<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>ব্র্যান্ডিং স্ট্রাটেজিস &#8211; BizTech Standard</title>
	<atom:link href="https://bstandard.info/category/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%9c-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%82/%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%82-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%b8/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://bstandard.info</link>
	<description>Inspiring Tech Needs for Business</description>
	<lastBuildDate>Tue, 31 Mar 2026 10:16:50 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>

<image>
	<url>https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/10/cropped-BIZTECH-icon-32x32.png</url>
	<title>ব্র্যান্ডিং স্ট্রাটেজিস &#8211; BizTech Standard</title>
	<link>https://bstandard.info</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>গ্রাহকের সাথে সংযোগ তৈরিতে ইমোশনাল ব্র্যান্ডিংয়ের ভূমিকা</title>
		<link>https://bstandard.info/how-emotional-branding-builds-strong-customer-connections/</link>
					<comments>https://bstandard.info/how-emotional-branding-builds-strong-customer-connections/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজটেক স্ট্যান্ডার্ড]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 21 Apr 2025 05:58:12 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ব্র্যান্ডিং স্ট্রাটেজিস]]></category>
		<category><![CDATA[বিজ-মার্কেটিং]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://bstandard.info/?p=7302</guid>

					<description><![CDATA[আচ্ছা, আমরা সকলেই কি ইমোশনাল ব্র্যান্ডিং সম্পর্কে জানি? নাম শুনে নিশ্চয়ই ভাবছেন- ইমোশনাল ব্র্যান্ডিং! এ আবার কি!  ইমোশনাল ব্র্যান্ডিং আসলে নতুন কিছু না। তীব্র প্রতিযোগিতামূলক এই বাজারে শুধু ভালো পণ্য বা পরিষেবা থাকলেই সফল হওয়া যায় না। সফল হতে চাইলে আপনাকে গ্রাহকের হৃদয়ে জায়গা করে নিতে হবে। আর ইমোশনাল ব্র্যান্ডিং ঠিক এই কাজটিই করে। এটি মূলত ব্র্যান্ডকে গ্রাহকের আবেগের সাথে গভীরভাবে যুক্ত করে। চলুন আজকের প্রতিবেদনে আমরা ইমোশনাল ব্র্যান্ডিং কি, কিভাবে কাজ করে এ বিষয়ে বিস্তারিত জেনে নেই। ইমোশনাল ব্র্যান্ডিং কি? ইমোশনাল ব্র্যান্ডিং বলতে এমন বিপণন কৌশলকে বোঝানো হয় যা ব্র্যান্ড এবং ভোক্তাদের মধ্যে মানসিক বন্ধন তৈরি করতে সাহায্য করে। [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<table width="100%">
<tbody>
<tr>
<td align="left"><a href="https://bstandard.info/english/how-emotional-branding-builds-strong-customer-connections/" type="button" class="btn btn-info btn-md">Read it in English</a></td>
<td align="right"><a href="#" type="button" class="btn btn-link btn-lg">গবেষক এবং প্রতিবেদক: </a><span style="font-weight: 400;"><a href="https://bstandard.info/author/shama/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">শামা সুলতানা</a></span> <span style="font-weight: 400;"><a href="https://bstandard.info/author/ayesha/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">আয়েশা আক্তার</a></span></td>
</tr>
</tbody>
</table>
<p><span style="font-weight: 400;">আচ্ছা, আমরা সকলেই কি ইমোশনাল ব্র্যান্ডিং সম্পর্কে জানি? নাম শুনে নিশ্চয়ই ভাবছেন- ইমোশনাল ব্র্যান্ডিং! এ আবার কি!  ইমোশনাল ব্র্যান্ডিং আসলে নতুন কিছু না। তীব্র প্রতিযোগিতামূলক এই বাজারে শুধু ভালো পণ্য বা পরিষেবা থাকলেই সফল হওয়া যায় না। সফল হতে চাইলে আপনাকে গ্রাহকের হৃদয়ে জায়গা করে নিতে হবে। আর ইমোশনাল ব্র্যান্ডিং ঠিক এই কাজটিই করে। এটি মূলত ব্র্যান্ডকে গ্রাহকের আবেগের সাথে গভীরভাবে যুক্ত করে। চলুন আজকের প্রতিবেদনে আমরা ইমোশনাল ব্র্যান্ডিং কি, কিভাবে কাজ করে এ বিষয়ে বিস্তারিত জেনে নেই।</span></p>
<p><b>ইমোশনাল ব্র্যান্ডিং কি?</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">ইমোশনাল ব্র্যান্ডিং বলতে এমন বিপণন কৌশলকে বোঝানো হয় যা ব্র্যান্ড এবং ভোক্তাদের মধ্যে মানসিক বন্ধন তৈরি করতে সাহায্য করে। এটি মূলত পণ্য বা পরিষেবার কার্যকরী সুবিধার বাইরে একজন ভোক্তার আবেগের কাছাকাছি  পৌঁছাতে চেষ্টা করে। সহজ ভাষায় বলতে গেলে, ইমোশনাল ব্র্যান্ডিং হলো একটি ব্র্যান্ড এবং এর গ্রাহকদের মধ্যে মানসিক সংযোগ তৈরির অনুশীলন। এই ধরনের ব্র্যান্ডিং গ্রাহকের সাথে কোম্পানির একটি শক্তিশালী বন্ধন তৈরি করে যার ফলে গ্রাহক ব্র্যান্ডের প্রতি নিজের আনুগত্য প্রদর্শন করে।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img fetchpriority="high" decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8291" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2025/04/image-01-12.jpg" alt="একজন ব্র্যান্ড মার্কেটার গ্রাহকের আবেগ বোঝার চেষ্টা করছে—ইমোশনাল ব্র্যান্ডিংয়ের মাধ্যমে সম্পর্ক গঠনের প্রতীকী চিত্র।" width="1024" height="576" /></p>
<p><b>কেনো ইমোশনাল ব্র্যান্ডিং গুরুত্বপূর্ণ?</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বর্তমানে ইমোশনাল  ব্র্যান্ডিং বেশ গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে  অন্য প্রতিযোগীদের থেকে নিজেদের আলাদা করতে এবং গ্রাহকদের উপর একটি স্থায়ী প্রভাব ফেলতে সাহায্য করে। অনলাইন- অফলাইনের এই বিশৃঙ্খল মার্কেটপ্লেসে, ভোক্তারা প্রতিটি মোড়ে বিজ্ঞাপন এবং বিপণন বার্তা দেখতে দেখতে একঘেয়েমি হয়ে গিয়েছে।  ইমোশনাল ব্র্যান্ডিং ব্যবসাগুলোকে এই বিশৃঙ্খল মার্কেটপ্লেসে হৃদয়ের এক গভীর স্তরে গ্রাহকদের সাথে সংযোগ করতে সহায়তা করে ৷</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8289" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2025/04/image-02-11.jpg" alt="একজন গ্রাহক একটি ব্র্যান্ডের সঙ্গে আবেগপূর্ণ সংযোগ অনুভব করছে—ইমোশনাল ব্র্যান্ডিংয়ের গুরুত্ব বোঝাতে চিত্রণ।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">শুধু তাই নয়, ইমোশনাল ব্র্যান্ডিং গ্রাহকের আনুগত্য এবং সমর্থন বাড়াতে সাহায্য করে। যখন গ্রাহকরা একটি ব্র্যান্ডের সাথে একটি শক্তিশালী মানসিক সংযোগ অনুভব করেন, তখন তারা সেই ব্র্যান্ডের প্রতি অনুগত থাকেন এবং অন্যদের কাছে সুপারিশ করেন। এর মাধ্যমে ধীরে ধীরে ব্র্যান্ড জনপ্রিয়তা লাভ করে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">সংবেদনশীল ব্র্যান্ডিংয়ের মূল উপাদানগুলোর মধ্যে একটি হল গল্প বলা। গ্রাহকদের মূল্যবোধ এবং আবেগের সাথে অনুরণিত আকর্ষণীয় গল্প বলার মাধ্যমে, ব্র্যান্ডগুলি তাদের লক্ষ্য দর্শকদের সাথে অর্থপূর্ণ সংযোগ তৈরি করতে পারে। গল্প বলার মাধ্যমে, ব্র্যান্ডগুলো তাদের ব্র্যান্ডের বার্তাটি এমনভাবে উপস্থাপন করতে পারে যা খাঁটি, আকর্ষক এবং স্মরণীয়।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">যেকোনো ব্র্যান্ডের মূল লক্ষ্য থাকে নিজেকে অন্যদের চেয়ে বেশ আলাদা হিসেবে গড়ে তোলার, ভোক্তা-কেন্দ্রিক ব্র্যান্ডে নিজেদের রুপান্তর করার। আর এই লক্ষ্য পূরণে ইমোশনাল ব্র্যান্ডিং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। উদাহরণস্বরূপ আমরা  অ্যাপল কোম্পানির কথা বলতে পারি। ব্র্যান্ডটি এখন আর ডিভাইসের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বরং এটি জীবনের একটি অংশে পরিণত হয়েছে। ভোক্তারা শুধু অ্যাপলের কোনো একটি পণ্য কিনছেন না; তারা অনুভূতি কিনছেন।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8288" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2025/04/image-03-8.jpg" alt="ইমোশনাল ব্র্যান্ডিংয়ের মাধ্যমে একটি ব্র্যান্ডের প্রতি গ্রাহকের আনুগত্য গড়ে উঠছে—আবেগভিত্তিক সম্পর্কের চিত্র।" width="1024" height="576" /></p>
<p><b>কোম্পানির মার্কেটিংয়ে ইমোশনাল ব্র্যান্ডিং প্রয়োগের কৌশল</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">আপনি যদি কোম্পানির বিপণন কৌশলে ইমোশনাল ব্র্যান্ডিং প্রয়োগ করতে চান, তবে আপনাকে গ্রাহকদের জন্য কোন আবেগগুলো আসলে সবচেয়ে কার্যকর তা নিয়ে বাজার গবেষণা করতে হবে। চলুন আমরা সংক্ষেপে ইমোশনাল ব্র্যান্ডিং প্রয়োগের কিছু কৌশল সম্পর্কে জেনে নেই-</span></p>
<ul>
<li style="font-weight: 400;" aria-level="1"><b>ব্র্যান্ডের গল্প বলা: </b><span style="font-weight: 400;"><span style="font-weight: 400;"><span style="font-weight: 400;">আপনি আপনার ব্র্যান্ডের আকর্ষণীয় গল্প বলার মাধ্যমে ভোক্তাদের সাথে সহজেই মানবিক সম্পর্ক তৈরি করতে পারবেন। সাধারণত সফল ব্র্যান্ডগুলো তাদের মিশন, মূল্যবোধ এবং গ্রাহকদের জীবনে প্রভাব সৃষ্টি করতে গল্প ব্যবহার করে। আপনার ব্র্যান্ডের জার্নির গল্প দর্শকদের সাথে আপনাকে মানবিক স্তরে সংযুক্ত করবে। এই গল্পটি দর্শকদের আবেগকে জাগিয়ে তুলবে, তা হোক অনুপ্রেরণা, নস্টালজিয়া কিংবা সুখ। একটা খাঁটি গল্প বিশ্বাস তৈরি করে। আপনাকে নিশ্চিত করতে হবে যে, ব্র্যান্ডের আখ্যানটি আসল এবং ব্র্যান্ডের মান ও লক্ষ্যের সাথে সংযুক্ত।</span></span></span></li>
<li style="font-weight: 400;" aria-level="1"><b>ব্র্যান্ড ব্যক্তিগতকরণ:</b><span style="font-weight: 400;"><span style="font-weight: 400;"> ব্র্যান্ডকে গ্রাহকের জন্য ব্যক্তিগত পছন্দ অনুসারে সাজাতে পারলে তা গ্রাহকের কাছে ব্র্যান্ডের গ্রহণযোগ্যতা অনেক বেশি বাড়ায়। যে সমস্ত ব্র্যান্ড দর্শকদের আবেগ-অনুভূতি, মানসিক চাহিদা বুঝতে পারে, তারা সহজেই দর্শকদের কাছে দ্রুত জনপ্রিয়তা লাভ করে। যেমন- নেটফ্লিক্স এবং স্পটিফাইয়ের মতো ব্র্যান্ডগুলো ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত পছন্দ অনুসারে সেবা প্রদান করে।</span></span></li>
<li style="font-weight: 400;" aria-level="1"><b>সামঞ্জস্যপূর্ণ ব্র্যান্ড মেসেজিং: </b><span style="font-weight: 400;"><span style="font-weight: 400;"><span style="font-weight: 400;">প্রকৃতপক্ষে, আবেগ ব্র্যান্ডের সামঞ্জস্যের কেন্দ্রবিন্দু। একটি সামঞ্জস্যপূর্ণ ভয়েস, টোন এবং ভিজ্যুয়াল পরিচয় ব্র্যান্ড স্বীকৃতি এবং মানসিক আবেদনকে শক্তিশালী করে। আপনাকে নিশ্চিত করতে হবে যে, আপনার ব্র্যান্ডের বিজ্ঞাপন, সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট যাতে একটি সামঞ্জস্যপূর্ণ সুর বজায় রাখে। এজন্য কোম্পানির লোগো নির্ধারণের সময় রং, নকশার দিকে গুরুত্ব দিতে হবে।</span></span></span></li>
<li><b>কমিউনিটি বিল্ডিং: </b><span style="font-weight: 400;">গ্রাহকেরা তাদের সামাজিক মূল্যবোধের সাথে সারিবদ্ধ এবং সমাজে ইতিবাচক অবদান রাখে এমন ব্র্যান্ডগুলির সাথে একটি শক্তিশালী সংযোগ অনুভব করে। সোশ্যাল মিডিয়া গ্রুপ, ইভেন্ট বা নানা ধরনের প্রোগ্রামের মাধ্যমে কমিউনিটি বিল্ডিং তৈরি করা যায়। এটি দর্শকদের মাঝে আত্মীয়তা এবং আনুগত্যের অনুভূতি জাগিয়ে তোলে।</span></li>
</ul>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8287" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2025/04/image-04-2.jpg" alt="একটি কোম্পানি তাদের মার্কেটিং কৌশলে ইমোশনাল ব্র্যান্ডিং প্রয়োগ করছে—গ্রাহকের অনুভূতিকে গুরুত্ব দেওয়ার চিত্র।" width="1024" height="576" /></p>
<p><b>ইমোশনাল ব্র্যান্ডিং এর প্রভাব</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">ইমোশনাল ব্র্যান্ডিং গ্রাহকদের সাথে একটি গভীর, মানসিক বন্ধন তৈরি করে, যা দীর্ঘমেয়াদী আনুগত্যকে উৎসাহিত করে। এই আনুগত্য স্থিতিস্থাপক, বাজার বা প্রতিযোগিতামূলক ল্যান্ডস্কেপের পরিবর্তনের মাধ্যমে স্থায়ী হয়। ব্র্যান্ড অ্যাডভোকেসি অনুগত গ্রাহকরা ব্র্যান্ড অ্যাডভোকেট হয়ে ওঠে, ব্র্যান্ডটিকে তাদের নেটওয়ার্কে এবং তার বাইরেও প্রচার করে। ইমোশনাল ব্র্যান্ডিং সাধারণত ব্র্যান্ডের সাথে গ্রাহকদের সংবেদনশীল সংযোগ দ্বারা চালিত হয়। এটি মূলত এমন একটি কৌশল  যার ফলে গ্রাহকেরা বারবার ওই ব্র্যান্ড থেকে কেনাকাটা করে এবং ব্র্যান্ডের সাথে দীর্ঘ সময়ের জন্য জড়িত থাকে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বর্তমান বিশ্বে ইমোশনাল ব্র্যান্ডিং- এর চাহিদা প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। কোম্পানিগুলো নিজেদের ব্যবসাকে অপরিহার্য করে তুলতে এবং তাদের ভোক্তাদের সাথে আজীবন সম্পর্ক স্থাপন করতে ইমোশনাল ব্র্যান্ডিংকে ব্যবহার করছে। তীব্র প্রতিযোগিতামূলক এই বাজারে টিকে থাকার জন্য যথাযথভাবে ইমোশনাল ব্র্যান্ডিং -এর কোনো বিকল্প নেই। </span></p>
<p style="text-align: right;"><a href="https://bstandard.info/references00206/" target="_blank" rel="noopener"><em><strong>&#8220;তথ্যসূত্র&#8221;</strong></em></a></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bstandard.info/how-emotional-branding-builds-strong-customer-connections/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বিকাশের মার্কেটিং কৌশল</title>
		<link>https://bstandard.info/the-innovative-marketing-strategy-of-bkash/</link>
					<comments>https://bstandard.info/the-innovative-marketing-strategy-of-bkash/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজটেক স্ট্যান্ডার্ড]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 19 Feb 2025 03:52:04 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ব্র্যান্ডিং স্ট্রাটেজিস]]></category>
		<category><![CDATA[বিজ-মার্কেটিং]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://bstandard.info/?p=6332</guid>

					<description><![CDATA[বিকাশ বাংলাদেশের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) খাতে শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান। দেশের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ২০১১ সালে যাত্রা শুরু করা বিকাশ। ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড এর উদ্যোগে, বাজারে বিকাশের মতো আরও অনেক (এমএফএস) প্রতিষ্ঠান থাকলেও বিকাশ তার ভিন্ন ধারার মার্কেটিং এর মাধ্যমে দেশের মানুষের কাছে একটি আস্থার জায়গা তৈরি করে নিয়েছে। বিকাশের সাফল্যের পেছনে তাদের সুপরিকল্পিত এবং কার্যকর মার্কেটিং কৌশল রয়েছে। যা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে এই আর্টিকেলে। ১. ব্র্যান্ডিং এবং সচেতনতা বৃদ্ধি বিকাশ তার ব্র্যান্ডিং কৌশলে গ্রাহকদের আস্থা অর্জন এবং সেবার সুবিধাসমূহ তুলে ধরতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তারা গণমাধ্যমে বিজ্ঞাপন, সোশ্যাল মিডিয়া প্রচারণা এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে তাদের সেবা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<table width="100%">
<tbody>
<tr>
<td align="left"><a href="https://bstandard.info/english/the-innovative-marketing-strategy-of-bkash/" type="button" class="btn btn-info btn-md">Read it in English</a></td>
<td align="right"><a href="#" type="button" class="btn btn-link btn-lg">গবেষক এবং প্রতিবেদক: </a><a href="https://bstandard.info/author/fuad/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">তানজিল ফুয়াদ</a> <a href="https://bstandard.info/author/isfaqul/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">ইসফাকুল কবির</a></td>
</tr>
</tbody>
</table>
<p><span style="font-weight: 400;">বিকাশ বাংলাদেশের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) খাতে শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান। দেশের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ২০১১ সালে যাত্রা শুরু করা বিকাশ। ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড এর উদ্যোগে, বাজারে বিকাশের মতো আরও অনেক (এমএফএস) প্রতিষ্ঠান থাকলেও বিকাশ তার ভিন্ন ধারার মার্কেটিং এর মাধ্যমে দেশের মানুষের কাছে একটি আস্থার জায়গা তৈরি করে নিয়েছে। বিকাশের সাফল্যের পেছনে তাদের সুপরিকল্পিত এবং কার্যকর মার্কেটিং কৌশল রয়েছে। যা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে এই আর্টিকেলে।</span></p>
<p><b>১. ব্র্যান্ডিং এবং সচেতনতা বৃদ্ধি</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বিকাশ তার ব্র্যান্ডিং কৌশলে গ্রাহকদের আস্থা অর্জন এবং সেবার সুবিধাসমূহ তুলে ধরতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তারা গণমাধ্যমে বিজ্ঞাপন, সোশ্যাল মিডিয়া প্রচারণা এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে তাদের সেবা সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করে, যা গ্রাহকদের মধ্যে বিকাশের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস বৃদ্ধি করে। কোভিড-১৯ মহামারির সময়, বিকাশের মাধ্যমে দ্রুত আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার জন্য সরকারের উদ্যোগগুলো সাধারণ মানুষের কাছে বিকাশের গ্রহণযোগ্যতা বাড়িয়েছে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায় ব্র্যাক বিকাশের মাধ্যমে ৭,২৫০ জন প্রবাসী কর্মীকে জরুরি সহায়তা হিসেবে ৩ কোটি টাকা প্রদান করেছে।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8006" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2025/02/image-01-15.jpg" alt="বিকাশের ব্র্যান্ডিং এবং সচেতনতা বৃদ্ধির কার্যকর কৌশল।" width="1024" height="576" /></p>
<p><b>২. সেবা বৈচিত্র্যকরণ</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বিকাশ তার সেবার পরিসর ক্রমাগত বৃদ্ধি করে চলেছে। শুরুতে শুধু টাকা পাঠানোর সেবা প্রদান করলেও, বর্তমানে মোবাইল রিচার্জ, বিল পেমেন্ট, অনলাইন শপিং পেমেন্ট, সঞ্চয় এবং ঋণ সেবা ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত করেছে। সেবার এই বৈচিত্র্যকরণ গ্রাহকদের বিভিন্ন প্রয়োজন মেটাতে সহায়তা করে এবং বাজারে বিকাশের অবস্থানকে সুদৃঢ় করে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">শুধু তাই নয়, বিকাশ মানুষের কাছে এখন আস্থার নাম। কারণ বিকাশ তাদের হাতের মুঠোয় পুরো ব্যাংকিং সেক্টর টা নিয়ে এসেছে। এখন, দেশের বেশির ভাগ ব্যাংক থেকেই সরাসরি টাকা বিকাশে নিয়ে আসা যায়। চাইলে বিকাশ থেকে ব্যাংক-এ টাকা রাখাও যায়। সব থেকে বড় ব্যপার হলো, আপনি ব্যাংক-এ যাযা করতে পারবেন টা সবই সম্ভব বিকাশের মাধ্যমে যেমন, মাসিক কিস্তির মাধ্যমে টাকা জমানো। বিকাশ ২০২৩ সালে তাদের নতুন একটি সেবা চালু করেছে &#8220;বিকাশ মিনি লোন&#8221; নামে, যেখানে গ্রাহকরা সহজেই ৫০০-২০,০০০ টাকার ঋণ নিতে পারেন। </span></p>
<p><b>৩. প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বিকাশ তার অ্যাপ্লিকেশন এবং সেবা ব্যবস্থায় নিয়মিত প্রযুক্তিগত উন্নয়ন করে আসছে। সহজ এবং ব্যবহারকারী-বান্ধব ইন্টারফেস, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং দ্রুত লেনদেনের সুবিধা প্রদান করে গ্রাহকদের সন্তুষ্টি নিশ্চিত করে আসছে বিকাশ। এছাড়াও, ডিজিটাল ব্র্যান্ডিং এর দিকে বিকাশ বিশেষ মনোযোগ দিয়েছে। তারা প্রতিটি বাংলাদেশের বেশির ভাগ মানুষের কাছে পৌঁছাতে পেরেছে শুধু এই মার্কেটিং এর মাধ্যমে। বেশ কিছু পরিচিত মুখ নিয়ে তারা টিভি বিজ্ঞাপন বানিয়েছে। যার ফলে মানুষ বিকাশ কে অনেক বেশি আপন আপন ভাবতে শুরু করেছে। এছাড়া বিকাশ ২০২২ সালে &#8220;ডাবল ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন&#8221; চালু করে, যা গ্রাহক দের মাঝে বিকাশের প্রতি আরও আস্থা বাড়িয়েছে।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8005" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2025/02/image-02-14.jpg" alt="বিকাশের প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন ডিজিটাল লেনদেনকে আরও সহজ ও নিরাপদ করেছে।" width="1024" height="576" /></p>
<p><b>৪. অংশীদারিত্ব এবং সম্প্রসারণ</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">২০২৩ সালে বিকাশ এবং ফেসবুক একসাথে একটি ক্যাম্পেইন চালু করে, যেখানে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা বিকাশ পেমেন্ট গ্রহণ করে। যা সেই ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী দের ব্যবসায়িক লেনদেন আরও সহজ করে দিয়েছে। বিকাশ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, যেমন ব্যাংক, ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম এবং ইউটিলিটি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের সাথে অংশীদারিত্ব স্থাপন করেছে। এতে করে গ্রাহকরা এক প্ল্যাটফর্মেই বিভিন্ন সেবা গ্রহণ করতে পারেন, যা তাদের সময় এবং খরচ সাশ্রয় করে। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">অন্যদিকে বিকাশ ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেস সহ সোনালী ব্যাংক পিএলসি, ব্র্যাক ব্যাংক, সিটি ব্যাংক সহ দেশের প্রায় ২০ টিরও বেশি ব্যাংক এর থেকে বিকাশে সরাসরি টাকা লেনদেন করা যায়। </span></p>
<p><b>৫. গ্রাহককেন্দ্রিক প্রচারণা</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বিকাশ তার মার্কেটিং কৌশলে গ্রাহকদের প্রয়োজন এবং অভ্যাসকে গুরুত্ব দেয়। বিভিন্ন সময়ে অফার, ক্যাশব্যাক এবং প্রচারণার মাধ্যমে গ্রাহকদের আকৃষ্ট করে এবং তাদের লেনদেনের পরিমাণ বৃদ্ধি করে। যেমন বিকাশের মধ্যমে বিল পেমেন্টে করলে ২০% ক্যাশব্যাক-এর মতো প্রচারণা গ্রাহকদের আগ্রহ বাড়িয়েছে। বিকাশ দেশের গ্রাম বাংলার মানুষের কাছে আরও আস্থার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে এর কারণ শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষাবৃত্তি। এছাড়া সরকারের তরফ থেকে যে শিক্ষা বৃত্তি আসছে গ্রামের অসহায় মানুষের কাছে তাও মানুষের কাছে পৌঁছায় এই বিকাশের মাধ্যমেই। তাই ধীরে ধীরে বিকাশ  তাদের কাছে আপন হয়ে উঠেছে।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8004" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2025/02/image-03-9.jpg" alt="বিকাশের গ্রাহককেন্দ্রিক প্রচারণা তাদের সেবা গ্রহণে ব্যবহারকারীদের উৎসাহিত করছে।" width="1024" height="576" /></p>
<p><b>৬. সামাজিক দায়বদ্ধতা কার্যক্রম</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">প্রতিটি কর্পোরেট কোম্পানির সামাজিক কিছু দায়বদ্ধতা থাকে। যেটাকে কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা  বা সিএসআর নামে সব কোম্পানির কাছে পরিচিত। দেশের অন্যন্য প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সামাজিক দায়বদ্ধতা নিয়ে সচেতন না। তবে এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম বিকাশ, তারা সামাজিক দায়বদ্ধতার নীতিমালা অনুসরণ করে চলে। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। চিকিৎসা, শিক্ষা খাতে অনন্য রেখে আসাছে বিকাশ। এরই অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ, বিকাশ ২০২২ সালে &#8216;বেস্ট সিএসআর ইন এডুকেশন&#8217; পুরস্কার অর্জন করে দ্য ডেইলি স্টার এবং সিএসআর উইন্ডো বাংলাদেশের পক্ষ থেকে।  এছাড়াও, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সাথে অংশীদারিত্বে অসহায় মানুষদের নিকট ভাতা বিতরণ কার্যক্রমে সহায়তা প্রদান করেছে। এছাড়া বিকাশ আরও বিভিন্ন সামাজিক দায়বদ্ধতা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে, যা তাদের ব্র্যান্ড ইমেজকে আরও সুদৃঢ় করে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় তাদের অবদান সাধারণ মানুষের কাছে তাদের গ্রহণযোগ্যতা বাড়িয়েছে। এইতো ২০২৪ সালের বন্যাকবলিত এলাকায় ত্রাণ সহায়তা প্রদান করেছে বিকাশ। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বিকাশের সুপরিকল্পিত মার্কেটিং কৌশল, সেবা, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন, অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণ, গ্রাহককেন্দ্রিক প্রচারণা এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা কার্যক্রম তাদের সাফল্যের মূল চাবিকাঠি। এই কৌশলগুলো অনুসরণ করে বিকাশ বাংলাদেশের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস খাতে তার শীর্ষস্থান বজায় রেখেছে।</span></p>
<p style="text-align: right;"><a href="https://bstandard.info/references00163/" target="_blank" rel="noopener"><em><strong>&#8220;তথ্যসূত্র&#8221;</strong></em></a></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bstandard.info/the-innovative-marketing-strategy-of-bkash/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ব্যবসায় ব্র্যান্ডিং: কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ?</title>
		<link>https://bstandard.info/why-branding-is-important-in-business/</link>
					<comments>https://bstandard.info/why-branding-is-important-in-business/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজটেক স্ট্যান্ডার্ড]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 06 Feb 2025 04:33:22 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ব্র্যান্ডিং স্ট্রাটেজিস]]></category>
		<category><![CDATA[বিজ-মার্কেটিং]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://bstandard.info/?p=6125</guid>

					<description><![CDATA[আজকের প্রতিযোগিতামূলক বাজারে একটি সফল ব্যবসা গড়ে তুলতে শুধু পণ্য বা সেবা ভালো হওয়া যথেষ্ট নয়। গ্রাহকের মনে জায়গা করে নেওয়া, তাদের আস্থা অর্জন করা এবং দীর্ঘমেয়াদে ব্যবসা টিকিয়ে রাখার জন্য ব্র্যান্ডিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্র্যান্ড হল এমন একটি পরিচয় যা আপনার ব্যবসার মান, উদ্দেশ্য এবং ভিশনকে তুলে ধরে। আপনি যদি চান আপনার ব্যবসা একটি শক্তিশালী ব্র্যান্ড হিসেবে দাঁড়িয়ে থাকুক, তাহলে সঠিক পরিকল্পনা এবং কৌশল প্রয়োজন। ব্র্যান্ড আইডেন্টিটি ও ব্র্যান্ড ইমেজের পার্থক্য অনেকেই মনে করেন ব্র্যান্ড আইডেন্টিটি এবং ব্র্যান্ড ইমেজ একই জিনিস। আসলে তা নয়। ব্র্যান্ড আইডেন্টিটি হলো ব্যবসা হিসেবে আপনি যা দেখাতে চান—আপনার লোগো, কালার স্কিম, ট্যাগলাইন এবং পণ্যের বৈশিষ্ট্য। [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<table width="100%">
<tbody>
<tr>
<td align="left"><a href="https://bstandard.info/english/why-branding-is-important-in-business/" type="button" class="btn btn-info btn-md">Read it in English</a></td>
<td align="right"><a href="#" type="button" class="btn btn-link btn-lg">গবেষক এবং প্রতিবেদক: </a><span style="font-weight: 400;"><a href="https://bstandard.info/author/shama/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">শামা সুলতানা</a></span> <a href="https://bstandard.info/author/isfaqul/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">ইসফাকুল কবির</a></td>
</tr>
</tbody>
</table>
<p><span style="font-weight: 400;">আজকের প্রতিযোগিতামূলক বাজারে একটি সফল ব্যবসা গড়ে তুলতে শুধু পণ্য বা সেবা ভালো হওয়া যথেষ্ট নয়। গ্রাহকের মনে জায়গা করে নেওয়া, তাদের আস্থা অর্জন করা এবং দীর্ঘমেয়াদে ব্যবসা টিকিয়ে রাখার জন্য ব্র্যান্ডিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্র্যান্ড হল এমন একটি পরিচয় যা আপনার ব্যবসার মান, উদ্দেশ্য এবং ভিশনকে তুলে ধরে। আপনি যদি চান আপনার ব্যবসা একটি শক্তিশালী ব্র্যান্ড হিসেবে দাঁড়িয়ে থাকুক, তাহলে সঠিক পরিকল্পনা এবং কৌশল প্রয়োজন।</span></p>
<p><b>ব্র্যান্ড আইডেন্টিটি ও ব্র্যান্ড ইমেজের পার্থক্য</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">অনেকেই মনে করেন <a href="https://bstandard.info/starbucks-premium-experience-strategy-boosting-customer-loyalty-and-retention/">ব্র্যান্ড আইডেন্টিটি</a> এবং ব্র্যান্ড ইমেজ একই জিনিস। আসলে তা নয়। ব্র্যান্ড আইডেন্টিটি হলো ব্যবসা হিসেবে আপনি যা দেখাতে চান—আপনার লোগো, কালার স্কিম, ট্যাগলাইন এবং পণ্যের বৈশিষ্ট্য। অন্যদিকে, ব্র্যান্ড ইমেজ হলো গ্রাহকের মনে আপনার ব্র্যান্ডের সম্পর্কে গড়ে ওঠা ধারণা। উদাহরণস্বরূপ, অ্যাপলের লোগো, স্লোগান &#8220;এখনই সময় বদলে দেওয়ার&#8221; এবং প্রিমিয়াম ডিজাইন তার ব্র্যান্ড আইডেন্টিটি। কিন্তু এটি ব্যবহারকারীর মনে উদ্ভাবনী ও উচ্চমানসম্পন্ন পণ্যের ভাবমূর্তি তৈরি করেছে, যা হলো ব্র্যান্ড ইমেজ।</span></p>
<p><img decoding="async" class="aligncenter wp-image-6140 size-full" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2025/02/Why-Branding-is-Important-in-Business-01.jpg" alt="ব্যবসা সফল করতে ব্র্যান্ড আইডেন্টিটি ও ব্র্যান্ড ইমেজের মধ্যে পার্থক্য বুঝতে হবে, যা আপনার প্রতিষ্ঠানের পরিচিতি ও ভাবমূর্তি গড়তে সাহায্য করবে।" width="1024" height="576" /></p>
<p><b>কীভাবে শক্তিশালী ব্র্যান্ড গড়ে তুলবেন?</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">আপনার ব্যবসার জন্য একটি শক্তিশালী ব্র্যান্ড গড়ে তোলার জন্য নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করতে পারেন:</span></p>
<p><b>১. ভিশন ও উদ্দেশ্য স্পষ্ট করুন:</b><b><br />
</b><span style="font-weight: 400;">আপনার ব্যবসার উদ্দেশ্য এবং লক্ষ্য কী, সেটি আগে নির্ধারণ করুন। গ্রাহকদের জানাতে হবে কেন আপনি এই ব্যবসাটি করছেন এবং আপনার পণ্য বা সেবার বিশেষত্ব কী। আপনার এই ব্যবসায় আসার উদ্দেশ্য কি? তা স্পষ্ট করুন, এর ফলে মানুষের আস্থা বারবে আপনার ব্র্যান্ডের উপর। </span></p>
<p><b>২. একটি সুন্দরও সহজ লোগো ও ট্যাগলাইন তৈরি করুন:</b><b><br />
</b><span style="font-weight: 400;">আপনার ব্র্যান্ডকে চিনতে সাহায্য করে এমন একটি আকর্ষণীয় লোগো এবং সহজে মনে থাকার মতো ট্যাগলাইন তৈরি করুন। উদাহরণস্বরূপ, &#8220;নাইকির, সিগনেচার লোগো এবং স্লোগান &#8220;জাস্ট ডু ইট&#8221; তাদের ব্র্যান্ডকে সবার কাছে পরিচিত করেছে।</span></p>
<p><b>৩. ভিজ্যুয়াল ব্র্যান্ডিং বজায় রাখুন:</b><b><br />
</b><span style="font-weight: 400;">আপনার লোগো, কালার স্কিম এবং টাইপোগ্রাফি সমস্ত প্ল্যাটফর্মে একই রাখুন। এটি আপনার ব্র্যান্ডের প্রতি একটি আস্থার ধারাবাহিকতা তৈরি করবে এবং গ্রাহকদের মনে সহজেই স্থায়ী হতে সাহায্য করে।</span></p>
<p><b>৪. গল্প বলুন:</b><b><br />
</b><span style="font-weight: 400;">আপনার ব্র্যান্ডের একটি কাল্পনির বা বাস্তব কিন্তু মানুষের মনে লাগে এমন একটি গল্প তৈরি করুন যা গ্রাহকদের সাথে আবেগপূর্ণ সংযোগ তৈরি করবে। উদাহরণস্বরূপ, &#8220;এয়ারবিএনবি&#8221; তার ব্র্যান্ডের মাধ্যমে বলেছে কীভাবে তারা ভ্রমণকারীদের একটি বাড়ির মতো অনুভূতি দেয়।</span></p>
<p><b>৫. গ্রাহকের মতামতকে গুরুত্ব দিন:</b><b><br />
</b><span style="font-weight: 400;">গ্রাহকদের প্রতিক্রিয়া শুনুন এবং তাদের চাহিদা অনুযায়ী আপনার ব্র্যান্ডকে উন্নত করুন। গ্রাহকের সন্তুষ্টি একটি ব্র্যান্ডকে দীর্ঘস্থায়ী করতে সাহায্য করে।</span></p>
<p><img decoding="async" class="aligncenter wp-image-6139 size-full" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2025/02/Why-Branding-is-Important-in-Business-02.jpg" alt="ব্যবসা সফল করতে গ্রাহকের মতামতকে গুরুত্ব দিন, কারণ তাদের প্রতিক্রিয়া আপনার সেবা ও পণ্যকে উন্নত করতে সহায়তা করে। " width="1024" height="576" /></p>
<p><b>সফল ব্র্যান্ডের উদাহরণ</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">&#8220;স্টারবাকস&#8221; শুধুমাত্র কফি বিক্রি করে না; এটি একটি অভিজ্ঞতা দেয়। তাদের দোকানের সাজসজ্জা, পরিবেশ এবং মানসম্মত পণ্য সব মিলিয়ে স্টারবাকস একটি ব্র্যান্ড ইমেজ তৈরি করেছে যা তাদের প্রতিযোগীদের থেকে আলাদা করেছে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">অন্যদিকে কোকা-কোলা তাদের ব্র্যান্ডিং স্লোগান এমন ভাবে তৈরি  করেছে যেন তারা সমাজের তরুণদের টার্গেট করতে পারে। তাই অনেকের মতে কোকা-কোলা শুধু কোক বিক্রি করেনা তারা সুখ, উচ্ছাস, উল্লাস বিক্রি করে।</span><b>  </b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">একটি সফল ব্র্যান্ড গড়ে তোলা একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। সঠিক পরিকল্পনা, গ্রাহকদের চাহিদার প্রতি মনোযোগ এবং ধারাবাহিক প্রচেষ্টা আপনার ব্যবসাকে একটি শক্তিশালী ব্র্যান্ডে রূপান্তরিত করতে পারে। মনে রাখবেন, ব্র্যান্ডিং শুধুমাত্র একটি লোগো বা নাম নয়, এটি একটি শক্তিশালী বার্তা যা আপনার ব্যবসাকে সংজ্ঞায়িত করে।</span></p>
<p style="text-align: right;"><a href="https://bstandard.info/references00153/" target="_blank" rel="noopener"><em><strong>&#8220;তথ্যসূত্র&#8221;</strong></em></a></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bstandard.info/why-branding-is-important-in-business/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>স্টারবাকসের ‘প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতা’ কৌশল : গ্রাহক ধরে রাখার মাস্টারপ্ল্যান</title>
		<link>https://bstandard.info/starbucks-premium-experience-strategy-boosting-customer-loyalty-and-retention/</link>
					<comments>https://bstandard.info/starbucks-premium-experience-strategy-boosting-customer-loyalty-and-retention/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজটেক স্ট্যান্ডার্ড]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 28 Jan 2025 05:45:36 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ব্র্যান্ডিং স্ট্রাটেজিস]]></category>
		<category><![CDATA[বিজ-মার্কেটিং]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://bstandard.info/?p=6007</guid>

					<description><![CDATA[বিশ্বব্যাপী পানীয় হিসেবে কফির আলাদা কদর রয়েছে। সকালে ঘুম থেকে উঠে কিংবা অফিসে কাজের প্রেশারের মাঝে অথবা ব্যস্তময় কর্মদিবসের শেষে ক্লান্তি থেকে মুক্তি পেতে অনেকেই কফির উপর নির্ভরশীল। কারো কাছে কফি আবার মন ভালো করার ওষুধ। উন্নত জাতের কফি বিন থেকে তৈরি কফির রয়েছে আলাদা স্বাদ ও চাহিদা। সেই সাথে রয়েছে উচ্চমূল্য। কিন্তু কফিপ্রেমীরা চড়া দামেই সেসব কফির স্বাদ গ্রহণ করেন। আমাদের দেশে চায়ের কদর বেশি হলেও ইউরোপ, আমেরিকায় মানুষের কাছে কফির চাহিদা অনেক বেশি। কফির এই চাহিদার কারণে এসব দেশে বহুকাল আগে থেকেই কফি বিন বিক্রির জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছিল। তাছাড়া, বিভিন্ন উদ্যোক্তা একক বা যৌথভাবে কফি হাউজ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<table width="100%">
<tbody>
<tr>
<td align="left"><a href="https://bstandard.info/english/starbucks-premium-experience-strategy-boosting-customer-loyalty-and-retention/" type="button" class="btn btn-info btn-md">Read it in English</a></td>
<td align="right"><a href="#" type="button" class="btn btn-link btn-lg">গবেষক এবং প্রতিবেদক: </a><a href="https://bstandard.info/author/fuad/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">তানজিল ফুয়াদ</a> <span style="font-weight: 400;"><a href="https://bstandard.info/author/ayesha/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">আয়েশা আক্তার</a></span></td>
</tr>
</tbody>
</table>
<p><span style="font-weight: 400;">বিশ্বব্যাপী পানীয় হিসেবে কফির আলাদা কদর রয়েছে। সকালে ঘুম থেকে উঠে কিংবা অফিসে কাজের প্রেশারের মাঝে অথবা ব্যস্তময় কর্মদিবসের শেষে ক্লান্তি থেকে মুক্তি পেতে অনেকেই কফির উপর নির্ভরশীল। কারো কাছে কফি আবার মন ভালো করার ওষুধ। উন্নত জাতের কফি বিন থেকে তৈরি কফির রয়েছে আলাদা স্বাদ ও চাহিদা। সেই সাথে রয়েছে উচ্চমূল্য। কিন্তু কফিপ্রেমীরা চড়া দামেই সেসব কফির স্বাদ গ্রহণ করেন। আমাদের দেশে চায়ের কদর বেশি হলেও ইউরোপ, আমেরিকায় মানুষের কাছে কফির চাহিদা অনেক বেশি।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">কফির এই চাহিদার কারণে এসব দেশে বহুকাল আগে থেকেই কফি বিন বিক্রির জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছিল। তাছাড়া, বিভিন্ন উদ্যোক্তা একক বা যৌথভাবে কফি হাউজ বা কফি রেস্তোরাঁ ব্যবসা চালু করেছে। কেউ কেউ সফলভাবে ব্যবসা এগিয়ে নিতে পেরেছে, কেউ আবার ব্যর্থ হয়েছে। আজকে আমরা জানবো কীভাবে একটি কফি হাউজ শূন্য থেকে বর্তমান বিশ্বের অন্যতম সফল কফিশপের রূপ নিয়েছে। যখনই আমরা কফিশপের কথা ভাবি, আমাদের মনে পড়ে স্টারবাকসের কথা। ২০২৩ সালের রিপোর্ট অনুসারে ২০২২ সালে স্টারবাকস ২৬.৫১ বিলিয়ন ডলার মোট আয় করেছে। চলুন জেনে নেই কিভাবে কিছু বিজনেস কৌশল অনুসরণ করে স্টারবাকস বিশ্বব্যাপী এতো জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। </span></p>
<p><b>শুরুর গল্প </b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">স্টারবাকসের পথচলা শুরু হয় সত্তরের দশকে তিন ব্যক্তির হাত ধরে। তিন বন্ধু জেরি বোল্ডউইন, গর্ডন বোকার এবং জেভ সিগল মিলে আমেরিকার ওয়াশিংটনের সিয়াটল শহরে কিছু করার পরিকল্পনা করছিলেন। ১৯৬২ সালে গর্ডন ইতালির মিলানে বেড়াতে গিয়ে সেখানে যে কফি পান করেন, সেটার স্বাদ তার কাছে অতুলনীয় মনে হয়। সেরকম মানসম্মত কফির খোঁজে তিনি প্রায়ই সিয়াটল থেকে ভ্যাঙ্কুভার শহরে যেতেন কফি বিন আনার জন্য। তিনি তার বাকি দুই বন্ধুকেও এই কফির ব্যাপারে বলেন। সেখান থেকেই তাদের মাথায় কফিশপ চালু করার চিন্তা আসে।</span></p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-7901" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2025/01/image-01-18.jpg" alt="স্টারবাকসের পথচলা শুরু হয় সত্তরের দশকে তিন ব্যক্তির হাত ধরে।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">সেসময় বেশিরভাগ আমেরিকানই সস্তা ও কম-গ্রেডের কফি পান করত। যেহেতু কফিশপ ব্যবসা সম্পর্কে তাদের কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা ছিল না। তাই জেভ সিগল পাবলিক লাইব্রেরিতে গিয়ে বিভিন্ন খবরের কাগজ আর ফোনবুক ঘেঁটে আলফ্রেড পিট নামের এক ব্যক্তির খোঁজ পান। তিনি ছিলেন পিটস কফির মালিক, যিনি আমেরিকায় প্রথম রোস্টেড কফি এনেছিলেন। তার কাছ থেকে কফির ব্যবসা পদ্ধতি শেখার পর তারা তিনজন মিলে সিয়াটলের পাইক প্লেস মার্কেটে ১৯৭১ সালের ৩০ মার্চ একটা কফিশপ চালু করেন। মূলধন হিসেবে তিন বন্ধুর প্রত্যেকে ১,৩৫০ ডলার বিনিয়োগ করেন, এবং সেই সাথে আরও ৫,০০০ ডলার ঋণ নিয়ে স্টারবাক্‌সের প্রথম কফিশপ চালু করেন। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">তবে আমরা বর্তমান যে স্টারবাকস দেখতে পাই, তার সফলতা আসে মূলত </span><span style="font-weight: 400;">হাওয়ার্ড শুল্টজের হাত ধরে। ১৯৮৭ সালে তিনি কিছু বিনিয়োগকারীর সহায়তায় ৩.৮ মিলিয়ন ডলারে </span><span style="font-weight: 400;">স্টারবাকস </span><span style="font-weight: 400;">কিনে নেন। তারপর থেকেই বদলে যায় </span><span style="font-weight: 400;">স্টারবাকসের চিত্র।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-7900" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2025/01/image-02-19.jpg" alt="স্টারবাকসের সফলতা আসে মূলত হাওয়ার্ড শুল্টজের হাত ধরে।" width="1024" height="576" /></p>
<p><b>স্টারবাকসের বিজনেস কৌশল </b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">হাওয়ার্ড শুল্টজ </span><span style="font-weight: 400;">স্টারবাকসকে সফল করার জন্য কিছু বিজনেস কৌশল অনুসরণ করেন। আমরা এখন সেসব সম্পর্কে বিস্তারিত জানবো। </span></p>
<p><b>প্রিমিয়াম গ্রাহক অভিজ্ঞতা</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">স্টারবাকস সবসময় উচ্চ-মানের পণ্যের উপর জোর দিয়ে একটি প্রিমিয়াম গ্রাহক অভিজ্ঞতা প্রদান করে। গ্রাহকেরা যাতে একটি উচ্চতর এবং আরামদায়ক পরিবেশে সর্বাধিক ব্যক্তিগতকৃত পরিষেবা উপভোগ করতে পারেন সেদিকে কোম্পানিটি সর্বোচ্চ মনোযোগ দেয়। প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতা দেওয়ার জন্য স্টারবাকস তার নিজস্ব কফি বিন সোর্সিং এবং রোস্ট করে। নানা স্বাদের কফির পাশাপাশি কোম্পানিটি চা, পেস্ট্রি এবং স্যান্ডউইচ সহ অন্যান্য উচ্চ-মানের পণ্যও অফার করে থাকে  যা গ্রাহকদের কাছে সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয়।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-7899" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2025/01/image-03-16.jpg" alt="স্টারবাকস গ্রাহকদের জন্য প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করে। " width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">স্টারবাকস বারিস্তাস কফির প্রতি তাদের জ্ঞান এবং আবেগের জন্য গ্রাহকদের কাছে বেশ পরিচিত। প্রতিটি গ্রাহকের স্বতন্ত্র স্বাদ এবং পছন্দের উপর ভিত্তি করে তারা অর্ডার নেয় এবং তা প্রদান করে থাকে। শুধু তাই নয়, স্টারবাকস খুব স্মার্টভাবে তার স্টোরের গ্রাহকদের অভিজ্ঞতা এবং সুবিধা বাড়াতে প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ করেছে। তারা মোবাইল অর্ডার, ডিজিটাল পেমেন্ট অপশন, ইন-স্টোর ওয়াই-ফাই, প্রতিটি টেবিলের নিচে চার্জিং প্লাগ এবং আরও অনেক কিছু চালু করেছে। এতে গ্রাহকরা তাদের প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতা উপভোগ করতে পারেন।  </span></p>
<p><b>দৃঢ় গ্রাহক সম্পর্ক বজায় রাখা </b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">শক্তিশালী গ্রাহক সম্পর্ক বজায় রাখা স্টারবাকসের ব্যবসায়িক কৌশলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কোম্পানিটি তার গ্রাহকদের সাথে একটি দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক এবং সংযোগ তৈরি করার লক্ষ্যে স্টারবাকস প্রোগ্রাম, নিয়মিত কেনাকাটার জন্য কুপন কার্ড, জন্মদিনে বিনামূল্যে পানীয় এবং খাবার, গ্রাহকের ক্রয়ের উপর ভিত্তি করে ব্যক্তিগতকৃত অফার, বিনামূল্যে রিফিলসহ বিভিন্ন সুবিধা অফার করে। এই প্রোগ্রাম এবং সুবিধাগুলো গ্রাহকদেরকে ফিরে আসতে, নিয়মিত কেনাকাটা করতে এবং ব্র্যান্ডের সাথে সম্পর্ক জোরদার করতে উৎসাহিত করে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">স্টারবাকস মূলত</span><b> ‘থার্ড প্লেস’</b><span style="font-weight: 400;"> থিওরি মাথায় রেখে তাদের আউটলেটগুলো সাজিয়েছে। কেউ চাইলে একা কফি উপভোগ করতে পারে, কেউ চাইলে নীরব পরিবেশে মিটিং করতে পারে আবার চাইলে বন্ধুদের সাথে কোলাহলময় পরিবেশে কফি উপভোগ করতে পারবেন। আর এই সুযোগ-সুবিধার জন্যই মূলত স্টারবাকসের সাথে গ্রাহকের দৃঢ় সম্পর্ক বজায় থাকে। </span></p>
<p><b>প্রিমিয়াম মূল্য এবং স্থান </b><span style="font-weight: 400;"> </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">স্টারবাকস একটি প্রিমিয়াম কৌশল প্রয়োগ করে নিজেদের ব্র্যান্ড প্রসারিত করেছে। তারা মূলত গ্রাহকদের বিশ্বাস করিয়েছেন যে, তাদের প্রিমিয়াম মূল্যের কফি কিনলে গ্রাহকেরা প্রিমিয়াম  &#8220;স্টারবাকস অভিজ্ঞতা&#8221;  অর্জন করতে পারবেন। অনেক গ্রাহক বিশ্বাস করেন যে উচ্চ-মানের পণ্যগুলোর দাম বেশি হয়ে থাকে। গ্রাহকের অভিজ্ঞতা এবং গুণমানের উপর জোর দেওয়ায় গ্রাহকেরা এক কাপ স্টারবাক্স কফির জন্য উচ্চ মূল্য দিতে ইচ্ছুক।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-7898" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2025/01/image-04-5.jpg" alt="স্টারবাকসের প্রিমিয়াম মূল্য এবং স্থানের অনন্য সমন্বয়। " width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">স্টারবাকসের চেইন স্টোরগুলির সাফল্য মূলত এর সর্বজনীনতার কারণে। ব্র্যান্ডের ব্যাপক বৈশ্বিক উপস্থিতির জন্য গ্রাহকরা প্রায় যেকোনো জায়গায় ব্র্যান্ড অ্যাক্সেস করতে পারেন। আপনার একটি কফি ফিক্স প্রয়োজন? স্টারবাকস ঠিক চারপাশে। প্রতিটি দোকানে একটি চমত্কার পরিবেশ আছে। স্টারবাকস &#8220;থার্ড প্লেস&#8221; পজিশনিং কৌশলের কারণে লোকেরা এটিকে তাদের বাড়ি এবং অফিসের পরে দেখা করার জন্য আরেকটি অপরিহার্য স্থান হিসাবে দেখেছে। তাদের পানীয় এবং স্ন্যাকস পেতে এখন আর স্টোরগুলোতে সীমাবদ্ধ থাকতে হয় না। মানুষ অনলাইনেও এখন অর্ডার করতে পারেন।  </span></p>
<p><b>কৌশলগত বৈশ্বিক সম্প্রসারণ</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">স্টারবাকসের ব্যবসায়িক কৌশলের মূল উপাদানগুলোর মধ্যে একটি হলো বিশ্বব্যাপী সম্প্রসারণ। ১৯৭১ সালে মাত্র একটি আউটলেট দিয়ে যাত্রা শুরু করে, কোম্পানিটির ১৯৮৭ সালে ১৭ টি আউটলেট ছিল এবং ২০২৩ সালে ৭৬ টি দেশে তাদের ৩৫৭১১ টি আউটলেট ছিলো। অর্থাৎ, গড়ে এই কফি হাউস চেইনটি ১৯৮৭ সাল থেকে প্রতিদিন ২-৩ টি নতুন আউটলেট খুলেছে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">তাদের বেশ কিছু রোস্টারিও (যেখানে কফি বিন রোস্ট করা হয়) রয়েছে। সবচেয়ে বড় রোস্টারিটি আছে আমেরিকার শিকাগোতে। স্টারবাকসের আউটলেট সংখ্যা তার প্রতিযোগী কোম্পানি ডানকি ডোনাট, টিম হরটন ও কস্টা কফির আউটলেটের চেয়ে অনেক বেশি। ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য, এশিয়া, আফ্রিকাতে তাদের অনেক আউটলেট রয়েছে। </span><a href="https://fortune.com/ranking/worlds-most-admired-companies/2023/" target="_blank" rel="noopener"><span style="font-weight: 400;">স্টারবাকস ফর্চুন ২০২৩ সালের বিশ্বের সবচেয়ে প্রশংসিত কোম্পানির</span></a><span style="font-weight: 400;"> তালিকায় খাদ্য পরিষেবা শিল্পে প্রথম স্থান এবং বিশ্বের ৬৪৫ টি কোম্পানির মধ্যে ১৪ তম স্থান অর্জন করেছে। </span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-7897" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2025/01/image-05-1.jpg" alt="স্টারবাকসের কৌশলগত বৈশ্বিক সম্প্রসারণ তাদের সাফল্যের অন্যতম প্রধান চাবিকাঠি।" width="1024" height="576" /></p>
<p><b>স্টারবাকসের সামঞ্জস্যপূর্ণ ব্র্যান্ডিং অভিজ্ঞতা</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">সামঞ্জস্যপূর্ণ ব্র্যান্ডিং মানে হল ইন-স্টোর অভিজ্ঞতা, পণ্য প্যাকেজিং এবং বিপণন যোগাযোগ সহ সমস্ত গ্রাহক টাচপয়েন্ট জুড়ে একটি ইউনিফাইড ব্র্যান্ড ইমেজ উপস্থাপন করা। স্টারবাকসের ব্যবসায়িক কৌশল একই দিকে ফোকাস করে এবং ক্রমাগতভাবে একটি উচ্চ-মানের অভিজ্ঞতা প্রদান করে যা গ্রাহকরা ব্র্যান্ড থেকে আশা করেন। সামঞ্জস্যপূর্ণ ব্র্যান্ডিং অভিজ্ঞতা স্টারবাকসকে তার গ্রাহকদের সাথে একটি মানসিক সংযোগ তৈরি করে গ্রাহকের আনুগত্য গড়ে তুলতে সাহায্য করেছে। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">স্টারবাকস গ্রাহকদের সাথে যুক্ত হতে এবং ব্র্যান্ড সচেতনতা তৈরি করতে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করছে। কোম্পানির একটি শক্তিশালী সামাজিক মিডিয়া উপস্থিতি রয়েছে এবং বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম জুড়ে গ্রাহকদের সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত। কোম্পানি নতুন পণ্য প্রদর্শন, ইভেন্ট প্রচার, এবং গ্রাহকের গল্প শেয়ার করতে সামাজিক মিডিয়া ব্যবহার করে। এই ব্যস্ততা ব্র্যান্ডের আনুগত্য গড়ে তুলতে সাহায্য করে এবং গ্রাহকদের স্টারবাকসে ফিরে আসার সম্ভাবনা বাড়ায়।</span></p>
<p style="text-align: right;"><a href="https://bstandard.info/references00145/" target="_blank" rel="noopener"><em><strong>&#8220;তথ্যসূত্র&#8221;</strong></em></a></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bstandard.info/starbucks-premium-experience-strategy-boosting-customer-loyalty-and-retention/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>কোকা-কোলার বিজ্ঞাপনে বাংলাদেশের জনগণের ক্ষোভের কারন</title>
		<link>https://bstandard.info/why-coca-cola-ad-sparks-outrage-in-bangladesh/</link>
					<comments>https://bstandard.info/why-coca-cola-ad-sparks-outrage-in-bangladesh/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজটেক স্ট্যান্ডার্ড]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 16 Dec 2024 04:56:37 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ব্র্যান্ডিং স্ট্রাটেজিস]]></category>
		<category><![CDATA[বিজ-মার্কেটিং]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://bstandard.info/?p=5450</guid>

					<description><![CDATA[২০২৪ সালের ১১ জুন , কোকা-কোলা বাংলাদেশ একটি বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে। যেখানে কোকা-কোলা দাবি করে যে তারা ইসরায়েলের পণ্য নয়। গাজা সংকট চলাকালীন সময়ে এই ধরনের প্রচারণা বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। বিজ্ঞাপনটি বিশেষভাবে বিতর্কিত হয়ে ওঠে, কারণ এতে বলা হয়েছিল, “ফিলিস্তিনে কোকা-কোলার একটি কারখানা আছে।” বাস্তবে, এই কারখানাটি পশ্চিম তীরের একটি ইসরায়েলি বসতিতে অবস্থিত। যা তৈরিই করা হয়েছে আন্তর্জাতিক আইন ভঙ্গ করে। বাংলাদেশের জনগণের প্রতিক্রিয়া বিজ্ঞাপন প্রচারিত হওয়ার পরপরই সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় ওঠে। অনেকেই অভিযোগ করেন, বিজ্ঞাপনটি “সংবেদনশীল ইস্যুতে উদাসীন এবং ভুল তথ্যপূর্ণ।” একজন ফেসবুক ব্যবহারকারী মন্তব্য করেন, “ইসরায়েলি আগ্রাসনের পটভূমিতে এমন মিথ্যা তথ্য প্রদর্শন করাটা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<table width="100%">
<tbody>
<tr>
<td align="left"><a href="https://bstandard.info/english/why-coca-cola-ad-sparks-outrage-in-bangladesh/" type="button" class="btn btn-info btn-md">Read it in English</a></td>
<td align="right"><a href="#" type="button" class="btn btn-link btn-lg">গবেষক এবং প্রতিবেদক: </a><a href="https://bstandard.info/author/fuad/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">তানজিল ফুয়াদ</a> <a href="https://bstandard.info/author/isfaqul/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">ইসফাকুল কবির</a></td>
</tr>
</tbody>
</table>
<p><span style="font-weight: 400;">২০২৪ সালের ১১ জুন , কোকা-কোলা বাংলাদেশ একটি বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে। যেখানে কোকা-কোলা দাবি করে যে তারা ইসরায়েলের পণ্য নয়। গাজা সংকট চলাকালীন সময়ে এই ধরনের প্রচারণা বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। বিজ্ঞাপনটি বিশেষভাবে বিতর্কিত হয়ে ওঠে, কারণ এতে বলা হয়েছিল, “ফিলিস্তিনে কোকা-কোলার একটি কারখানা আছে।” বাস্তবে, এই কারখানাটি পশ্চিম তীরের একটি ইসরায়েলি বসতিতে অবস্থিত। যা তৈরিই করা হয়েছে আন্তর্জাতিক আইন ভঙ্গ করে।</span></p>
<p><b>বাংলাদেশের জনগণের প্রতিক্রিয়া</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বিজ্ঞাপন প্রচারিত হওয়ার পরপরই সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় ওঠে। অনেকেই অভিযোগ করেন, বিজ্ঞাপনটি “সংবেদনশীল ইস্যুতে উদাসীন এবং ভুল তথ্যপূর্ণ।” একজন ফেসবুক ব্যবহারকারী মন্তব্য করেন, “ইসরায়েলি আগ্রাসনের পটভূমিতে এমন মিথ্যা তথ্য প্রদর্শন করাটা সরাসরি প্যালেস্টাইনের প্রতি অসম্মান।”</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বিজ্ঞাপনটিতে কাজ করা অভিনেতা ও ক্রিয়েটিভ টিমও সাধারণ জনগণের সমালোচনার মুখে পড়েছিল। তাদের মধ্যে একজন অভিনেতা জানিয়েছেন, “আমি শুধু কোম্পানির সরবরাহ করা তথ্য দিয়ে বিজ্ঞাপনটি তৈরি করেছি, কোনো রাজনৈতিক অবস্থান নেই।” তবে অনেক দর্শক ও আমজনতা এই ঠুনকো যুক্তি মানতে নারাজ। </span></p>
<p><b>কিন্তু কেন এই প্রতিক্রিয়া কোকা-কোলার প্রতি?</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বাংলাদেশের জনগণের ইসরায়েল-বিরোধী অবস্থান ঐতিহাসিকভাবে দৃঢ়। ইসরায়েল এর ব্যাপারে বাংলাদেশ কতটা শক্ত তা বুঝতে চাইলে বাংলাদেশের পাসপোর্টই যথেষ্ট। </span><span style="font-weight: 400;">বাংলাদেশের পাসপোর্টে সব সময়েই ইসরায়েলের নাম উল্লেখ করে বলা হতো, এই দেশ ছাড়া আর সব দেশ ভ্রমণের জন্য পাসপোর্টটি বৈধ। তার উপরে গত বছর থেকে চলে আসা ফিলিস্তিন বনাম ইসরায়েলের যুদ্ধ বাংলাদেশের মানুষের মনে আরও রাগের জন্ম দিয়েছে নেতানিয়াহু বাহিনীর প্রতি।  </span><span style="font-weight: 400;">ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি সহানুভূতি এবং ইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রতি নিন্দার কারণে, অনেকেই ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত  ব্র্যান্ডগুলিকে বর্জন করে। যদিও কোকা-কোলা সরাসরি ইসরায়েলকে সমর্থন করে এমন কোনো প্রমাণ নেই, তবু কিছু মানুষ বিশ্বাস করে, এটি ইসরায়েলের অর্থনীতিতে অবদান রাখে।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-7670" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/12/image-01-1-1.jpg" alt="কোকা-কোলার প্রতি প্রতিক্রিয়া ও অনুভূতির প্রকাশ।" width="1024" height="576" /></p>
<p><b>জনগণের দৃষ্টিভঙ্গি</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বাংলাদেশের জনগণ মনে করে, গাজা সংকটের সময়ে এই ধরনের প্রচারণা অপ্রয়োজনীয়। তারা আশা করে, কোম্পানিগুলো যেন তাদের বিপণন কৌশলে আন্তর্জাতিক ইস্যুগুলিকে বিবেচনা করে। কোকা-কোলা এই ঘটনা থেকে বড় একটি শিক্ষা হতে পারে যে, সাংস্কৃতিক এবং রাজনৈতিক সংবেদনশীলতাগুলো অগ্রাহ্য করে বিপণন কৌশল গ্রহণ করা তাদের ক্ষতির কারণ হতে পারে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই তাদের প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন কোকা-কোলা নিয়ে। এমনই একজন লিখেছেন, “</span><span style="font-weight: 400;">ঈদে কাউকে কোকা কোলা খেতে দেখলে প্রশ্ন করুন র*ক্ত খাচ্ছেন কেন ভাই!? সুধু কোকা কোলা না! সেভেন আপ, মিরিন্ডা,স্প্রাইট,মাউন্টেন ডিউ, কিনলে,পেপসি বয়কট। বিকল্প হিসেবে খেতে পারেন- মোজো,ফ্রেস কোলা, আফি,টাইগার,স্পিড সহ বাংলাদেশী পন্য।” অনেক মানুষ ফেসবুকে “বয়কট কোকাকোলা” -র ডাক দেন। বিভিন্ন বিজ্ঞাপন এবং ভিন্ন ধরণের ছবি শেয়ারের মাধ্যমে তারা কোকাকোলা প্রতি তাদের মত প্রকাশ করেন।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><b><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-7669" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/12/image-02-2.png" alt="কোকা-কোলার বিরুদ্ধে বয়কটের প্রতিবাদ।" width="1024" height="576" /><br />
</b></p>
<p><b>মোজোর উত্থান ও উৎপাদন সক্ষমতা</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">কোকা-কোলার এই বিতর্কের ফলে বাংলাদেশের বাজারে স্থানীয় ব্র্যান্ড মোজোর জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পায়। আকিজ ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের মোজো ২০০৬ সালে বাজারে আসে এবং বর্তমানে প্রায় ৪৭টি দেশে রপ্তানি হয়। কিছু সূত্র মতে, মোজোর উৎপাদন সক্ষমতা বাংলাদেশের সম্পূর্ণ চাহিদা মেটাতে সক্ষম নয়, যা সরবরাহ সংকটের কারণ হতে পারে। এবং এখন বাজারে ঘটছেও তাই, মানুষ মোজো কিনতে এসে দোকানে মোজো পাচ্ছে ন। তবে মোজো মানুষের কাছে সবথেকে বেশি কাছাকাছি যেতে পেরেছে ফিলিস্তিনের জন্য ডোনেশন বা সাহায্যের হাত বািড়য়ে দেবার কারণে। </span></p>
<p><b>কোকা-কোলার বর্তমান পরিস্থিতি</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বিতর্কের পর কোকা-কোলা বাংলাদেশ বিজ্ঞাপনটি তাদের ইউটিউব চ্যানেল থেকে সরিয়ে নেয়। এবং তাদের ফেসবুক পেইজে মন্তব্য করার অপশন বন্ধ করে দেয়। বর্তমানে, কোকা-কোলার বিক্রি বাংলাদেশে উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। কোকা-কোলার বাংলাদেশে বাজার শেয়ার প্রায় ২৩% হ্রাস পেয়েছে শুধু এই বিতর্কিত বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে। এই ঘটনার আগে কোকা-কোলার শেয়ার বাজারে অবস্থান ছিল প্রায় ৪২%। </span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-7668" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/12/image-03-1.png" alt="কোকা-কোলার বর্তমান পরিস্থিতির চিত্র।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">কোকা-কোলার বিতর্কিত বিজ্ঞাপন বাংলাদেশের বাজারে তাদের অবস্থানকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, যেখানে স্থানীয় ব্র্যান্ড মোজো সুযোগের সদ্ব্যবহার করেছে। তবে, মোজোর জন্য উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি, যাতে তারা ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে পারে এবং বাজারে তাদের অবস্থান সুসংহত করতে পারে। এই কাজে দেশের বাকি কমল পানীয় উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান গুলোরও কাজ করার জায়গা আছে।</span></p>
<p style="text-align: right;"><a href="https://bstandard.info/references00110/" target="_blank" rel="noopener"><em><strong>&#8220;তথ্যসূত্র&#8221;</strong></em></a></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bstandard.info/why-coca-cola-ad-sparks-outrage-in-bangladesh/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>দেশীয় ব্র্যান্ড “পিজ্জাবার্গ” ও তাদের মিম মার্কেটিং</title>
		<link>https://bstandard.info/how-pizzaburg-utilizes-meme-marketing-tactics-to-promote-their-business/</link>
					<comments>https://bstandard.info/how-pizzaburg-utilizes-meme-marketing-tactics-to-promote-their-business/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজটেক স্ট্যান্ডার্ড]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 17 Nov 2024 04:14:35 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ব্র্যান্ডিং স্ট্রাটেজিস]]></category>
		<category><![CDATA[বিজ-মার্কেটিং]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://bstandard.info/?p=4498</guid>

					<description><![CDATA[পিজ্জাবার্গ একটি দেশিও পিজ্জা ব্র্যান্ড যারা দৈনিক গড়ে ৭০০০ টি পিজ্জা বিক্রি করে থাকে। মাত্র ৬ বছরের তারা ঢাকার ভেতরে ১৪ টি রেস্টুরেন্ট দিতে সক্ষম হয়েছে। এর থেকেও বড় কথা তারা একটা কমিউনিটি তৈরি করে ফেলেছে। তাদের এই সফলতার পেছনে অন্যতম হাতিয়ার পিজ্জাবার্গের মিম মার্কেটিং।  আজকে কথা হবে কীভাবে খরচ না করেও মিম মার্কেটিং -এ মাধ্যমে ব্যবসা সফল ভাবে চালিয়ে নেওয়া যায়। মিম মার্কেটিং বুঝার আগে আমাদের বুঝতে হবে পিজ্জার উৎপত্তি কীভাবে। পিজ্জা মূলত ইতালির খাবার। তবে ২য় বিশ্ব যুদ্ধের পরে ‎, যুদ্ধ শেষ করে ইউরোপ থেকে আমেরিকার সৈন্যরা দেশে গিয়ে বলে আমরা পিজ্জার মত একটা খাবার খেয়েছি। সেখান থেকেই [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<table width="100%">
<tbody>
<tr>
<td align="left"><a href="https://bstandard.info/english/how-pizzaburg-utilizes-meme-marketing-tactics-to-promote-their-business/" type="button" class="btn btn-info btn-md">Read it in English</a></td>
<td align="right"><a href="#" type="button" class="btn btn-link btn-lg">গবেষক এবং প্রতিবেদক: </a><a href="https://bstandard.info/author/fuad/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">তানজিল ফুয়াদ</a> <a href="https://bstandard.info/author/isfaqul/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">ইসফাকুল কবির</a></td>
</tr>
</tbody>
</table>
<p><span style="font-weight: 400;">পিজ্জাবার্গ একটি দেশিও পিজ্জা ব্র্যান্ড যারা দৈনিক গড়ে ৭০০০ টি পিজ্জা বিক্রি করে থাকে। মাত্র ৬ বছরের তারা ঢাকার ভেতরে ১৪ টি রেস্টুরেন্ট দিতে সক্ষম হয়েছে। এর থেকেও বড় কথা তারা একটা কমিউনিটি তৈরি করে ফেলেছে। তাদের এই সফলতার পেছনে অন্যতম হাতিয়ার পিজ্জাবার্গের মিম মার্কেটিং।  আজকে কথা হবে কীভাবে খরচ না করেও মিম মার্কেটিং -এ মাধ্যমে ব্যবসা সফল ভাবে চালিয়ে নেওয়া যায়।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">মিম মার্কেটিং বুঝার আগে আমাদের বুঝতে হবে পিজ্জার উৎপত্তি কীভাবে। পিজ্জা মূলত ইতালির খাবার। তবে ২য় বিশ্ব যুদ্ধের পরে ‎, যুদ্ধ শেষ করে ইউরোপ থেকে আমেরিকার সৈন্যরা দেশে গিয়ে বলে আমরা পিজ্জার মত একটা খাবার খেয়েছি। সেখান থেকেই পিজ্জার জনপ্রিয়তা শুরু আমেরিকাতে। বর্তমানে পুরো বিশ্বের ২ লক্ষ ৫০ হাজারটি পিজ্জার দোকানের মধ্যে ১ লক্ষ দোকান আমেরিকাতে। আর বিশ্বব্যাপি ছড়িয়ে দেওয়ার কাজটাও করে আমেরিকা। তাই বর্তমানে বাংলাদেশে যে  পিজ্জা তৈরির যে প্রক্রিয়া দেখা যায় তা মূলত আমেরিকা ধাঁচের।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">এবার আসা যাক পিজ্জাবার্গের মিম মার্কেটিং নিয়ে। দেশের বাজারে যদি মার্কেটিং নিয়ে চিন্তা করি তাহলে বেশির ভাগ মানুষ বলবে দেখতে সুন্দর হতে হবে, উচ্চ শ্রেণিকে টার্গেট করতে হবে এমন কিছু ভাল গান থাকতে হবে কিংবা সুন্দর মডেল ব্যবহার করতে হবে। কিন্তু এই সব ধারণাকে বাদ দিল পিজ্জাবার্গ। তাদের মতে মার্কেটিং হতে হবে এমন কিছু যা</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">মানুষকে কোনো কিছুতে করতে বা কিনতে আগ্রহী করে তুলবে।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8450" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/11/image-01-20.jpg" alt="পিজ্জাবার্গের মিম মার্কেটিং কৌশল সম্পর্কিত একটি প্রতীকী চিত্র।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">সাধারণত মার্কেটিং হয়ে থাকে এভাবে, &#8220;আজকে আমাদের পিৎজায় ১০% ছাড় চলছে&#8221; কিংবা &#8221; আজ দুইটি পিজ্জার সাথে ১টি পিজ্জা ফ্রি&#8221;। কিন্তু পিজ্জাবার্গ সেই একই কাজ করছে কিছুটা ভিন্ন ভাবে। তারা পোস্ট এ সুন্দর একটি পিজ্জার ছবি দিয়ে লিখে, &#8220;বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ৫% ফ্রি তবে বাড়ি নোয়াখালীর হলে ৪%&#8221;।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">যার ফলে মানুষ এইটা নিয়ে কথা বলে। তারা কমেন্ট বক্সে গিয়ে তাদের নোয়াখালির বন্ধুদের মেনশন দেয়, হাসি ঠাট্টা করে। এই ব্যাপারে পিজ্জাবার্গে মালিক মির মেহেদি,&#8221;পিজ্জাবার্গে একটা ব্র্যান্ড, আমরা শুধু পিজ্জা বিক্রি করি না, আমরা জীবনধারা বিক্রি করি।&#8221;</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8449" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/11/image-02-20.jpg" alt="পিজ্জাবার্গের মালিক মির মেহেদি এর উক্তি: 'পিজ্জাবার্গে একটা ব্র্যান্ড, আমরা শুধু পিজ্জা বিক্রি করি না, আমরা জীবনধারা বিক্রি করি।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বর্তমানে হিউমারকে প্রকাশ করার জন্য ব্যবহার করা হয়। যা হতে পারে বিভিন্ন ছবির মাধ্যমে, ভিডিও, অডিও ইত্যাদি। কোন কিছু মিম হতে গেলে তার দুইটা বিশিষ্ট থাকা লাগে। প্রথমত এইটা একটু সেলফিস ধরনের হতে হবে। দ্বিতীয়ত, এটা অনেক বেশি ছড়িয়ে পরতে চায়। সফল মিম সেই গুলো যেটা একজন আরেক জনের সাথে শেয়ার করে এবং ছড়িয়ে যায়। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">২০০৭ সালের একটি গবেষণায় এসেছে আমরা দৈনিক গড়ে ৫০০ টি বিজ্ঞাপন দেখি। কিন্তু আমরা বিজ্ঞাপন খুব একটা পছন্দ করি না। এক গবেষণায় দেখা গেছে অন্যান্য জেনারেশনের চেয়ে জেন-জেড সব থেকে বেশি বিজ্ঞাপন অপছন্দ করে, তারা সব থেকে বেশি বিজ্ঞাপন এড়িয়ে চলে। কিন্তু জেনারেশন জেড দের মিম এর মাধ্যমে বিজ্ঞাপন দিলে তারা বিরক্ত হয় না। আমরা গড়ে দিনে ২০-৩০ টা মিম দেখে থাকি। যার মধ্যে প্রতি সপ্তাহে গড়ে ৫০% মিম আমরা শেয়ার করি হতে পারে টা অনলাইনে কিংবা বন্ধুদের। গতানুগতিক গ্রাফিক্স দিয়ে পোস্ট করলে যেখানে </span><span style="font-weight: 400;">পণ্যের</span><span style="font-weight: 400;"> গ্রোথ বৃদ্ধি পায় ৫% সেখানে মিম এর মাধ্যমে পোস্ট শেয়ার করলে তার জনপ্রিয়তা বাড়ে ৬০%।’’</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">আর এই ব্যাপারটা কেই সঠিকভাবে ব্যবহার করেছে পিজ্জাবার্গে। মির সাহেবের মতে মার্কেটিং- এ কোন কিছুই খারাপ না। পিজ্জাবার্গে এর মার্কেটিং হেড সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার সালমান মুক্তাদির। তার তৈরি করা বিভিন্ন ভিডিও যেটা মূলত একটা হাস্যকর ভিডিও কিন্তু প্রায় এক লক্ষ ৪৪ হাজার মানুষ রিয়্যাক্ট করেছে ভিডিওটিতে। </span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8448" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/11/image-03-13.jpg" alt="পিজ্জাবার্গের সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার সালমান মুক্তাদিরের একটি ছবি।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">এছাড়া তাদের পোস্টের ক্ষেত্রে তারা তরুণ প্রজন্মের সাথে যায় এমন বিষয়ের সাথে তারা মিল রেখে পোস্ট দেয়। যেমন ধরুন “মানি হেইস্ট” এর সাথে মিল রেখে তারা পোস্ট দেয় ( টোকিও নো = মিরপুর ইয়েস, লিসবন নো = উত্তরা ইয়েস)  যে ব্যাপারটি তরুণরা অনেক বেশি কানেক্ট করতে পারবে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">তারা জানে যে বাংলাদেশ আর্জেন্টিনা এবং ব্রাজিলের কত বড় ফ্যান বেজ আছে । তাই তারা তাদের উদ্দেশ্য করে পোস্ট দেয়, যে আর্জেন্টিনা ফ্যানরা কোন পিৎজাটা পছন্দ করে। ব্রাজিলের ফ্যানরা কোন পিৎজা  পছন্দ করে, অন্য দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ কোন পিজ্জা পছন্দ করে। যে ব্যাপারটি অবশ্যই মানুষকে কানেক্ট করতে পেরেছে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">এভাবে পিজ্জাবার্গে মিম মার্কেটিং এর মাধ্যমে তারা তাদের বিজনেস বাড়াচ্ছে। এখন বিভিন্ন বিভাগীয় শহরে তাদের ব্রাঞ্চ আছে।</span></p>
<p style="text-align: right;"><a href="https://bstandard.info/references00065/" target="_blank" rel="noopener"><b><i>&#8220;তথ্যসূত্র&#8221;</i></b></a></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bstandard.info/how-pizzaburg-utilizes-meme-marketing-tactics-to-promote-their-business/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>গ্রামীনফোন কোটি বাঙালির হৃদয় জিতেছে ‘স্বপ্ন যাবে বাড়ি’ গানটি দিয়ে</title>
		<link>https://bstandard.info/grameenphones-shopno-jabe-bari-the-song-that-won-millions-of-bengalis-hearts/</link>
					<comments>https://bstandard.info/grameenphones-shopno-jabe-bari-the-song-that-won-millions-of-bengalis-hearts/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজটেক স্ট্যান্ডার্ড]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 10 Nov 2024 03:39:41 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ব্র্যান্ডিং স্ট্রাটেজিস]]></category>
		<category><![CDATA[বিজ-মার্কেটিং]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://bstandard.info/?p=4148</guid>

					<description><![CDATA[২০০৯ সালের দিকে গ্রামীণফোনের একটি বিজ্ঞাপন ‘স্বপ্ন যাবে বাড়ি’ প্রথম  টেলিভিশনে প্রচারের পরপরই সাড়া ফেলে দর্শকমহলে। একটি বিজ্ঞাপনচিত্রের ‘থিম সং’ থেকে দেশের বাড়ি ফেরা মানুষের ‘থিম সং’–এ হয় গানটি। গানটির সুরও সংগীতায়োজন করেছিলেন হাবিব ওয়াহিদ। জীবিকার তাগিদে দেশের কোটি মানুষ গ্রাম থেকে শহরে আসে। দেশের বেশির ভাগ মানুষ গ্রাম থেকে কাজের সন্ধানে ঢাকা আসে, তাই বাড়ি ফেরার আমেজটা ঢাকায় থাকা মানুষের জন্যে বেশি চমকপ্রদ। মানুষের এই ইমোশনকে ধরতেই গ্রামীণফোন আজ থেকে ১৫ বছর আগে বানিয়েছিল এই গানটি। যা কোটি মানুষের হৃদয়ে গেঁথে আছে এখনও। বাঙালিরা সংস্কৃতির প্রতি বেশ আবেগপ্রবণ। আর এই আবেগ প্রকাশের অন্যতম মাধ্যম ‘গান’।। যেমন ধরুন ও &#8216;মোর [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<table width="100%">
<tbody>
<tr>
<td align="left"><a href="https://bstandard.info/english/grameenphones-shopno-jabe-bari-the-song-that-won-millions-of-bengalis-hearts/" type="button" class="btn btn-info btn-md">Read it in English</a></td>
<td align="right"><a href="#" type="button" class="btn btn-link btn-lg">গবেষক এবং প্রতিবেদক: </a><a href="https://bstandard.info/author/fuad/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">তানজিল ফুয়াদ</a> <a href="https://bstandard.info/author/isfaqul/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">ইসফাকুল কবির</a></td>
</tr>
</tbody>
</table>
<p style="text-align: left;"><span style="font-weight: 400;">২০০৯ সালের দিকে গ্রামীণফোনের একটি বিজ্ঞাপন ‘স্বপ্ন যাবে বাড়ি’ প্রথম  টেলিভিশনে প্রচারের পরপরই সাড়া ফেলে দর্শকমহলে। একটি বিজ্ঞাপনচিত্রের ‘থিম সং’ থেকে দেশের বাড়ি ফেরা মানুষের ‘থিম সং’–এ হয় গানটি। গানটির সুরও সংগীতায়োজন করেছিলেন হাবিব ওয়াহিদ।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">জীবিকার তাগিদে দেশের কোটি মানুষ গ্রাম থেকে শহরে আসে। দেশের বেশির ভাগ মানুষ গ্রাম থেকে কাজের সন্ধানে ঢাকা আসে, তাই বাড়ি ফেরার আমেজটা ঢাকায় থাকা মানুষের জন্যে বেশি চমকপ্রদ। মানুষের এই ইমোশনকে ধরতেই গ্রামীণফোন আজ থেকে ১৫ বছর আগে বানিয়েছিল এই গানটি। যা কোটি মানুষের হৃদয়ে গেঁথে আছে এখনও।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বাঙালিরা সংস্কৃতির প্রতি বেশ আবেগপ্রবণ। আর এই আবেগ প্রকাশের অন্যতম মাধ্যম ‘গান’।। যেমন ধরুন ও &#8216;মোর রমজানের ও রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ&#8217; এই গানটি ছাড়া যেন আমাদের ঈদ পূর্ণতা পায় না। অন্যদিকে আমাদের বৈশাখ যেন অপূর্ণ থেকে যায় যদি আমরা &#8216;এসো হে বৈশাখ&#8217; গানটা না শুনি। ঠিক তেমন ভাবেই আমাদের মনে জায়গা করে নিয়েছে  ‘স্বপ্ন যাবে বাড়ি’ গানটি। যা বিশেষ করে ঈদে ঘর মুখো মানুষের ঈদ আনন্দ আরও বাড়িয়ে দেয়।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8380" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/11/image-01-11.jpg" alt="গ্রামীণফোনের হৃদয় স্পর্শ করা গান ‘স্বপ্ন যাবে বাড়ি,’ কোটি বাঙালির আবেগের প্রতীক।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">মানুষ যখনই ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করতে বাড়ির উদ্দেশে যাত্রা করে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করে অনেকেই লিখছেন, ‘স্বপ্ন যাবে বাড়ি’। কেউবা গানটি শেয়ার করে তার অনুভূতির কথা জানায়। আর দর্শক শ্রোতাদের গানটির প্রতি ভালোবাসা দেখে গানের শিল্পী মিলন মাহমুদও খুশি হন। এই সম্পর্কে তিনি বলেন, &#8220;একটা গান যুগ যুগ ধরে টিকে আছে, এটা অনেক আনন্দের বিষয়। গানের অংশ হিসেবে আমি শ্রোতাদের কাছে কৃতজ্ঞ।&#8221;</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">পরবর্তীতে গ্রামীণফোন ২০১৬ সালে ‘স্বপ্ন যাবে বাড়ি ২’ বিজ্ঞাপন হিসেবে ছাড়েন। তবে এবার গানটিতে কণ্ঠ দেন শিল্পী মিঠুন চক্র। বিজ্ঞাপনটি প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে গানটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। আসলে দুইটি গানের শিরোনাম একই হলেও গানের কথা একদম আলাদা। তবে গানটির সুরে কিছুটা মিল রয়েছে। ‘স্বপ্ন যাবে বাড়ি ২’ গান দিয়ে গায়ক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন মিঠুন চক্র। </span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-8379" src="https://bstandard.info/wp-content/uploads/2024/11/image-02-11.jpg" alt="‘স্বপ্ন যাবে বাড়ি ২’ গান দিয়ে গায়ক হিসেবে মিঠুন চক্রের আত্মপ্রকাশ।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">দেশের সাধারণ আম-জনতা গানটিকে আপন করে নিয়েছে। আর এভাবেই গ্রামীণফোন তাদের ব্যবসায়িক সাফল্য ও ধরে রাখতে পেরেছে। তারা জানে মানুষ কোন জিনিস নিয়ে চিন্তিত। কোন ব্যাপারটা মানুষ পছন্দ করে। আর আমরাও চাই এভাবেই কোটি মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকুক ‘স্বপ্ন যাবে বাড়ি ২’ গানটি।</span></p>
<p style="text-align: right;"><a href="https://bstandard.info/references00056/" target="_blank" rel="noopener"><b><i>&#8220;তথ্যসূত্র&#8221;</i></b></a></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bstandard.info/grameenphones-shopno-jabe-bari-the-song-that-won-millions-of-bengalis-hearts/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
