডেডিকেটেড থাকতে হবে এবং ডেডলাইন অনুসরণ করে কাজ শেষ করতে হবে। </span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8017" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2025/02/image-03-10.jpg" alt="ফ্রিল্যান্সিং কাজ এখন ঘরে বসেই আয় করার অন্যতম সহজ উপায়, যা ৫টি সেরা অনলাইন ব্যবসার মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে।" width="1024" height="576" /></p>
<p><b>৪. নিজের পডকাস্ট শুরু করুন</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বর্তমানে পডকাস্ট সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। পডকাস্টে সাধারণত গুরুত্বপূর্ণ কোনো বিষয়ে আলোচনা করা হয়। যেখানে তারা নিজেদের মতামত শেয়ার করেন এবং বিভিন্ন রেফারেন্স দিয়ে সেই বিষয়কে দর্শকদের কাছে সহজভাবে উপস্থাপন করেন। বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে পডকাস্ট থেকে ভালো আয় করা যায়। আপনি চাইলে নিজের বাসায় একটি রুম সেট আপের মাধ্যমে পডকাস্ট চালু করতে পারবেন।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">পডকাস্ট শুরু করতে আপনার যা দরকার তা হলো-  ভিডিও ক্যামেরা, একটি উচ্চ মানের মাইক্রোফোন, অডিও রেকর্ডিং সফটওয়্যার, কল রেকর্ডিং সফটওয়্যার ইত্যাদি। পডকাস্ট শুরু করতে হলে আপনাকে কিছু মূলধন বিনিয়োগ করতে হবে যার সম্পূর্ণটাই বিভিন্ন জিনিস বা যন্ত্র কেনা-কাটাতে খরচ হবে। স্ট্যাটিস্কা থেকে পাওয়া তথ্যমতে,৭৯% আমেরিকান পডকাস্ট শুনেন। বাংলাদেশেও দিনদিন এই অডিয়েন্সের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। আপনি যদি পডকাস্ট শুরু করতে চান, তাহ লে সবার আগে আপনাকে ইউটিউবে একটি চ্যানেল খুলতে হবে। একইসাথে ফেসবুকে পেইজ ওপেন করতে হবে। তাহলে আপনি দ্রুত মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারবেন। তবে সফল হতে চাইলে আপনাকে অবশ্যই ভালো মানের কনটেন্ট তৈরি করতে হবে। </span></p>
<p><b>৫. ইনফ্লুন্সার হিসেবে যাত্রা শুরু করুন</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বর্তমানে সারাবিশ্বে ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং একটি বিশাল শিল্পে পরিণত হয়েছে। ইনফ্লুন্সাররা তাদের পেইজ কিংবা আইডি থেকে যেমন আয় করছেন, তার থেকে বেশি আয় করেন নানা ধরনের ব্র্যান্ড প্রমোশনের মাধ্যমে। ছোট থেকে বড় সকল ধরনের ব্র্যান্ডই এখন ইনফ্লুন্সারের মাধ্যমে তাদের পণ্য মানুষের কাছে তুলে ধরেন। তারা মূলত ক্রেতা এবং বিক্রেতাদের মধ্যকার সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করেন।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8016" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2025/02/image-04.jpg" alt="ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবে যাত্রা শুরু করে অনলাইনে আয়ের সম্ভাবনা তৈরি করা যায়, যা ৫টি সেরা অনলাইন ব্যবসার অন্যতম।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">ইনফ্লুন্সার হিসেবে যাত্রা শুরু করলে আপনি নিজের ফেইসভ্যালু তৈরি করতে পারবেন। বাংলাদেশের অনেক ইনফ্লুন্সার নিজেদের ডেডিকেটেড অডিয়েন্স তৈরি করার পরে নিজস্ব ব্যবসাও শুরু করেন। ইনফ্লুন্সার হিসেবে যাত্রা শুরু</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">করতে হলে প্রথমে আপনাকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ডেডিকেটেড অ্যাকাউন্ট বা পেইজ খুলতে হবে। তারপর আপনি কোন ধরনের কনটেন্ট তৈরি করবেন তা নির্ধারণ করতে হবে এবং ধৈর্য্য সহকারে নিয়মিত ভিডিও আপলোড করতে হবে। মনে রাখতে হবে, আপনি রাতারাতি ইনফ্লুন্সার হতে পারবেন না। এজন্য প্রয়োজন সময় এবং ভালোমানের কনটেন্টের।</span></p>
<p><b>চ্যালেঞ্জ</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">প্রতিটি ব্যবসায় নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ এবং ঝুঁকি রয়েছে। অনলাইনে ব্যবসার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো ডাটা চুরি হওয়া। অর্থাৎ, সৃজনশীল যেকোনো ব্যবসা যা অনলাইনে করা হয়, তার হুবুহু কপি আমরা অন্য পেইজে বা অফলাইনেও দেখতে পাই। তাই এধরনের ব্যবসার ক্ষেত্রে প্রতিনিয়ত সৃজনশীলতার প্রমাণ দেয়া অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">অনলাইনে কাস্টমাররা অনেক সময় প্রতারণার শিকার হয়ে থাকেন। আর তাই কাস্টমারের বিশ্বাস অর্জন করা একটি চ্যালেঞ্জের বিষয়। আবার, অনেক কাস্টমার প্রতারণা করে থাকেন। এই সকল বিষয় মাথায় রেখে আপনাকে ধৈর্য্য সহকারে এগিয়ে যেতে হবে। </span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8015" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2025/02/image-05.jpg" alt="৫টি সেরা অনলাইন ব্যবসা পরিচালনার পথে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ এবং ঝুঁকি মোকাবিলা করা প্রয়োজন, যা সফলতার মূল চাবিকাঠি।" width="1024" height="576" /></p>
<p><b>শেষ কথা </b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">সফলতার কোনো শর্টকার্ট থাকে না। আপনি যদি ২০২৫ শেষ হওয়ার পূর্বে স্বল্প মূলধন বিনিয়োগ করে অনলাইন ব্যবসার মাধ্যমে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চান, তবে সবার আগে আপনাকে নির্ধারণ করতে আপনি কোন ব্যবসা করতে চান। তারপর সেই ব্যবসার জন্য প্রয়োজনীয় স্কিল আয়ত্ত করতে হবে। যেকোনো ব্যবসায় সফল হতে হলে আপনাকে অবশ্যই সৃজনশীল হতে হবে, ধৈর্য্য ধারণ করতে হবে এবং সততার সাথে কাজ করতে হবে।</span></p>
<p style="text-align: right;"><a href="https://bstandard.info/references00165/" target="_blank" rel="noopener"><em><strong>&#8220;তথ্যসূত্র&#8221;</strong></em></a></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bstandard.info/top-5-online-businesses-to-launch-before-the-end-of-2025/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বিজনেস আইডিয়াকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার ৮টি সহজ উপায়</title>
		<link>https://bstandard.info/8-simple-steps-to-turn-your-business-idea-into-reality-a-guide-for-entrepreneurs/</link>
					<comments>https://bstandard.info/8-simple-steps-to-turn-your-business-idea-into-reality-a-guide-for-entrepreneurs/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজটেক স্ট্যান্ডার্ড]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 08 Feb 2025 04:37:43 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[এন্ট্রেপ্রেনিউরশিপ]]></category>
		<category><![CDATA[বিজ-মার্কেটিং]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://bstandard.info/?p=6137</guid>

					<description><![CDATA[আপনার মাথায় হয়তো একটি চমৎকার ব্যবসার ধারণা ঘুরছে, যা আপনি বাস্তবে রূপ দিতে চান। ব্যবসার এমন একটি ধারণা, শুধু আপনার না যা আপনার সমাজের এমনকি দেশের চেহারা বদলে দিতে পারে। কিন্তু যতক্ষণ না এই আইডিয়াকে আপনি বাস্তবে রুপ দেবার চেষ্টা করছেন ততোক্ষণ এটা একটা ধারণা ছাড়া কিছুই না। তাই মনে রাখতে হবে আপনার সাফল্যের আসল গল্প শুরু হবে বিজনেস আইডিয়াকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার মাধ্যমে। অনেক নতুন উদ্যোক্তাই এ যাত্রায় বাধার সম্মুখীন হন। কোথা থেকে শুরু করবেন, কীভাবে আগাবেন—এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে অনেকেই থেমে যান বা বিভ্রান্ত হন। তবে সঠিক পরিকল্পনা, ধৈর্য, এবং সঠিক কৌশল অনুসরণ করলেই আপনি আপনার স্বপ্ন [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<table width="100%">
<tbody>
<tr>
<td align="left"><a href="https://bstandard.info/english/8-simple-steps-to-turn-your-business-idea-into-reality-a-guide-for-entrepreneurs/" type="button" class="btn btn-info btn-md">Read it in English</a></td>
<td align="right"><a href="#" type="button" class="btn btn-link btn-lg">গবেষক এবং প্রতিবেদক: </a><span style="font-weight: 400;"><a href="https://bstandard.info/author/shama/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">শামা সুলতানা</a></span> <a href="https://bstandard.info/author/isfaqul/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">ইসফাকুল কবির</a></td>
</tr>
</tbody>
</table>
<p><span style="font-weight: 400;">আপনার মাথায় হয়তো একটি চমৎকার ব্যবসার ধারণা ঘুরছে, যা আপনি বাস্তবে রূপ দিতে চান। ব্যবসার এমন একটি ধারণা, শুধু আপনার না যা আপনার সমাজের এমনকি দেশের চেহারা বদলে দিতে পারে। কিন্তু যতক্ষণ না এই আইডিয়াকে আপনি বাস্তবে রুপ দেবার চেষ্টা করছেন ততোক্ষণ এটা একটা ধারণা ছাড়া কিছুই না। তাই মনে রাখতে হবে আপনার সাফল্যের আসল গল্প শুরু হবে বিজনেস আইডিয়াকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার মাধ্যমে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">অনেক নতুন উদ্যোক্তাই এ যাত্রায় বাধার সম্মুখীন হন। কোথা থেকে শুরু করবেন, কীভাবে আগাবেন—এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে অনেকেই থেমে যান বা বিভ্রান্ত হন। তবে সঠিক পরিকল্পনা, ধৈর্য, এবং সঠিক কৌশল অনুসরণ করলেই আপনি আপনার স্বপ্ন পূরণের পথে এগিয়ে যেতে পারবেন।</span></p>
<p><b>১. নিজের আগ্রহকের বিষয়কে গুরুত্ব দিন</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">আপনার আগ্রহের সঙ্গে মিলে যাওয়া কাজই আপনাকে কঠিন সময়ে টিকে থাকতে সাহায্য করবে। অনেকেই আছেন যারা শুধু একটি ব্যবসায় লাভ দেখে সেই ব্যবসায় নামেন কিন্তু সেই ব্যবসায় যদি তার আগ্রহের জায়গা না থাকে তবে দেখা যায় কিছু দিন পরে তা থমকে যায়। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">উদাহরণ স্বরূপ ধরা যাক ফাহিমা আফরোজের কথা, যিনি দেশীয় পণ্যের প্রচারে কাজ শুরু করে আজ দেশের একটি জনপ্রিয় ই-কমার্স ব্র্যান্ড প্রতিষ্ঠা করেছেন। তার উদ্যোগ শুরু হয়েছিল &#8220;সোয়াপ&#8221; পণ্যের প্রতি ভালোবাসা থেকে। আফরোজের গল্প মাধ্যমে এটাই প্রমাণ হয় যে, আপনার কাজের প্রতি ভালোবাসা আপনাকে সঠিক পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। একই বিষয়ে অ্যাপলের প্রতিষ্ঠাতা</span> <span style="font-weight: 400;">স্টিভ জবসের বলেন, &#8220;আপনার কাজের প্রতি ভালোবাসা আপনাকে সঠিক পথেই রাখবে।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-7955" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2025/02/image-01-6.jpg" alt="বিজনেস আইডিয়া সফল করতে নিজের আগ্রহের বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। " width="1024" height="576" /></p>
<p><b>২. সাহায্য চাইতে পিছপা হবেন না</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">ব্যবসায় সাফল্যের একটি মূল চাবিকাঠি হলো সবার সাথে ইতিবাচক সম্পর্ক গড়ে তোলা। ক্লায়েন্ট, সহকর্মী, এবং স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে পেশাদার ও আন্তরিক সম্পর্ক আপনার ব্যবসাকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে। তাই নেটওয়ার্কিংয়ের মাধ্যমে সম্ভাব্য অংশীদার, বিনিয়োগকারী, এবং পরামর্শদাতাদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করুন। বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে পরামর্শ নেওয়া বা নতুন কিছু শেখা আপনার ব্যবসার কৌশল উন্নত করতে সাহায্য করবে। সাহায্য চাইতে দ্বিধা করবেন না—আপনার ব্যবসার উন্নতির জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</span></p>
<p><b>৩. আপনার ব্যবসার সমস্যাগুলি শনাক্ত করুন</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">প্রতিটি সফল ব্যবসার পেছনে একটি সাধারণ মূলনীতি রয়েছে—মানুষের সমস্যার সমাধান করা। আপনার এলাকায় কোন কোন সমস্যাগুলি মানুষকে বেশি ভোগাচ্ছে তা খুঁজে বের করুন। এই সমস্যাগুলির জন্য একটি কার্যকর সমাধান তৈরি করতে পারলে সেটিই আপনার ব্যবসার ভিত্তি হতে পারে। মানুষের দৈনন্দিন সমস্যার সহজ সমাধান দিলে আপনার পণ্যের বা পরিষেবার চাহিদা দ্রুত বাড়বে। তবে মজার ব্যপার হলো বেশিরভাগ মানুষ আগে সমাধান বের করে তার পর সেই সমাধানকে কাজে লাগানোর জন্য একটি সমস্যা খুঁজে বের করে। যার ফলে অনেক সময় নতুন উদ্যোক্তার অনেক সময় ব্যাবসার বাস্তবায়ন দেখার আগেই সব শেষ করে ফেলে। এ বিষয়ে উদ্যোক্তা জুবায়ের আহমেদ দেখেছিলেন যে, অনলাইনে টেইলারিং বা </span><span style="font-weight: 400;">দর্জি </span><span style="font-weight: 400;">পরিষেবা প্রায় নেই বললেই চলে। অথচ এটি একটি বড় চাহিদার বিষয়। এই অভাব লক্ষ্য করে তিনি “ইজি টেইলারিং” চালু করেন। এটি একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, যেখানে গ্রাহকরা ঘরে বসেই তাদের মাপ অনুযায়ী পোশাক তৈরির অর্ডার করতে পারেন। তার এই উদ্যোগ দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে, কারণ এটি মানুষের সময়, শ্রম এবং খরচ কমিয়ে দেয়।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">৪. </span><b>নতুন কিছু শেখার মনোভাব রাখুন</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">আপনার পণ্য বা সেবার উন্নতির জন্য গ্রাহকের থেকে মন্তব্য নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গ্রাহকদের মতামত শোনা এবং তা বাস্তবায়ন করতে কখনো পিছপা হতে বারণ করেছেন অনেক সফল ব্যবসায়ীরা। তাই ব্যবসা বাস্তবে রুপ দিতে প্রতিটি ধাপ থেকে নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করুন। এটি আপনাকে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করতে সাহায্য করবে এবং সেগুলোর কার্যকর সমাধান এনে দেবে।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-7954" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2025/02/image-02-5.jpg" alt="বিজনেস আইডিয়া বাস্তবায়নে নতুন কিছু শেখার মনোভাব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">৫. </span><b>ধাপে ধাপে বড় স্বপ্ন পূরণ করুন</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বড় কিছু করার জন্য প্রথমে ছোট ছোট লক্ষ্য নির্ধারণ করুন। একবারে বড় কিছু করতে যাওয়ার চেয়ে ছোট কিছু দিয়ে শুরু করা ভালো। এ জন্য প্রথমে অল্প কিছু পণ্য তৈরি করুন এবং তা বাজারে পরীক্ষা করুন চাইলে আপনি আপনার কাছের মানুষ বন্ধু দের থেকেও পণ্যের ব্যবহারিক অভিজ্ঞতা সম্পর্কে জানতে পারবেন। তাই প্রথমে ছোট কিছু দিয়ে শুরু করুন, তারপর ধীরে ধীরে আপনার সেবা বা পণ্য সম্প্রসারণ করুন। উদাহরণস্বরূপ, পাঠাও অ্যাপ তাদের যাত্রা শুরু করেছিল বাইক রাইড শেয়ারিং সেবা দিয়ে। পরে তারা ফুড ডেলিভারি, পার্সেল ডেলিভারি ইত্যাদি সেবা যুক্ত করে ব্যবসার পরিধি বাড়ায়।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">৬. </span><b>জনপ্রিয় ব্র্যান্ড গুলোর থেকে শিখুন</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বিশ্বমানের ব্র্যান্ড এবং স্থানীয় সফল উদ্যোগগুলির দিকে তাকান। আপনি তাদের থেকে শিখতে পারেন, কীভাবে তারা বাজারে নিজের অবস্থান তৈরি করেছে। উদাহরণস্বরূপ, জামদানী শাড়ি ব্র্যান্ড &#8220;টাঙ্গাইল শাড়ি ঘর&#8221; শুধু ঐতিহ্য ধরে রেখেই সফল হয়নি, বরং ডিজাইনে বৈচিত্র্য আনতে সক্ষম হয়েছে এবং এতে তারা বড় বাজার দখল করেছে।</span></p>
<p><b>৭. </b><b>অতিরিক্ত পরিকল্পনা বাদ দিন এবং কাজ শুরু করুন</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">কখনও কখনও অতিরিক্ত পরিকল্পনা করা একধরনের সময়ের অপচয় হতে পারে। পরিকল্পনা প্রয়োজন, তবে কাজ শুরু করা আরও জরুরি। সাহস করে প্রথম পদক্ষেপ নিন এবং কাজে লেগে পড়ুন। উদাহরণস্বরূপ, বাংলাদেশের স্টার্টআপ &#8220;শেখো&#8221; প্রথম দিকে অনেক অনিশ্চয়তার মুখে ছিল। তারা পরিকল্পনা কমিয়ে সরাসরি কাজ শুরু করেছিল, এবং সফলতা লাভ করে। যদি আপনি অনেক বেশি পরিকল্পনা করেন কিন্তু কাজে কিছুই করার নাম নেই, তাহলে আপনি শুধু পিছিয়েই পরবেন অন্যের থেকে। এমন অনেক মানুষ আছে যারা নিজের কিছু করব করতে করতে মাসের পরে মাস কাটিয়ে দেয় শুধু বন্ধুদের সাথে পরিকল্পনা এবং আকাশ কুসুম স্বপ্ন দেখতে দেখতে। তাই ছোট করে হলেও শুরু করুন।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-7953" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2025/02/image-03-4.jpg" alt="সফল বিজনেস আইডিয়া গড়ে তুলতে অতিরিক্ত পরিকল্পনার চেয়ে কাজ শুরু করাই গুরুত্বপূর্ণ।" width="1024" height="576" /></p>
<p><b>৮. ব্যর্থতাকে শেখার অভিজ্ঞতা হিসেবে নিন</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">ব্যর্থতা আপনাকে নতুন করে গড়ে তুলবে। আপনাকে আগামীর বিপদ থেকে বেচে থাকার শিক্ষা দিবে। যার ফলে এই ব্যর্থতা থেকে নেওয়া শিক্ষা আপনার পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে সাহায্য করবে। এই সম্পর্কিত হেনরি ফোর্ডের একটি বিখ্যাত উক্তি আছে  &#8220;প্রত্যেক ব্যর্থতা একটি নতুন সুযোগ নিয়ে আসে।&#8221;</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">আপনার ধারণাকে বাস্তবায়নের জন্য আর দেরি করবেন না। আজকের সিদ্ধান্তই আপনাকে আগামীকাল সাফল্যের পথে এগিয়ে নিবে। </span></p>
<p><b>টিপস:</b><span style="font-weight: 400;"> নিজের প্রতি আস্থা এবং  ধৈর্য রাখুন, ইতিবাচক থাকুন, এবং সর্বদা নতুন কিছু শিখতে ইচ্ছুক থাকুন।</span></p>
<p style="text-align: right;"><a href="https://bstandard.info/references00154/" target="_blank" rel="noopener"><em><strong>&#8220;তথ্যসূত্র&#8221;</strong></em></a></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bstandard.info/8-simple-steps-to-turn-your-business-idea-into-reality-a-guide-for-entrepreneurs/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ব্র্যাক- ফজলে হাসান আবেদ যেভাবের গড়ে তুলেছেন ‘ব্রাক’</title>
		<link>https://bstandard.info/how-fazle-hasan-abed-paved-the-way-to-success-with-brac/</link>
					<comments>https://bstandard.info/how-fazle-hasan-abed-paved-the-way-to-success-with-brac/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজটেক স্ট্যান্ডার্ড]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 08 Dec 2024 04:39:23 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[এন্ট্রেপ্রেনিউরশিপ]]></category>
		<category><![CDATA[কোম্পানি ফরেনসিকস]]></category>
		<category><![CDATA[বিজ-মার্কেটিং]]></category>
		<category><![CDATA[স্টার্টআপ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://bstandard.info/?p=5174</guid>

					<description><![CDATA[স্যার ফজলে হাসান আবেদের জীবন ও ব্র্যাকের যাত্রা একটি অনুপ্রেরণামূলক গল্প। তার ব্রাকের মাধ্যমে দেশের দারিদ্র্য বিমোচন, নারীর ক্ষমতায়ন, ও শিক্ষার প্রসার সহ বহুমুখী উন্নয়ন কার্যক্রমে অভূতপূর্ণ উন্নতি সাধন সম্ভব হয়েছে। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের পুর্ন:গঠনের লক্ষ্যে ফজলে হাসান আবেদ ব্র্যাক প্রতিষ্ঠা করেন। শুরুতে ত্রাণ ও পুনর্বাসনের কাজ দিয়ে ব্রাক যাত্রা শুরু করেছিল। এখন এই সংস্থাটি বাংলাদেশ সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মানব উন্নয়নমূলক কাজ করে আসছে। বর্তমানে বিশ্বের সব থেকে বড় এনজিও ব্র্যাক। কে এই স্যার ফজলে হাসান আবেদ? &#160; স্যার ফজলে হাসান আবেদ ছিলেন একজন দূরদর্শী এবং মানবতাবাদী মানুষ। যিনি বাংলাদেশের দারিদ্র্য বিমোচন ও উন্নয়নের জন্য তার [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<table width="100%">
<tbody>
<tr>
<td align="left"><a href="https://bstandard.info/english/how-fazle-hasan-abed-paved-the-way-to-success-with-brac/" type="button" class="btn btn-info btn-md">Read it in English</a></td>
<td align="right"><a href="#" type="button" class="btn btn-link btn-lg">গবেষক এবং প্রতিবেদক: </a><a href="https://bstandard.info/author/fuad/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">তানজিল ফুয়াদ</a> <a href="https://bstandard.info/author/isfaqul/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">ইসফাকুল কবির</a></td>
</tr>
</tbody>
</table>
<p><span style="font-weight: 400;">স্যার ফজলে হাসান আবেদের জীবন ও ব্র্যাকের যাত্রা একটি অনুপ্রেরণামূলক গল্প। তার ব্রাকের মাধ্যমে দেশের দারিদ্র্য বিমোচন, নারীর ক্ষমতায়ন, ও শিক্ষার প্রসার সহ বহুমুখী উন্নয়ন কার্যক্রমে অভূতপূর্ণ উন্নতি সাধন সম্ভব হয়েছে। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের পুর্ন:গঠনের লক্ষ্যে ফজলে হাসান আবেদ ব্র্যাক প্রতিষ্ঠা করেন। শুরুতে ত্রাণ ও পুনর্বাসনের কাজ দিয়ে ব্রাক যাত্রা শুরু করেছিল। এখন এই সংস্থাটি বাংলাদেশ সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মানব উন্নয়নমূলক কাজ করে আসছে। বর্তমানে বিশ্বের সব থেকে বড় এনজিও ব্র্যাক।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">কে এই স্যার ফজলে হাসান আবেদ?</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8642" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/12/image-01-33.jpg" alt="ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা স্যার ফজলে হাসান আবেদ ও তার অনন্য দৃষ্টিভঙ্গি।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">স্যার ফজলে হাসান আবেদ ছিলেন একজন দূরদর্শী এবং মানবতাবাদী মানুষ। যিনি বাংলাদেশের দারিদ্র্য বিমোচন ও উন্নয়নের জন্য তার পুরো জীবন কাজ করে গেছেন। ১৯৩৬ সালে হবিগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন আবেদ স্যার। তার শিক্ষাজীবন শেষ করে ব্রিটেনে পেট্রোলিয়াম ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। কিন্তু ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি স্বদেশের মানুষের কষ্ট দেখে তৎক্ষণাৎ দেশে ফিরে আসেন। দেশের সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে চান তিনি। এজন্য তিনি তার লন্ডনের সম্পত্তি বিক্রি করে দেশে ফিরে আসেন এবং ত্রাণের জন্য সংগ্রহকৃত অর্থ দিয়ে দেশের সাধারণ মানুষের হাতে তুলে দেন। তবে স্যার আবেদের চিন্তা ভাবনা ছিল অনেক দূরদর্শী সম্পন্ন। মানুষকে সেবা দেবার চিন্তা ভাবনা থেকেই আজকের ব্র্যাক প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। শুরুতে ব্র্যাক শুধু কেবল ত্রাণ বা পুনর্বাসন নিয়ে কাজ করতো। তবে স্যার আবেদ চেয়েছিলেন ব্র্যাক দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য এমন একটি মডেল তৈরি করুক যা স্বাস্থ্য, শিক্ষা, নারীর ক্ষমতায়ন, অর্থনৈতিক উন্নয়নসহ জীবনের সকল ক্ষেত্রে সহায়তা প্রদান করবে। স্যার আবেদের অসামান্য নেতৃত্ব ও অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি র‍্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কারসহ আরও বহু আন্তর্জাতিক পুরস্কার অর্জন করেন, যা তাকে বিশ্বব্যাপী মানব উন্নয়নের অনন্য উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেছে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">ব্র্যাকের সূচনা ও প্রথম দিকের পদক্ষেপ</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8641" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/12/image-02-33.jpg" alt="ব্র্যাকের সূচনা ও প্রথম দিকের কর্মসূচির পথচলা।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">ফজলে আবেদ বাংলাদেশে দারিদ্র্য নিরসনে সমাজ উন্নয়নের একটি নতুন মডেল প্রতিষ্ঠা করেন। ব্র্যাকের প্রথম উদ্যোগ গুলোর মধ্যে ছিল কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং স্বল্প ব্যয়ে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা। ১৯৭৬ সালে তিনি নারীদের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্যে আড়ং নামে একটি সোশ্যাল এন্টারপ্রাইজ চালু করেন। আড়ংয়ের মাধ্যমে গ্রামীণ নারীরা হস্তশিল্পে প্রশিক্ষিত হয় এবং ঢাকার বাজারে তাদের তৈরি পণ্য বিক্রি করে নিজেদের আর্থিকভাবে স্বনির্ভর করে তোলেন। ব্র্যাকের বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দরিদ্র মানুষদের উন্নয়নশীল কাজ ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, যা আজ প্রায় ৬০টির বেশি দেশে ছড়িয়ে আছে। ব্র্যাকের শিক্ষামূলক কার্যক্রম থেকে স্বাস্থ্যসেবা, কৃষি, মানবাধিকার, এবং অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধির বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্র্যাক বিশেষভাবে সফল। উদাহরণস্বরূপ, ব্র্যাকের ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচি দরিদ্র মানুষের আর্থিক সক্ষমতা বাড়াতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে এবং এর মাধ্যমে লাখ লাখ মানুষ অর্থনৈতিক স্বাধীনতা অর্জন করেছে। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">প্রাথমিক স্বাস্থ্য ও শিক্ষা কার্যক্রমের প্রসার</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8640" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/12/image-03-19.jpg" alt="ব্র্যাকের প্রাথমিক স্বাস্থ্য ও শিক্ষা কার্যক্রমের বিস্তারের দৃশ্য।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">প্রথম থেকেই আবেদ স্যার বুঝতে পারেন যে শুধু ত্রাণ সহায়তা দিয়ে দেশের মানুষের দারিদ্র্য বিমোচন সম্ভব নয়। এজন্য তিনি স্বল্প ব্যয়ে স্বাস্থ্যসেবা এবং শিক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু করেন। ব্র্যাকের &#8216;আশার আলো&#8217; নামক উদ্যোগের মাধ্যমে দরিদ্র গ্রামীণ নারীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু হয়। এর মাধ্যমে তারা হস্তশিল্প, পোল্ট্রি, এবং কৃষিকাজে দক্ষ হয়ে ওঠে, যা তাদের আর্থিকভাবে স্বনির্ভর করে তোলে। ১৯৭৬ সালে, আবেদ স্যার নারী শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে একটি অগ্রগামী উদ্যোগ গ্রহণ করেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে সারা দেশে স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত করার জন্য ব্র্যাক কাজ শুরু করে। বর্তমানে, ব্র্যাক প্রায় ৬০টি দেশে বিভিন্ন শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিচালনা করে আসছে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">আড়ং এবং ব্র্যাকের অন্যান্য উদ্যোগ</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8639" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/12/image-04-7.jpg" alt="আড়ং এবং ব্র্যাকের অন্যান্য উদ্যোগের সাফল্যের গল্প। " width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">ব্র্যাকের অধীনে আড়ং একটি সফল সামাজিক উদ্যোগ হিসেবে দাঁড়িয়েছে। ১৯৭৮ সালে প্রথম বিক্রয়কেন্দ্র খোলার পর থেকে আড়ংয়ের বাৎসরিক বিক্রয় প্রায় ৮৫০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায় এবং এটি বাংলাদেশের একটি সফল ব্যবসায়িক উদ্যোগে পরিণত হয়। মানিকগঞ্জে প্রতিষ্ঠিত আয়েশা আবেদ ফাউন্ডেশন, যা আড়ংয়ের মূল উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। বর্তমানে দেশজুড়ে আড়ংয়ের ১৪টি কেন্দ্রে আছে। আড়ংয়ের মাধ্যমে প্রায় ৬৫,০০০ মানুষ কর্ম সংস্থানের সুযোগ পেয়েছেন, যাদের একটি বড় অংশ নারী। এই প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের প্রায় ৪৫ শতাংশই নারী, যা বাংলাদেশের মত উন্নয়নশীল দেশের নারীর কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রেখে আসছে। যদিও বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়াতে বেশ সমালোচনা সম্মুখীন হচ্ছে আড়ং। এছাড়া ২০০১ সালে ব্রাকের প্রতিষ্ঠিত ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ও বাংলাদেশের শিক্ষা ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখছে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্র্যাকের প্রভাব</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">স্যার ফজলে হাসান আবেদের মডেলটি শুধু বাংলাদেশেই নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দরিদ্র দেশে মানব উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা পালন করছে। তার এই কীর্তির স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি বহু আন্তর্জাতিক পুরস্কার অর্জন করেছেন। ২০১৯ সালে তার মৃত্যুর পরও ব্র্যাক তার স্বপ্নকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। ফজলে হাসান আবেদের এই কাজের মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হয় যে দারিদ্র্যতা শুধু অর্থের অভাব নয়, বরং সুযোগ- সুবিধা ও  শিক্ষার অভাবও বটে। কিন্তু সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন সম্ভব।</span></p>
<p style="text-align: right;"><a href="https://bstandard.info/references00096/" target="_blank" rel="noopener"><em><strong>&#8220;তথ্যসূত্র&#8221;</strong></em></a></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bstandard.info/how-fazle-hasan-abed-paved-the-way-to-success-with-brac/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বিডিজবস্ : বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ চাকরির ওয়েবসাইট</title>
		<link>https://bstandard.info/bdjobs-the-largest-job-web-portal-for-job-seekers-in-bangladesh/</link>
					<comments>https://bstandard.info/bdjobs-the-largest-job-web-portal-for-job-seekers-in-bangladesh/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজটেক স্ট্যান্ডার্ড]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 03 Dec 2024 06:33:53 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[এন্ট্রেপ্রেনিউরশিপ]]></category>
		<category><![CDATA[বিজ-মার্কেটিং]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://bstandard.info/?p=5093</guid>

					<description><![CDATA[এ. কে. এম. ফাহিম মাশরুর: বিডিজবস্ -এর প্রতিষ্ঠার গল্প বাংলাদেশের ইন্টারনেট বিপ্লবের প্রথম দিকে ২০০০ সালে তরুণদের কাছে অনলাইনে চাকরির খবর নিয়ে এসেছিল বিডিজবস্ ডট কম। এটি বর্তমানে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ চাকরির ওয়েবসাইট । এটি বাংলাদেশের প্রথম এবং সবচেয়ে জনপ্রিয় জব ওয়েব পোর্টাল হিসেবেও  স্বীকৃতি পেয়েছে। আর এই বিডিজবস্-এর প্রতিষ্ঠাতা ফাহিম মাশরুর এমন একজন উদ্যমী উদ্যোক্তা যার যুগান্তকারী পরিবর্তন মাধ্যমে চাকরিপ্রার্থীদের কাছে তাদের চাকরি খোঁজার দৌড় কমিয়ে এনেছেন। যেভাবে শুরু হয়েছিল বিডিজবস্ ১৯৯৯ সালে, যখন বাংলাদেশে ইন্টারনেট এবং তথ্যপ্রযুক্তির প্রসার তেমনভাবে হয়নি, তখন ফাহিম মাশরুর চেয়েছিলেন একটি এমন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে যেখানে চাকরিদাতারা সহজেই কর্মী খুঁজে পাবেন, আর চাকরিপ্রার্থীরা তাদের জন্য [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<table width="100%">
<tbody>
<tr>
<td align="left"><a href="https://bstandard.info/english/bdjobs-the-largest-job-web-portal-for-job-seekers-in-bangladesh/" type="button" class="btn btn-info btn-md">Read it in English</a></td>
<td align="right"><a href="#" type="button" class="btn btn-link btn-lg">গবেষক এবং প্রতিবেদক: </a><span style="font-weight: 400;"><a href="https://bstandard.info/author/fuad/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">তানজিল ফুয়াদ</a></span> <a href="https://bstandard.info/author/isfaqul/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">ইসফাকুল কবির</a></td>
</tr>
</tbody>
</table>
<p><span style="font-weight: 400;">এ. কে. এম. ফাহিম মাশরুর: বিডিজবস্ -এর প্রতিষ্ঠার গল্প</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বাংলাদেশের ইন্টারনেট বিপ্লবের প্রথম দিকে ২০০০ সালে তরুণদের কাছে অনলাইনে চাকরির খবর নিয়ে এসেছিল বিডিজবস্ ডট কম। এটি বর্তমানে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ চাকরির ওয়েবসাইট । এটি বাংলাদেশের প্রথম এবং সবচেয়ে জনপ্রিয় জব ওয়েব পোর্টাল হিসেবেও  স্বীকৃতি পেয়েছে। আর এই বিডিজবস্-এর প্রতিষ্ঠাতা ফাহিম মাশরুর এমন একজন উদ্যমী উদ্যোক্তা যার যুগান্তকারী পরিবর্তন মাধ্যমে চাকরিপ্রার্থীদের কাছে তাদের চাকরি খোঁজার দৌড় কমিয়ে এনেছেন।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">যেভাবে শুরু হয়েছিল বিডিজবস্</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">১৯৯৯ সালে, যখন বাংলাদেশে ইন্টারনেট এবং তথ্যপ্রযুক্তির প্রসার তেমনভাবে হয়নি, তখন ফাহিম মাশরুর চেয়েছিলেন একটি এমন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে যেখানে চাকরিদাতারা সহজেই কর্মী খুঁজে পাবেন, আর চাকরিপ্রার্থীরা তাদের জন্য উপযুক্ত সুযোগ খুঁজে পাবেন। তৎকালীন সময়ে, কাজের বিজ্ঞপ্তি কেবল পত্রিকায় বের হতো। তাও আবার নির্দিষ্ট একটি পত্রিকায় সকল চাকরির খবর থাকতো না, তাই একজন চাকরিপ্রার্থীরাকে অনেক গুলো পত্রিকা সংগ্রহ করতে হতো। এই সমস্যা দূর করতে ফাহিমকে এবং তার ছয়জন বন্ধু মিলে বিডিজবস্ প্রতিষ্ঠা করেন।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8612" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/12/image-01-28.jpg" alt="বিডিজবস্: বাংলাদেশের চাকরির বাজারে এক বিপ্লবী যাত্রার শুরু। " width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">প্রথমে অনেক গুলো খবরের কাগজ থেকে তথ্য নিয়ে তারা তাদের ওয়েব সাইটে দিত। ফাহিম তার নিজের বাসার ড্রয়িং রুমে বিডিজবস্ এর যাত্রা শুরু করেন দুইজন কর্মচারী নিয়ে। প্রথম ৩ বছরে ১৫ লক্ষ টাকা বিনিয়োগের করেছিলেন। ফাহিম এবং তার বন্ধুরা মিলে তার পরে আর কোন বিনিয়োগের করতে হয়নি। ৩ বছর পর যখন বিডিজবস্-এ যখন মানুষ আসতে শুরু করলো তারপর ফাহিম বিভিন্ন কর্পোরেটদের কাছে যেতে শুরু করলেন। বিডিজবস্ তাদের বুঝিয়েছে যে আপনারা তো কর্মচারী খুঁজতে অনেক বেশি টাকা খরচ করেন। তবে আপনি চাইলে অনেক কম খরচে বিডিজবস্-এ কর্মচারী খুঁজতে বিজ্ঞাপন দিতে পারেন।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বিডিজবস্-এর প্রতিষ্ঠাতা</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8611" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/12/image-02-28.jpg" alt="বিডিজবস্-এর প্রতিষ্ঠাতা: বাংলাদেশের চাকরি খোঁজার বিপ্লবী উদ্যোগের পিছনের মানুষ। " width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">ফাহিম মাশরুরের জন্ম ঢাকা। তিনি আইডিয়াল হাই স্কুল থেকে মেট্রিক তারপর নটরডেম কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন। তারপর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে অনার্স এবং মাস্টার্স শেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর আইবিয়ে থেকে এমবিয়ে শেষ করেন বিডিজবস্ এর প্রতিষ্ঠাতা ফাহিম। তিনি মধ্যবিত্ত পরিবারে বড় হয়েছেন। তার মা-বাবা ছিলেন সরকারি  চাকরিজীবী। ফাহিম এর মতে সে সময় তরুণদের ইচ্ছা ছিল যে হয় চাকরি করবে ব্যাংকে বা মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে অথবা দেশীয় কোন কোম্পানিতে। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">তার মতে সে সময় আরও একটা চল ছিল যে তরুণরা বিদেশ চলে যাবে। ফাহিম কখনোই নয়টা টু পাঁচটার জব এর ব্যাপারে কখনোই খুব একটা আগ্রহ ছিল না। সব সময় ছাত্র অবস্থাতেও একটু আউট অফ দা বক্স চিন্তা করতে চেয়েছিলেন তিনি। আর সেই ভাবনা থেকেই তৈরি আজকের বিডিজবস্। এছাড়া তিনি একটি অনলাইন ভিত্তিক শপিং মল চালু করেন আজকের ডিল নাম।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বর্তমান বিডিজবস্ এর অবস্থা</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বিডিজবস্ এর প্রতিষ্ঠাতা ফাহিম বলেন, &#8220;প্রতিদিন প্রায় ২ লক্ষ মানুষ আমাদের প্লাটফর্ম ব্যবহার করেন চাকরি খোঁজার জন্য।&#8221; বর্তমানে দেশের প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার কোম্পানি আছে যারা তাদের কোম্পানির জন্য মানুষ খোঁজেন এই </span><span style="font-weight: 400;">বিডিজবস্ এ বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে। বিডিজবস্ এর কার্যক্রম পরিচালনে করতে এখন তাদের ৩০০-র বেশি কর্মচারী আছে। </span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8610" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/12/image-03-15.jpg" alt="বিডিজবস্-এর প্রতিষ্ঠাতা: বাংলাদেশের চাকরি খোঁজার বিপ্লবী উদ্যোগের পিছনের মানুষ। " width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বিডিজবস্ এর সফলতার চাবিকাঠি</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বিডিজবস্-এর সফলতার পেছনে রয়েছে এর সহজ এবং ব্যবহারকারী-বান্ধব ইন্টারফেস। চাকরিদাতারা যেমন স্বল্প খরচে বিজ্ঞাপন দিতে পারেন, তেমন চাকরিপ্রার্থীরাও সহজে এবং বিনামূল্যে বিভিন্ন চাকরির তথ্য খুঁজে পেতে পারেন। এখন পর্যন্ত বিডিজবস্ কোন চাকরি প্রত্যাশীদের থেকে কোন টাকা নেয়নি। চাকরি প্রত্যাশীরা চাইলে তাদের নামে একটি অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবে যার ফলে তারা তাদের আগ্রহের চাকরির বিজ্ঞাপন সবার আগে দেখতে পায়। মোট কথা বিডিজবস্ এর সহজ এবং সাবলীল ব্যবহার যোগ্যতা একে করেছে তুমুল জনপ্রিয়।</span></p>
<p style="text-align: right;"><a href="https://bstandard.info/references00091/" target="_blank" rel="noopener"><em><strong>&#8220;তথ্যসূত্র&#8221;</strong></em></a></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bstandard.info/bdjobs-the-largest-job-web-portal-for-job-seekers-in-bangladesh/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>স্বপ্নবাজ হুসাইন এম. ইলিয়াস-এর “পাঠাও” যাত্রা</title>
		<link>https://bstandard.info/hussain-m-elius-his-journey-with-pathao/</link>
					<comments>https://bstandard.info/hussain-m-elius-his-journey-with-pathao/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজটেক স্ট্যান্ডার্ড]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 30 Nov 2024 04:23:53 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[এন্ট্রেপ্রেনিউরশিপ]]></category>
		<category><![CDATA[বিজ-মার্কেটিং]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://bstandard.info/?p=4995</guid>

					<description><![CDATA[বর্তমান বাংলাদেশে রাইড শেয়ারিং বলতে সবচেয়ে জনপ্রিয় নামগুলোর একটি হলো পাঠাও। যার যাত্রাটা শুরু হয়ে ছিল ছোট আকারে, কিন্তু এখন এটি এক বিশাল প্ল্যাটফর্ম পরিণত হয়েছে। পাঠাও ঢাকা এবং চট্টগ্রামের বৃহৎ জনগণের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। হুসাইন এম. ইলিয়াস নেতৃত্বে পাঠাও আজ শুধু রাইড শেয়ারিং-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি এখন গ্রাহকদের বিভিন্ন সার্ভিস প্রদানকারী প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে। এর মাধ্যমেই প্রতিষ্ঠানটি প্রযুক্তির উন্নয়নের সাথে সাথে দেশের পরিবহন ব্যবস্থায় একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছ। পাঠাও প্রতিষ্ঠার গল্প: উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য হুসাইন এম. ইলিয়াস ও শিফাত আদনান ২০১৫ সালে মোটরসাইকেল রাইড শেয়ারিং দিয়ে পাঠাও এর যাত্রা শুরু করেন। তখন তাদের যাত্রাটা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<table width="100%">
<tbody>
<tr>
<td align="left"><a href="https://bstandard.info/english/hussain-m-elius-his-journey-with-pathao/" type="button" class="btn btn-info btn-md">Read it in English</a></td>
<td align="right"><a href="#" type="button" class="btn btn-link btn-lg">গবেষক এবং প্রতিবেদক: </a><a href="https://bstandard.info/author/fuad/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">তানজিল ফুয়াদ</a> <a href="https://bstandard.info/author/isfaqul/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">ইসফাকুল কবির</a></td>
</tr>
</tbody>
</table>
<p><span style="font-weight: 400;">বর্তমান বাংলাদেশে রাইড শেয়ারিং বলতে সবচেয়ে জনপ্রিয় নামগুলোর একটি হলো পাঠাও। যার যাত্রাটা শুরু হয়ে ছিল ছোট আকারে, কিন্তু এখন এটি এক বিশাল প্ল্যাটফর্ম পরিণত হয়েছে। পাঠাও ঢাকা এবং চট্টগ্রামের বৃহৎ জনগণের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। হুসাইন এম. ইলিয়াস নেতৃত্বে পাঠাও আজ শুধু রাইড শেয়ারিং-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি এখন গ্রাহকদের বিভিন্ন সার্ভিস প্রদানকারী প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে। এর মাধ্যমেই প্রতিষ্ঠানটি প্রযুক্তির উন্নয়নের সাথে সাথে দেশের পরিবহন ব্যবস্থায় একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছ।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">পাঠাও প্রতিষ্ঠার গল্প: উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">হুসাইন এম. ইলিয়াস ও শিফাত আদনান ২০১৫ সালে মোটরসাইকেল রাইড শেয়ারিং দিয়ে পাঠাও এর যাত্রা শুরু করেন। তখন তাদের যাত্রাটা হয়েছিল মাত্র একটি মোটরসাইকেল দিয়ে। তাদের উদ্দেশ্য ছিল &#8220;বাংলাদেশের মানুষকে সহজ, সাশ্রয়ী ও দ্রুত পরিবহন ব্যবস্থা সরবরাহ করা।&#8221; ইলিয়াসের মতে, “আমরা চাইছিলাম এমন একটা প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে, যা সবার জন্য অ্যাক্সেসেবল এবং বিশ্বাসযোগ্য।” পাঠাও একটি ভিন্ন ধারার পরিবর্তন এনেছে ঢাকা ও চট্টগ্রামের মতো ব্যস্ত শহরগুলোতে। পাঠাওয়ের জনপ্রিয়তা ক্রমবর্ধমান হতে থাকলে তারা অন্যান্য সেবা, যেমন খাবার ডেলিভারি, পার্সেল সার্ভিস, এবং এমনকি লজিস্টিক সমাধানের দিকে নজর দেয়। এটি মূলত একটি গ্রাহকের প্রয়োজনীয়তা থেকেই শুরু হয়েছিল, যেখানে সময় সাশ্রয়ী ও নিরাপদ পরিবহনের চাহিদা ছিল।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8570" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/11/image-01-39.jpg" alt="উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য নিয়ে পাঠাও-এর সাফল্যের পেছনের গল্প।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">কর্মসংস্থান ও আয়: দেশের অর্থনীতিতে অবদান</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বর্তমানে পাঠাও-এর মাধ্যমে প্রায় ৫ লক্ষাধিক ড্রাইভার এবং ডেলিভারি পার্টনার কর্মসংস্থানের সুযোগ পাচ্ছেন। এর মধ্যে শুধু রাইড শেয়ারিংই নয়, বরং খাবার ও পার্সেল ডেলিভারির জন্যও অনেকে কাজ করছেন। পাঠাওয়ের রিপোর্ট বলছে, প্রতিদিন প্রায় ৩ লাখেরও বেশি ট্রিপ এবং ডেলিভারি সম্পন্ন করে থাকে তারা। এই প্ল্যাটফর্মের সাথে যুক্ত ড্রাইভাররা একটি ভালো অংকের টাকা আয়ের সুযোগ পায়, যা তাদের জীবনে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। প্রায় ৫০ লাখের বেশি নিবন্ধিত ব্যবহারকারী রয়েছে এই প্ল্যাটফর্মে। পাঠাও প্রতিবছর প্রায় ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি রাজস্ব আয় করে বলে ধারণা করা হয়। এই বিপুল পরিমাণ আয় দেশের অর্থনীতিতে একটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলে, যা স্থানীয় বাজারে ক্রয় ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">পাঠায়ের সেবা দেশও দেশের বাইরে</span><span style="font-weight: 400;"> </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">পাঠাও-এর সেবা মূলত ঢাকা, চট্টগ্রাম এবং সিলেট অঞ্চলে বেশি প্রচলিত হলেও বর্তমানে নেপালে তাদের সেবা বিস্তৃত হয়েছে। এই প্রথম বাংলাদেশের কোনো রাইড শেয়ারিং কোম্পানি আন্তর্জাতিকভাবে সেবা চালু করতে সক্ষম হয়েছে।  ইলিয়াস বলেছেন, “আমরা আমাদের সেবার মান বজায় রেখে এবং স্থানীয় চাহিদার সাথে সঙ্গতি রেখে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশ করতে চাই।”</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">ব্যবহারকারা কিভাবে উপকৃত হচ্ছেন</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8569" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/11/image-02-39.jpg" alt="পাঠাও-এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের জীবনে সহজ ও দ্রুত সেবা। " width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">পাঠাও</span><span style="font-weight: 400;"> শুধু রাইড শেয়ারিং প্ল্যাটফর্মে না। এটি মোটরসাইকেল, প্রাইভেট কার, সিএনজি এবং এমনকি ফুড ডেলিভারি এবং পণ্য সরবরাহের সেবাও দিয়ে থাকে। এছাড়া ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য &#8216;পাঠাও ফর বিজনেস&#8217; নামে একটি প্ল্যাটফর্ম রয়েছে, যা ছোট এবং বড় প্রতিষ্ঠানের জন্য পণ্য পরিবহন মূলক সেবা প্রদান করে থাকে। ব্যবহারকারীরা এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দ্রুত এবং কার্যকরী সেবা পাচ্ছেন, যা তাদের দৈনন্দিন জীবনকে সহজ করে তুলেছে। উদাহরণস্বরূপ, একটি সাধারণ ব্যবহারকারী/যাত্রী রাইড বুক করতে পারে বা খাবার অর্ডার করতে পারে মাত্র কয়েকটি ক্লিকে, যা তাদের সময় এবং শ্রম দুটোই সাশ্রয় করে। এই ব্যাপারে ইলিয়াস বলেন, &#8220;বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন ও মানসম্পন্ন সেবা প্রদানই আমাদের টিকে থাকার প্রধান কারণ।&#8221; এছাড়া, প্রযুক্তির উন্নতি এবং নতুন উদ্ভাবনের মাধ্যমে তারা তাদের সেবাকে আরও উন্নত করার চেষ্টা করছে। উদাহরণস্বরূপ, তারা নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং গ্রাহক সেবা বৃদ্ধি করতে নতুন প্রযুক্তি গ্রহণ করেছে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">কমিউনিটি বিল্ডিং ও সামাজিক দায়িত্ব </span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8568" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/11/image-03-28.jpg" alt="সামাজিক উন্নয়নে পাঠাও-এর ভূমিকা: কমিউনিটি বিল্ডিং এবং দায়িত্বশীলতা। " width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">পাঠাও প্রায় ১০ হাজারের বেশি নারী ড্রাইভার এবং পার্টনারদের কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিয়েছে, যা কর্মক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করছে। হুসাইন এম. ইলিয়াসের মতে, &#8220;পাঠাও  সবসময়ই চেয়েছে যে আমাদের সমাজের প্রতিটি অংশের মানুষের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে।&#8221; তারা বিভিন্ন সামাজিক দায়িত্বমূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে এবং সমাজের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে কাজ করে। পাঠাও তাদের সেবা ভবিষ্যতে আরো দেশীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে বিস্তৃত করার পরিকল্পনা করছে। এ নিয়ে ইলিয়াসের একটি মন্তব্য উল্লেখযোগ্য: “আমরা বিশ্বাস করি, পাঠাও-এর সেবা শুধু বাংলাদেশ নয়, দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশেও মানুষের দৈনন্দিন জীবন সহজ করতে সাহায্য করবে।”</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">শেষ কথা </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">হুসাইন এম. ইলিয়াস এবং পাঠাও-এর এই যাত্রা শুধু একটি ব্যবসায়িক সাফল্য নয়, বরং এটি একটি সামগ্রিক উন্নয়ন। যা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে একটি শক্তিশালী অবদান রেখেছে। তাদের উদ্ভাবনী চিন্তা, সমাজের প্রতি দায়িত্ববোধ এবং সেবার মান উন্নয়ন করে তারা একটি নতুন ব্যবসায়িক মডেল তৈরি করেছে যা অন্যান্য উদ্যোক্তাদের জন্য উদাহরণ স্বরূপ। আজকের বাংলাদেশে পাঠাও শুধু একটি রাইড শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম নয়, বরং এটি প্রযুক্তির সাথে মানুষের জীবনকে সহজতর করার একটি উপায়।</span></p>
<p style="text-align: right;"><a href="https://bstandard.info/references00084/" target="_blank" rel="noopener"><em><strong>&#8220;তথ্যসূত্র&#8221;</strong></em></a></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bstandard.info/hussain-m-elius-his-journey-with-pathao/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>শূন্য থেকে কোটিপতি আকিজ গ্রুপ</title>
		<link>https://bstandard.info/akij-group-their-journey-to-become-a-billionaire/</link>
					<comments>https://bstandard.info/akij-group-their-journey-to-become-a-billionaire/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজটেক স্ট্যান্ডার্ড]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 19 Nov 2024 09:31:50 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[এন্ট্রেপ্রেনিউরশিপ]]></category>
		<category><![CDATA[বিজ-মার্কেটিং]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://bstandard.info/?p=4631</guid>

					<description><![CDATA[বাংলাদেশের অন্যতম সফল ব্যবসায়ী জনাব শেখ আকিজ উদ্দিন। আকিজ নামটির সাথে পরিচয় নেই এমন মানুষ বাংলাদেশে খুঁজে পাওয়া মুশকিল। তিনি উদাহরণ তৈরি করে গেছেন যে কীভাবে শূন্য থেকে শুধু সততা এবং নিষ্ঠার মাধ্যমে কাজ করে কোটিপতি হওয়া যায়। জনাব আকিজের শৈশব : খুলনায় জন্মগ্রহণ করেন শেখ আকিজ উদ্দিন। তিনি তার বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান ছিলেন। ছেলে ভালো কিছু করবে এই আসায় আকিজ সাহেবের বাবা তাঁকে স্কুলে ভর্তি করিয়ে দিলেও তিনি খুব বেশি দিন স্কুলে যাননি। তাই তার বাবা তাঁকে ব্যবসায় লাগিয়ে দেন। পাশাপাশি তিনি তার বাবার দোকানেও সময় দিতেন। কিন্তু একদিন আকিজের বাবা তাঁকে বকাঝকা দিলে তার আকিজ রাগ করে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<table width="100%">
<tbody>
<tr>
<td align="left"><a href="https://bstandard.info/english/akij-group-their-journey-to-become-a-billionaire/" type="button" class="btn btn-info btn-md">Read it in English</a></td>
<td align="right"><a href="#" type="button" class="btn btn-link btn-lg">গবেষক এবং প্রতিবেদক: </a><a href="https://bstandard.info/author/fuad/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">তানজিল ফুয়াদ</a> <span style="font-weight: 400;"><a href="" type="button" class="btn btn-default btn-xs">ইসফাকুল কবির</a></span></td>
</tr>
</tbody>
</table>
<p><span style="font-weight: 400;">বাংলাদেশের অন্যতম সফল ব্যবসায়ী জনাব শেখ আকিজ উদ্দিন। আকিজ নামটির সাথে পরিচয় নেই এমন মানুষ বাংলাদেশে খুঁজে পাওয়া মুশকিল। তিনি উদাহরণ তৈরি করে গেছেন যে কীভাবে শূন্য থেকে শুধু সততা এবং নিষ্ঠার মাধ্যমে কাজ করে কোটিপতি হওয়া যায়। </span></p>
<p><strong>জনাব আকিজের শৈশব :</strong></p>
<p><span style="font-weight: 400;">খুলনায় জন্মগ্রহণ করেন শেখ আকিজ উদ্দিন। তিনি তার বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান ছিলেন। ছেলে ভালো কিছু করবে এই আসায় আকিজ সাহেবের বাবা তাঁকে স্কুলে ভর্তি করিয়ে দিলেও তিনি খুব বেশি দিন স্কুলে যাননি। তাই তার বাবা তাঁকে ব্যবসায় লাগিয়ে দেন। পাশাপাশি তিনি তার বাবার দোকানেও সময় দিতেন। কিন্তু একদিন আকিজের বাবা তাঁকে বকাঝকা দিলে তার আকিজ রাগ করে ট্রেনে করে কলকাতা চলে যান ।  তখন তার বয়স চিল মাত্র ১১। মিতব্যয়ী আকিজ অলস সময় পার করছিলেন শিয়ালদহ রেল স্টেশনে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">একদিন স্টেশনের পাশে আকিজ কমলা ফল দেখে তা খুচরা বিক্রি করার চিন্তা করলেন। শুরু হলো ফল বিক্রেতা আকিজের জীবনযাত্রা। ফলের ব্যবসায় করে আকিজ তিনশ রুপি জমাতে সক্ষম হন। কলকাতার ব্যবসার পরিবেশ ভালো না দেখে তিনি চলে যান পাকিস্তানের পেশওয়ারে। এবার পেশওয়ারের ব্যবসা শেষ করে মোট ৮,০০০ টাকা মূলধন নিয়ে খুলনায় ফিরে আসেন আকিজ।</span></p>
<p><strong>আকিজের বিড়ি উৎপাদন :</strong></p>
<p><span style="font-weight: 400;">দেশে এসেও ব্যবসার ভূত তার মাথা থেকে কেউ সরাতে পারেনি। বিড়ির প্রতি তার আগ্রহ থেকে তিনি ১৯৫২ সালে নিজেই বিড়ি উৎপাদন শুরু করেন। শুরুতে তিনি বিড়ি বানিয়ে তার বন্ধুদের খাওয়াতেন। এভাবে তিনি বাজারে প্রচলিত বিড়ির চেয়ে ভিন্ন স্বাদের বিড়ি তৈরিতে সক্ষম হন। শুরুতে তিন জন শ্রমিক নিয়ে বিড়ির ব্যবসা শুরু করেন।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">জনাব আকিজের ব্যবসায় ভালো করার অন্যতম পন্থাও ছিল তিনি কম দামে ক্রেতাদের ভালো পণ্য সরবরাহ করতেন। তাই তিনি বাজারের প্রচলিত বিড়ির দামের চেয়ে ১ টাকা কম রাখতেন।</span></p>
<p><strong>কীভাবে জনাব আকিজ তার ব্যবসা বড় করেনঃ</strong></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8477" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/11/image-01-24.jpg" alt="আকিজ গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা জনাব আকিজ কীভাবে তার ব্যবসা বিস্তৃত করেছেন।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">১৯৫৫ সালে তিনি বিড়ি উৎপাদনের জন্য সরকার থেকে অনুমোদন পান। ঠিক তার একবছর পর বড় পরিসরে ১৯৫৬ সাল থেকে ব্যাপক ভাবে আকিজ বিড়ি উৎপাদন শুরু করেন। পাশাপাশি তিনি মৌসুমি বিভিন্ন ব্যবসায় জড়িয়ে পরেন যেমন গুঁড়, পাট, সোল-বুট ইত্যাদি। জনাব আকিজের কথা ও কাজে মিল থাকায় এবং তার পণ্য ভালো হওয়ায় তিনি ক্রিসেন্ট জুট মিল থেকে পাট সরবরাহ করার কাজ পান।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বর্তমান সময়ের মত সে সময়ও ব্যবসায়িকরা তাদের পণ্য সরবরাহ করতে মধ্যস্থতাকারি দের সাহায্য নিতেন। এই ক্ষেত্রেও ব্যতিক্রম ছিলেন জনাব আকিজ। তার উৎপাদিত পণ্য সরবরাহ করতে তিনি নিজে বেবি ট্যাক্সি নিয়ে খুচরা বিক্রেতাদের কাছে পণ্য পৌঁছে দিতেন। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">১৯৬০ সালের দিকে তার উৎপাদিত বিড়ির চাহিদা বাড়তে থাকে। তাই তিনি খুলনায় ২০ বিঘা জমি এবং আরও ৫ টি বেবি ট্যাক্সি ক্রয় করতে সক্ষম হন। যার ফলে তিনি খুলনার পাশাপাশি তার আশেপাশের এলাকায় বিড়ির সরবরাহ শুরু করেন।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">জনাব আকিজের সফলতা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা আকবর আলি খান বলেছেন, ‘শেখ আকিজ উদ্দিন ৭৭ বছর বেঁচেছেন। তার মধ্যে ৬৮ বছর ব্যবসা করেছেন। তিন বছর পিতার সঙ্গে আর বাকি ৬৫ বছর একাই ব্যবসা করেছেন। তিনি একটির পর একটি ব্যবসা করে ১৭ টাকার পুঁজি থেকে শত শত কোটি টাকার একটি শিল্পসাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন।&#8217;</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8476" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/11/image-02-24.jpg" alt="আকিজ গ্রুপের একটি উদ্যোগ আকিজ ডেইলির ছবি।" width="1024" height="576" /></p>
<p><strong>১৯৭১-এর যুদ্ধের পর জনাব আকিজঃ</strong></p>
<p><span style="font-weight: 400;">যুদ্ধের পর দেশে হাহাকার বেড়ে যায় এবং দ্রব্য পণের দামও বেড়ে যায় কয়েক গুণ। যেসময় আকিজ উদ্দিন তার গমজাত পণ্য বিক্রি করে প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা লাভ করতে সক্ষম হন।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">এতদিন তিনি খুলনাও তার আশেপাশের এলাকাতে বিড়ি সরবরাহ করলেও  এবার তিনি ঢাকার বাজার ধরতে চান।  তৎকালীন ঢাকার আরমানিটোলা বিড়ি ব্যবসার কেন্দ্র ছিল। জনাব আকিজ সেখানে ব্যবসায়ীকদের মাঝে তার বিড়ি বিনা মূল্যে বিতরণ।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">তখনকার সময় ঢাকার বাজারে আকিজ বিড়ি অনেক জনপ্রিয় ছিল। তবে আকিজ বিড়ি স্বাদেও গন্ধে ভালো হওয়ায় ধীরে ধীরে তা জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করে। এছাড়া ১৯৭৬ সালে রেডিওতে প্রথম প্রচারিত বিড়ির বিজ্ঞাপন ছিল আকিজ বিড়ির। এবং সে বছর তার বিড়ির উৎপাদন প্রায় ৭০ লক্ষে এসে দাঁড়ায়।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">চামড়া ব্যবসায় তার বেশ আগ্রহ ছিল। তবে তার এই ক্ষেত্রে অনেক জ্ঞান না থাকায় তিনি তার মেজ ছেলেকে লেদার টেকনোলজি নিয়ে পড়াশোনা করতে পাঠান যুক্তরাজ্যে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">এরপর জনাব আকিজ একের পর এক বিভিন্ন কোম্পানি বিক্রির নিলামে অংশগ্রহণ করেন এবং কোম্পানি গুলো ক্রয়ের মাধ্যমে তার ব্যবসা বড় করেন। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">এছাড়া নব্বই এর দশকে তিনি বিড়ি ক্রেতাদের মাঝে ম্যাচের ব্যাপক চাহিদা দেখতে পেয়ে তিনি ম্যাচের উৎপাদন শুরু করেন। তাদের উৎপাদিত ডলফিন ব্রান্ডের ম্যাচ একসময় জনপ্রিয়তার শীর্ষে ছিল। ১৯৯২ সালে তিনি দ্বিতীয় বৃহত্তম পাট রপ্তানিকারকের স্বীকৃতি পেলে সে বছর তিনি  আকিজ জুট মিল প্রতিষ্ঠা করেন।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8475" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/11/image-03-17.jpg" alt="আকিজ গ্রুপের অধীন আকিজ জুট মিলস্ লিমিটেডের ছবি।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">জনাব আকিজের কোটিপতি হওয়ার গল্পের পেছনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও রহস্য অংশ তার ‘ট্রেডমার্ক’ স্কুটার। এই স্কুটি তার জীবনের এক পরিচিত ও প্রতীকী অধ্যায় হয়ে আছে। সাদামাটা জীবনযাপন করতে তিনি পছন্দ করতেন। তিনি নিজেকে তার সম্পদের কেয়ারটেকার মনে করতেন। তিনি সবসময় পরিবারে একটা কৃত্রিম সংকট রাখতেন।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বর্তমানে আকিজ গ্রুপের অধীনে টেক্সটাইল, সিমেন্ট, সিরামিক, খাদ্যপণ্য এবং আরও অনেক খাতে ব্যবসা আছে। প্রায় ৭০ হাজারের বেশি মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে তার প্রতিষ্ঠিত বিভিন্ন কোম্পানিতে।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8474" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/11/image-04-7.jpg" alt="আকিজ গ্রুপের অধীন প্রতিষ্ঠিত বিভিন্ন কোম্পানির চিত্র।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বাংলাদেশের এই কিংবদন্তি মারা যান ২০০৬ সালের ১০ অক্টোবর। তিনি ছিলেন উদার মনের মানুষ। জীবদ্দশায় প্রচুর সমাজসেবামূলক কাজও করেছেন। তার হাত ধরে দেশের অনেক দরিদ্র পরিবার তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পেরেছে। তার অবদান বাংলাদেশ কোনো দিনও ভুলবেনা।</span></p>
<p style="text-align: right;"><a href="https://bstandard.info/references00069/" target="_blank" rel="noopener"><em><strong>&#8220;তথ্যসূত্র&#8221;</strong></em></a></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bstandard.info/akij-group-their-journey-to-become-a-billionaire/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ভারতের গ্লোবাল আইকন রতন টাটা যেভাবে গড়লেন ‘টাটা গ্রুপ”</title>
		<link>https://bstandard.info/ratan-tata-the-remarkable-success-story-of-tata-group/</link>
					<comments>https://bstandard.info/ratan-tata-the-remarkable-success-story-of-tata-group/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজটেক স্ট্যান্ডার্ড]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 11 Nov 2024 05:43:48 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[এন্ট্রেপ্রেনিউরশিপ]]></category>
		<category><![CDATA[কোম্পানি ফরেনসিকস]]></category>
		<category><![CDATA[বিজ-মার্কেটিং]]></category>
		<category><![CDATA[স্টার্টআপ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://bstandard.info/?p=4182</guid>

					<description><![CDATA[বর্তমান সময়ে টাটা গ্রুপ নিত্য প্রয়োজনীয় সকল প্রকার পণ্যে তাদের অবদান রেখেছে। যখন আপনি গাড়িতে করে ট্র্যাভেল করেন টাটা মোটরস। যখন আপনি বিমানে ট্রাভেল করেন ভিস্তারা এয়ারলাইন্স অথবা এয়ার ইন্ডিয়া সবকিছুই টাটার অধীনে। বলতে গেলে টাটা গ্রুপ শুধু নিজেদের লাভের দিকে তাকায়নি তারা ভারতকে অর্থনৈতিক ভাবে শক্ত হতে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছে। মিস্টার রতন টাটা ১৯৬২ থেকেই টাটা গ্রুপের পারিবারিক ব্যবসায় জড়িয়ে পরেন। এর আগে তিনি আমেরিকাতে আর্কিটেকচার নিয়ে পড়াশোনা করছিলেন। টাটা গ্রুপের পক্ষ থেকে তার প্রথম কাজ ছিল ভারতের ঝাড়খণ্ডে জমশেদপুরে টাটার স্টিল তৈরি কারখানায়। &#160; রতন টাটা কে ১৯৭১ সালে ন্যাশনাল রেডিও এবং ইলেকট্রনিক্সের (নেলকো) দায়িত্ব পান। সে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<table width="100%">
<tbody>
<tr>
<td align="left"><a href="https://bstandard.info/english/ratan-tata-the-remarkable-success-story-of-tata-group/" type="button" class="btn btn-info btn-md">Read it in English</a></td>
<td align="right"><a href="#" type="button" class="btn btn-link btn-lg">গবেষক এবং প্রতিবেদক: </a><a href="https://bstandard.info/author/fuad/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">তানজিল ফুয়াদ</a> <a href="https://bstandard.info/author/isfaqul/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">ইসফাকুল কবির</a></td>
</tr>
</tbody>
</table>
<p><span style="font-weight: 400;">বর্তমান সময়ে টাটা গ্রুপ নিত্য প্রয়োজনীয় সকল প্রকার পণ্যে তাদের অবদান রেখেছে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">যখন আপনি গাড়িতে করে ট্র্যাভেল করেন টাটা মোটরস। যখন আপনি বিমানে ট্রাভেল করেন ভিস্তারা এয়ারলাইন্স অথবা এয়ার ইন্ডিয়া সবকিছুই টাটার অধীনে। বলতে গেলে টাটা গ্রুপ শুধু নিজেদের লাভের দিকে তাকায়নি তারা ভারতকে অর্থনৈতিক ভাবে শক্ত হতে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">মিস্টার রতন টাটা ১৯৬২ থেকেই টাটা গ্রুপের পারিবারিক ব্যবসায় জড়িয়ে পরেন। এর আগে তিনি আমেরিকাতে আর্কিটেকচার নিয়ে পড়াশোনা করছিলেন। টাটা গ্রুপের পক্ষ থেকে তার প্রথম কাজ ছিল ভারতের ঝাড়খণ্ডে জমশেদপুরে টাটার স্টিল তৈরি কারখানায়।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8400" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/11/image-01-13.jpg" alt="টাটা গ্রুপের লোগো, ভারতের অন্যতম বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠান।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">রতন টাটা কে ১৯৭১ সালে ন্যাশনাল রেডিও এবং ইলেকট্রনিক্সের (নেলকো) দায়িত্ব পান। সে সময় নেলকো রেডিও তৈরি করতো এবং মার্কেটে তাদের শেয়ার প্রায় ২ % নেমে আসে। ঠিক সেই সময় রতন টাটা বলেন যদি নেলকো বাঁচাতে চান তবে স্যাটেলাইটের মত আধুনিক যন্ত্রে বিনিয়োগ করতে হবে। রতন টাটার এই সিদ্ধান্তে ৩ বছরের মধ্যে নেলকোর মার্কেট শেয়ার ২০%-এ পরিণত হয়।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">রতন টাটার দ্বিতীয় অ্যাসাইনমেন্ট ছিল ইমপ্রেস মিল কে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা। তবে বিনিয়োগকারীদের অনীহা এবং মুম্বাইতে শ্রমিক ধর্মঘটের কারণে এ ধাক্কায় তিনি পাশ করতে পারেননি। তবে এত দিনে টাটা গ্রুপের সবাই বুঝে গিয়েছিল যে রতন টাটার হাতেই টাটা গ্রুপের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ। তাই ১৯৯১ সালে রতন টাটাকে বানানো হয় টাটা গ্রুপের চেয়ারম্যান।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8399" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/11/image-02-13.jpg" alt="রতন টাটা, টাটা গ্রুপের চেয়ারম্যান এবং ভারতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">চেয়ারম্যান হওয়ার পরে ১৯৯৫ সালে মিস্টার রতন গাড়ি নির্মাণে মনোযোগ দেন। যেখানে ডিজাইন থেকে উৎপাদন সম্পূর্ণ হবে ভারতে। সেই ভাবনা থেকে ১৯৯৮ সালে টাটা গ্রুপ তাদের প্রথম গাড়ি বাজারে আনে যার নাম ছিল TATA INDICA.</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">অটোমোবাইল ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ শেষের পরে মিস্টার টাটা নজর দেন টেকনোলজির দিকে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেস (টিসিএস ) শুরুতে ভারতীয় কোম্পানিগুলোকে প্রশাসনিক কাজে সাহায্য করতো। তবে মিস্টার টাটা এই কোম্পানির কাজ প্রশাসনিক কাজ থেকে সরিয়ে সফটওয়্যার সার্ভিস দেবার ক্ষেত্রে। যার ফলে টিসিএস ভারত এবং বিশ্বের বিভিন্ন কোম্পানির জন্য সফটওয়্যার তৈরির কাজ শুরু করে। বর্তমানে টিসিএস ভারতের সব থেকে বড় আইটি কোম্পানিতে পরিণত হয়েছে।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8398" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/11/image-03-6.jpg" alt="টাটা ন্যানো গাড়ি, ভারতের সর্বাধিক পরিচিত সস্তা গাড়ি মডেল।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">মিস্টার টাটা আবার তার মনোযোগ টাটা মোটরসে দেন। তিনি দেখেন ভারতের বেশিরভাগ মধ্যবিত্ত এবং নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবার একটা গাড়ি কিনতে পারেন না। একদিন তিনি দেখেন এক বাইকে পরিবারের চারজন বৃষ্টিতে ভিজে কোথাও যাচ্ছে। এই সমস্য সমাধানে টাটা মোটরস বাজারে নিয়ে আসে TATA NANO। কিন্তু এই প্রজেক্টটি সফলতার মুখ দেখেনি। কারণ ভারতে গাড়ি একটা আভিজাত্য সেখানে যারা টাটা নেনো কিনতো তারা মূলত সামাজিক ভাবে ছোট নজরে দেখা হতো। ওই দেখ সব থেকে সস্তা গাড়ির মালিক হিসেবে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">টাটার নেনো প্রজেক্ট ফেল হলেও এর মাধ্যমে টাটা ক্রেতার ব্যবহার সম্পর্কে সঠিক ধারণা পেয়েছে। বর্তমানে টাটা মোটারস টাটা গ্রুপের মধ্যে সব থেকে লাভজনক কোম্পানি।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">তবে মিস্টার টাটা এখানেই থেমে থাকেননি টাটা মোটরসে বিশ্ব দরবারে সমাদৃত করতে তিনি  জাগুয়অর ও ল্যান্ডরোভার- এর মত গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান কিনে নেন। এছাড়া টাটা ব্রিটিশ চা ব্র্যান্ড টেটলি ও আমেরিকান ব্রান্ড এইট ও ক্লক কিনে নেন। পাশাপাশি টাটা বিভিন্ন দেশের ভিন্ন ভিন্ন কোম্পানি নিজেদের নামে করে নেয়। যার ফলে বর্তমানে টাটা গ্রুপের বেশিরভাগ ইনকাম বহির্বিশ্ব থেকে আসে।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8397" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/11/image-04-3.jpg" alt="রতন টাটা পদ্মা ভূষণ পদক লাভ, ভারতের সর্বোচ্চ সম্মাননা পদকগুলির একটি।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">মিস্টার টাটা ভারতের অর্থনীতিতে অবদানের জন্য ভারত সরকারের থেকে ২ বার পদ্মা ভূষণ পদক লাভ করেন। টাটা গ্রুপ প্রায় বাজারের সবকিছুতে সফলতা দেখেছে। সেটা টাটা স্টিল হোক কিংবা টাটা মোটরস। মিস্টার টাটা বলেন, যদি দ্রুত যেতে চাও তবে একলা চলো, তবে বহু দূর যেতে চাইলে সবাইকে সাথে নিয়ে চল।  টাটা গ্রুপ সবসময় এই নীতির উপর ভর করে চলেছে। একদিকে যেমন টাটা বড়বড় কোম্পানি তৈরি করেছে অন্যদিকে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ড যেমন স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল নির্মাণে ভূমিকা রেখেছে। টাটা বিশ্বের লাভজনক কোম্পানির পাশাপাশি একটি সম্মানজনক অবস্থায় পৌঁছে গেছে। যেখানে সবাই মিস্টার রতন টাটাকে স্যার রতন টাটা বলে সম্মান প্রদান করতে স্বচ্ছন্দ্য প্রকাশ করে।</span></p>
<p style="text-align: right;"><a href="https://bstandard.info/references00058/" target="_blank" rel="noopener"><b><i>&#8220;তথ্যসূত্র&#8221;</i></b></a></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bstandard.info/ratan-tata-the-remarkable-success-story-of-tata-group/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>গৌতম আদানির যেভাবে একজন ব্যবসায় সফল উদ্যোক্তা</title>
		<link>https://bstandard.info/gautam-adani-an-innovative-businessman/</link>
					<comments>https://bstandard.info/gautam-adani-an-innovative-businessman/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজটেক স্ট্যান্ডার্ড]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 27 Oct 2024 04:08:57 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[এন্ট্রেপ্রেনিউরশিপ]]></category>
		<category><![CDATA[বিজ-মার্কেটিং]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://bstandard.info/?p=3436</guid>

					<description><![CDATA[গৌতম আদানি বর্তমানে বিশ্বের ২১ তম ধনী ব্যক্তি। তার বর্তমান অর্থের পরিমাণ ৮০ বিলিয়ন ডলার। মাঝে মাঝেই তিনি ভারতের আরেক ধনী মুকেশ আম্বানিকে পেছনে ফেলে এশিয়ার শীর্ষ ধনীর তকমা পেয়েছেন। এই ধনকুবের অধীনে আছে ভারতের ১৩ টি সমুদ্র বন্দর যার মধ্য দিয়ে ভারতের চার ভাগের এক ভাগ পণ্য আমদানি-রপ্তানি করা হয়। এদিকে আদানি কোন ধনী পরিবারের সন্তান না। তাহলে কিভাবে তিনি এক প্রজন্মে এই পাহাড়সম সম্পদ গড়লেন? গল্পের শুরু হয় ভারতের গুজরাট রাজ্যের আমদাবাদ শহরে। যেখানে জন্ম গ্রহণ করেন গৌতম আদানি। তবে আদানির পুরো নাম কিন্তু গৌতম শান্তিলাল আদানি। সাত ভাই বোনের পরিবারে আর্থিক টানাপড়েন লেগেই থাকতো। আদানির বাবার শাড়ি-কাপড়ের [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<table width="100%">
<tbody>
<tr>
<td align="left"><a href="https://bstandard.info/english/gautam-adani-an-innovative-businessman/" type="button" class="btn btn-info btn-md">Read it in English</a></td>
<td align="right"><a href="#" type="button" class="btn btn-link btn-lg">গবেষক এবং প্রতিবেদক: </a><a href="https://bstandard.info/author/fuad/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">তানজিল ফুয়াদ</a> <a href="https://bstandard.info/author/isfaqul/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">ইসফাকুল কবির</a></td>
</tr>
</tbody>
</table>
<p><span style="font-weight: 400;">গৌতম আদানি বর্তমানে বিশ্বের ২১ তম ধনী ব্যক্তি। তার বর্তমান অর্থের পরিমাণ ৮০ বিলিয়ন ডলার। </span><span style="font-weight: 400;">মাঝে মাঝেই তিনি ভারতের আরেক ধনী মুকেশ আম্বানিকে পেছনে ফেলে এশিয়ার শীর্ষ ধনীর তকমা পেয়েছেন। এই ধনকুবের অধীনে আছে ভারতের ১৩ টি সমুদ্র বন্দর যার মধ্য দিয়ে ভারতের চার ভাগের এক ভাগ পণ্য আমদানি-রপ্তানি করা হয়। এদিকে আদানি কোন ধনী পরিবারের সন্তান না। তাহলে কিভাবে তিনি এক প্রজন্মে এই পাহাড়সম সম্পদ গড়লেন?</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">গল্পের শুরু হয় ভারতের গুজরাট রাজ্যের আমদাবাদ শহরে। যেখানে জন্ম গ্রহণ করেন গৌতম আদানি। তবে আদানির পুরো নাম কিন্তু গৌতম শান্তিলাল আদানি। সাত ভাই বোনের পরিবারে আর্থিক টানাপড়েন লেগেই থাকতো। আদানির বাবার শাড়ি-কাপড়ের দোকান চালাতেন। আদানি স্কুল জীবন শেষ করেন আমদাবাদ শহরে। এরপর তিনি গুজরাট বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। কিন্তু ২য় বছর শেষ হতে না হতেই তিনি ভাগ্য বদলের চিন্তায় স্বপ্নের নগরী মুম্বাই চলে আসেন। আদানি প্রথম মুম্বাইতে পা রাখেন ১৯৭৮ তে। সে সময় তার কাছে বলার মত কিছুই ছিল না।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-7538" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/10/image-01-6.jpg" alt="উদ্যোক্তা ও শিল্পপতি গৌতম আদানির ছবি, যিনি আদানি গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা এবং ভারতের অন্যতম ধনী ব্যক্তি।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">কিন্তু আদানির চোখ সব সময় বড় কিছু করার ইচ্ছা ছিল। আদানিকে সে সময় ডায়মন্ড কাটিং এর </span><span style="font-weight: 400;">কাজে প্রবেশ করান তারই চাচাতো ভাই। টানা তিন বছর কাজ করার সুবাদে আদানি ডায়মন্ড এর মার্কেট সম্পর্কে বুঝে গেছেন। সাল ১৯৮১, আদানি এবার নিজেই ডায়মন্ড ব্রোকার এর ব্যবসায় লেগে পরেন। ব্রোকার হিসেবে তার প্রথম ইনকাম ছিল ১০ হাজার টাকা। তিনি ব্যবসাকে এবার আরো বড় করবেন। এমন সময় আদানির বড় ভাই মনসুখ আদানি তাকে ফোন করেন। মনসুখ তার প্লাস্টিক ফ্যাক্টরি জন্য সাহায্য চান। কিন্তু সে সময় পলিথিন তৈরির জন্য যে কাঁচামাল দরকার ছিল তার পর্যাপ্ত জোগান ছিল না ভারতে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">এই সুযোগ কাজে লাগান আদানি, তিনি নিজেই এবার বাহির থেকে প্লাস্টিকের কাঁচামাল কিনে পুরো ভারতে বিক্রি শুরু করেন। তবে সে সময় বাহির থেকে কিছু আমদানি করা এতটা সহজ ছিল না। এই সমস্যার সমাধান হয় যখন রাজিব গান্ধী ব্যবসায়িক দের জন্য আমদানি রপ্তানির আইন কানুন সহজ করে দেন। আদানি প্রথমবারের মত তার ট্রেডিং শুরু করেন।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">১৯৮৮ এ আদানি গ্রুপের প্রতিষ্ঠা করেন গৌতম আদানি। যার মাধ্যমে তিনি প্রবেশ করেন পণ্য ট্রেডিং ব্যবসায়, যেমন মধ্য প্রাচ্য থেকে তেল গ্যাস নিয়ে আসা। কিন্তু এই সমস্ত কিছু বাহির থেকে আমদানি করতে আদানি গ্রুপের অনেক টাকা কর প্রদান করতে হত। এই সমস্যা সমাধানে আদানি গুজরাট রাজ্য এক্সপোর্ট কর্পোরেশন থেকে সাহায্য চান। এই কোম্পানির সাথে মিলে আদানি গ্রুপ তাদের পণ্য আমদানি করতো যার ফলে তাদের এক টাকাও কর দিতে হতো না।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">এই পদক্ষেপ আদানির জীবন বদলে দেয়, যেখানে তারা মাত্র ১০০ মেট্রিক টন পণ্য আমদানি করতো কিছুদিন তা দাঁড়ায় ৪০ হাজার মেট্রিক টনে। তবে এখন আর আদানি গ্রুপ শুধু প্লাস্টিক তৈরি কাঁচামাল আমদানি করে না সাথে সাথে পেট্রোলিয়ম পণ্যও আমদানি শুরু করে। পাশাপাশি আদানি বিরাট বড় ট্রেডিং হাউস শুরু করে। যেটা বড় ধরণের ইতিবাচক ধাক্কা পায়। তখন ভারত সরকার লিবারেলাইজেশন নীতি চালু করে। যার মাধ্যমে আদানি বিশ্বের অন্যান্য দেশের কোম্পানির সাথে কাজ করার সুযোগ পায়।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">এর মাধ্যমেই আদানি প্রবেশ করেন ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইন্ডাস্ট্রির দুনিয়ায়। কিন্তু এই ধরনের বিজনেসে প্রবেশ করতে চাইলে প্রয়োজন রাজনৈতিক ব্যক্তি দের সাথে ভালো সম্পর্ক। সেই সময় থেকে আদানি ভালো সম্পর্ক তৈরির চেষ্টা করেন চামুন ভাই প্যাটেল এবং কেশু ভাই প্যাটেলের সাথে। পরবর্তীতে আদানি গ্রুপ হাত মিলায় কারগিল কোম্পানির সাথে বিদেশে লবণ রপ্তানির জন্য। কিন্তু এই বিশাল পরিমাণ লবণ রপ্তানির জন্য তাদের দরকার ছিল গভীর সমুদ্র বন্দর। যেখানে অন্যান্য দেশ থেকে আসা বড় বড় জাহাজ এসে পণ্য আনা নেওয়া করতে পারবে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">আদানির কাজের সাথে ভাগ্যও তার সঙ্গী হয়েছে। ঠিক সেই সময় ভারত সরকার দেশে বৈদেশিক মুদ্রা বাড়ানোর জন্য সরকার নিয়ন্ত্রিত কিছু সমুদ্র বন্দর ব্যক্তি মালিকায় রূপান্তর করতে চায়। তারই সূত্র ধরে আদানি </span><span style="font-weight: 400;">মুন্দ্রা </span><span style="font-weight: 400;"> সমুদ্র বন্দর কিনে নেয়। পাশাপাশি আমদানি-রপ্তানির ব্যবসায় পুরো দমে নেমে পরেন। তার কাছের বন্ধুর বলেন যে আদানি </span><span style="font-weight: 400;">মুন্দ্রা </span><span style="font-weight: 400;"> বন্দরকে খুব ভালোবাসেন কারণ ভারতে তার বিজনেস সাম্রাজ্যের যাত্রা শুরু হয় এখান থেকেই।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-7536" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/10/imge-02.jpg" alt="আদানির মুন্দ্রা বন্দর, যা ভারতের বৃহত্তম বেসরকারি বন্দর হিসেবে পরিচিত এবং বিশ্বব্যাপী বাণিজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">তবে আদানি এখানেই থেমে থাকেননি। তিনি তার </span><span style="font-weight: 400;">মুন্দ্রা </span><span style="font-weight: 400;"> বন্দরের পাশে তৈরি করেন স্পেশাল ইকনোমিক জোন (ইপিজেড) তৈরি করেন। যেখানে দেশ বিদেশের অনেক কোম্পানি তাদের বিজনেস শুরু করেন। এই কোম্পানির পণ্য রপ্তানির জন্য </span><span style="font-weight: 400;">মুন্দ্রা </span><span style="font-weight: 400;"> বন্দর ব্যবহার করতো। সেখান থেকেও ইনকাম হচ্ছিল আদানি গ্রুপের। সমুদ্র বন্দরের ব্যবসায় লাভের মুখ দেখায় আদানি ভারতের ১৩টি সমুদ্র বন্দর নিজের নামে করে নেয়। আর এই বন্দরের মধ্য দিয়েই ভারতের ৩০% কার্গো এবং ৪০% শিপিং কনটেইনার প্রবেশ করে। আর এর মাধ্যমেই বোঝা যায় বন্দর কেন্দ্রিক ব্যবসায় আদানির কতটা প্রভাব রয়েছে।</span><span style="font-weight: 400;"> </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">আদানি ধাপে ধাপে তার বিজনেসকে আগে বাড়িয়েছেন। (আদানির ইপিজেড) বেশ কিছু কয়লা ভিত্তিক কোম্পানি ছিল। সেখান থেকেই আদানি চিন্তাভাবনা করে নিজেই একটি তাপ ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করেন। এরই সঙ্গেই আদানি গ্রুপের আগমন ঘটে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবসায়। আদানির স্বপ্ন ছিল ৫০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করার। তারই ধারাবাহিকতায় ২০১১ সালে আদানি গ্রুপ ৪৬২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে ভারতকে তাক লাগিয়ে দেয়।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">আদানির এই তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে অনেক কয়লার প্রয়োজন ছিল। তাই তিনি ভাবলেন  তিনি নিজেই কয়লা উৎপাদন করবেন। সঙ্গে সঙ্গে আদানি নেমে পরলেন কয়লার খনির খোঁজে। আদানি কয়লা মাইনিং এর জন্য সাউথ আফ্রিকা, ইন্দোনেশিয়া এবং অস্ট্রেলিয়া বিনিয়োগ করে। এই কয়লা প্রক্রিয়াজাত করার পরে আদানী এন্টারপ্রাইজ  বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও কোম্পানির কাছে বিক্রি করেন। যেমন আদানী এন্টারপ্রাইজের ১৫% কয়লা যায় আদানি পাওয়ারের কাছে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">তবে আদানীর এই সফলতার পাশাপাশি কন্ট্রোভার্সি বা সমালোচনাও কম ছিল না। অনেকে বলে থাকে তার এই সফলতা হচ্ছে ক্রনিক ক্যাপিটালিজমের ফল। এটি এমন একটি তত্ত্ব যেখানে বলা হয় ব্যবসায়িক সফলতার পেছনের প্রধান প্রভাবক হিসেবে কাজ করেন রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ। ভারতের বিরোধী দলীয় নেতা বলেন আদানির সফলতার পেছনে হাত রয়েছে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। কিন্তু নরেন্দ্র মোদি মূলত তার রাজ্য গুজরাটের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্যই তিনি ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা চেয়েছিলেন।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">সমুদ্র বন্দরের পরে গৌতম আদানির নজর পড়ে বিমান বন্দরের দিকে।  ২০১৮ সালে ভারত তাদের কিছু বিমানবন্দর ৫০ সালের জন্য ব্যক্তি মালিকানায় হস্তান্তর করতে চায়। যার ফলে জয়পুর, লখনউ, আহমেদাবাদ সহ বেশ কিছু বিমান বন্দরের নিয়ন্ত্রণ পায় আদানি গ্রুপ। কিছু দিনের মধ্যেই আদানি গুপ ভারতের সবচেয়ে বড় বিমানবন্দর নিয়ন্ত্রণ কারক কোম্পানিতে পরিণত হয়।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">তবে আদানি তার জীবনের সবচেয়ে বড় ধাক্কা পান হিন্ডেনবার্গের রিপোর্ট প্রকাশের পর। যেখানে বলা হয়, আদানি স্টক নেতিবাচক ভাবে প্রভাবিত করেন। আদানি গ্রুপের শেয়ার এমন সব কোম্পানি কিনে নিতো যারা অস্তিত্ব শুধু কাগজ কলমেই। যে কোম্পানি গুলো নিয়ন্ত্রণ করতো আদানি পরিবারের সদস্যরা। এই রিপোর্ট প্রকাশের পরে রাতা-রাতি আদানি বিশ্বের তৃতীয় তম ধনী ব্যক্তির তালিকা থেকে ২৭ নম্বরে নামেন।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">এই ধাক্কাকে সামাল দিতে আদানি তার কোম্পানিরতে বিনিয়োগের জন্য বেশ কিছু বিদেশি কোম্পানিকে নিয়ে আসেন। যার ফলে আদানি গ্রুপে তার নিজ পরিবারের নিয়ন্ত্রণ কমে আসে। যার ফলে সাধারণ মানুষ এবং অন্যান্য বিনিয়োগ কোম্পানিও শক্তি পান আদানি গ্রুপে বিনিয়োগ করার ক্ষেত্রে। তাই তিনি আবার তার কোম্পানির অবস্থা পরিবর্তন করতে সক্ষম হন।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-7537" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/10/image-03-3.jpg" alt="গৌতম আদানির সমুদ্র বন্দর, যেখানে ট্রেডিং ব্যবসা, ইপিজেডে পাওয়ার সরবরাহ এবং কয়লা উত্তোলনের কার্যক্রম চলছে।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">আদানি যখনই কোনো বিজনেস শুরু করেন তিনি সেই বিজনেসের আসে পাশের সম্ভাবনার দিকে  তাকান। যেমন, পলিথিন বানানোর জন্য প্লাস্টিকের আমদানির সংকট ছিল, আদানি ট্রেডিং বিজনেসের সাথে যুক্ত হয়ে যান। ট্রেডিং করার জন্য সমুদ্র বন্দরের দরকার ছিল তিনি বন্দর সম্পর্কিত ব্যবসায় যুক্ত হলেন। বন্দর এর ইনকাম বাড়ানোর জন্য ইপিজেড তৈরি করলেন। ইপিজেডে পাওয়ার সরবরাহ করার জন্য বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করেন। আর বিদ্যুৎ কেন্দ্রে সরবরাহ করার জন্য কয়লার উত্তোলনের ব্যবসায় জড়িয়ে পরেন আদানি। এরপর বিমানবন্দর নিয়ন্ত্রণের ব্যবসায় নামেন আদানি।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">সোনার একটি গহনা তৈরির আগে যেমন সোনাকে খুব তাপ দেওয়া হয় ঠিক তেমন ভাবে গৌতম আদানিকে জীবনে অনেক কষ্ট কঠিন পরীক্ষা সহ্য করতে হয়েছে। কিন্তু তিনি জীবনের সবগুলো পরীক্ষায় সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়েছেন এবং নিজেকে নিয়ে গেছেন এক চরম উচ্চতায়। যার ফলে আজ গৌতম আদানির ব্যবসা পুরো বিশ্বে ছড়িয়ে গেছে</span></p>
<p style="text-align: right;"><a href="https://bstandard.info/references00032/" target="_blank" rel="noopener"><em><strong>&#8220;তথ্যসূত্র&#8221;</strong></em></a></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bstandard.info/gautam-adani-an-innovative-businessman/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
