<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>বিসনেস স্ট্রাটেজিস &#8211; BizTech Standard</title>
	<atom:link href="https://bstandard.info/english/category/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%9c-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%82/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b8-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%b8/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://bstandard.info/english</link>
	<description>Inspiring Tech Needs for Business</description>
	<lastBuildDate>Sat, 28 Mar 2026 11:30:19 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>

<image>
	<url>https://bstandard.info/english/wp-content/uploads/2024/10/cropped-BIZTECH-icon-32x32.png</url>
	<title>বিসনেস স্ট্রাটেজিস &#8211; BizTech Standard</title>
	<link>https://bstandard.info/english</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>জেন জিঃ ব্যবসার ক্রেতা হিসাবে যার ভূমিকা বর্তমানে সর্বাধিক</title>
		<link>https://bstandard.info/english/gen-z-the-most-influential-business-buyers-in-todays-market/</link>
					<comments>https://bstandard.info/english/gen-z-the-most-influential-business-buyers-in-todays-market/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজটেক স্ট্যান্ডার্ড]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 12 Feb 2025 04:31:39 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিসনেস স্ট্রাটেজিস]]></category>
		<category><![CDATA[বিজ-মার্কেটিং]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://bstandard.info/?p=6265</guid>

					<description><![CDATA[জেনারেশন জি কারা জেনারেশন জি বলতে তাদের বোঝায় যারা ১৯৯৭ থেকে ২০১২ সালের মধ্যবর্তী সময়ে জন্মগ্রহণ করেছে। বর্তমান সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপভোক্তা এবং চালিকা শক্তি তারা।  ডিজিটাল যুগে জন্মগ্রহণ করা জেন জি দের প্রযুক্তির সাথে সম্পর্ক খুবই গভীর। এদের অভ্যাস, মূল্যবোধ, এবং সামাজিক মানসিকতা বোঝা তাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কেননা বর্তমান সময়ে লাভবান হতে হলে জেন জি-দের কেই আপনার ব্যবসার মূল টার্গেট ক্রেতা হিসাবে বেছে নিতে হবে। জেনারেশন জি-এর কিছু প্রধান বৈশিষ্ট্য ডিজিটাল জ্ঞান: এই প্রজন্ম প্রযুক্তির সাথে বড় হয়েছে। তারা সোশ্যাল মিডিয়া, ইন্টারনেট, এবং স্মার্টফোনের ব্যাপারে অত্যন্ত দক্ষ। স্বাধীনতা এবং উদ্যোক্তা মানসিকতা: জেন জি স্বাধীন চিন্তা পছন্দ করে এবং নিজস্ব [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<table width="100%">
<tbody>
<tr>
<td align="left"><a href="https://bstandard.info/english/english/gen-z-the-most-influential-business-buyers-in-todays-market/" type="button" class="btn btn-info btn-md">Read it in English</a></td>
<td align="right"><a href="#" type="button" class="btn btn-link btn-lg">গবেষক এবং প্রতিবেদক: </a><a href="https://bstandard.info/english/author/fuad/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">তানজিল ফুয়াদ</a> <span style="font-weight: 400;"><a href="https://bstandard.info/english/author/anika/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">আনিকা তায়্যিবা</a></span></td>
</tr>
</tbody>
</table>
<p><b>জেনারেশন জি কারা</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">জেনারেশন জি বলতে তাদের বোঝায় যারা ১৯৯৭ থেকে ২০১২ সালের মধ্যবর্তী সময়ে জন্মগ্রহণ করেছে। বর্তমান সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপভোক্তা এবং চালিকা শক্তি তারা।  ডিজিটাল যুগে জন্মগ্রহণ করা জেন জি দের প্রযুক্তির সাথে সম্পর্ক খুবই গভীর। এদের অভ্যাস, মূল্যবোধ, এবং সামাজিক মানসিকতা বোঝা তাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কেননা বর্তমান সময়ে লাভবান হতে হলে জেন জি-দের কেই আপনার ব্যবসার মূল টার্গেট ক্রেতা হিসাবে বেছে নিতে হবে।</span></p>
<p><b>জেনারেশন জি-এর কিছু প্রধান বৈশিষ্ট্য</b></p>
<ul>
<li style="font-weight: 400;" aria-level="1"><b>ডিজিটাল জ্ঞান: </b><span style="font-weight: 400;">এই প্রজন্ম প্রযুক্তির সাথে বড় হয়েছে। তারা সোশ্যাল মিডিয়া, ইন্টারনেট, এবং স্মার্টফোনের ব্যাপারে অত্যন্ত দক্ষ।</span></li>
<li style="font-weight: 400;" aria-level="1"><b>স্বাধীনতা এবং উদ্যোক্তা মানসিকতা: </b><span style="font-weight: 400;">জেন জি স্বাধীন চিন্তা পছন্দ করে এবং নিজস্ব ব্যবসা বা উদ্যোগ শুরু করার ব্যাপারে আগ্রহী।</span></li>
<li style="font-weight: 400;" aria-level="1"><b>সামাজিক এবং পরিবেশগত সচেতনতা: </b><span style="font-weight: 400;">তারা সামাজিক এবং পরিবেশগত ইস্যুগুলোতে অনেক বেশি সচেতন। জলবায়ু পরিবর্তন, সামাজিক ন্যায়বিচার, এবং বৈচিত্র্যের প্রতি তাদের মনোভাব খুবই শক্তিশালী।</span></li>
<li style="font-weight: 400;" aria-level="1"><b>শারীরিক স্বাস্থ্য এবং মানসিক স্বাস্থ্য গুরুত্ব দেয়: </b><span style="font-weight: 400;">তারা মানসিক স্বাস্থ্য এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের প্রতি অনেক বেশি গুরুত্ব দেয়।</span></li>
</ul>
<p>&nbsp;</p>
<p><img fetchpriority="high" decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-7978" src="https://bstandard.info/english/wp-content/uploads/2025/02/image-01-10.jpg" alt="জেন জি এর কিছু প্রধান বৈশিষ্ট্য যা তাদের চিন্তাধারা ও কেনাকাটার অভ্যাসকে আলাদা করে তোলে।" width="1024" height="576" /></p>
<p><b>প্রযুক্তি এবং মিডিয়ায় এগিয়ে জেনারেশন জি </b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">জেনারেশন জি প্রযুক্তি এবং মিডিয়ার ব্যবহারে বেশ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে তারা খবর ও বিনোদন গ্রহণ করে। ইউটিউব, ইনস্টাগ্রাম, এবং টিকটকের মতো প্ল্যাটফর্মগুলোতে তারা বেশ সক্রিয়। এছাড়াও পার্সোনাল ব্র্যান্ডিং এ বেশ পারদর্শী এই প্রজন্ম। তারা নিজেদের অনন্য পরিচিতি গড়ে তুলতে চায়। বিভিন্ন বিষয়ের উপর মতামত প্রকাশ করতে পছন্দ করে এই জেনারেশনের ছেলে মেয়েরা। বিনোদনের নতুন ধরন হিসেবে তারা ব্যবহার করে নেটফ্লিক্স, স্পটিফাই, এবং গেমিং প্ল্যাটফর্মগুলো, যা তাদের বিনোদনের প্রাথমিক মাধ্যম।</span></p>
<p><b>ব্যবসার প্রসারে জেনারেশন জি এর সাথে কীভাবে সংযোগ স্থাপন করবেন?</b></p>
<ul>
<li style="font-weight: 400;" aria-level="1"><b>ডিজিটাল মাধ্যমকে প্রাধান্য দিন: </b><span style="font-weight: 400;">সোশ্যাল মিডিয়া এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সক্রিয় থাকুন। বিশেষ করে ভিডিও কন্টেন্ট তৈরি করুন যা আকর্ষণীয় এবং শিক্ষামূলক।</span></li>
<li style="font-weight: 400;" aria-level="1"><b>সত্যনিষ্ঠা বজায় রাখুন: </b><span style="font-weight: 400;">জেন জি প্রকৃত বিষয়বস্তু পছন্দ করে। তাদের সাথে বিশ্বাসযোগ্য সম্পর্ক তৈরি করুন। কোম্পানির মূলনীতি বা উদ্দেশ্য পন্যের গুনগত মানকে ধরে রাখলে যেকোনো ব্রান্ডই আস্থা অর্জন করতে পারে।  </span></li>
<li style="font-weight: 400;" aria-level="1"><b>সামাজিক এবং পরিবেশগত দায়িত্বকে গুরুত্ব দিন: </b><span style="font-weight: 400;">তাদের আগ্রহের বিষয়গুলোকে সামনে রেখে আপনার প্রচারাভিযান বা মার্কেটিং পরিচালনা করুন।</span></li>
</ul>
<p><b>তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করুন</b><span style="font-weight: 400;"><br />
</span><span style="font-weight: 400;">আপনার ব্র্যান্ডের বা প্ল্যাটফর্মের জন্য এমন কৌশল তৈরি করুন যেখানে তারা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে পারে।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-7976" src="https://bstandard.info/english/wp-content/uploads/2025/02/image-02-9.jpg" alt="ব্যবসার প্রসারে জেন জি এর সাথে সংযোগ স্থাপনের কার্যকর উপায়।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">জেনারেশন জি-এর বৈশিষ্ট্য এবং আচরণগুলো বোঝা এবং তাদের সাথে সঠিক উপায়ে যোগাযোগ করা যেকোনো ব্র্যান্ড বা প্রতিষ্ঠানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এতে ব্র্যান্ডের বেচা বিক্রি, প্রচার প্রসার উভয়ই বাড়ে। তাদের সাথে সংযোগ স্থাপনে তাই উদ্যোক্তাকে হতে হবে প্রযুক্তিগত কৌশল, সামাজিক সচেতনতা, এবং সত্যনিষ্ঠায় পারদর্শী। এছাড়াও উপরে উল্লেখিত বিষয়গুলোর উপরও জোর দিতে হবে।</span></p>
<p style="text-align: right;"><a href="https://bstandard.info/english/references00158/" target="_blank" rel="noopener"><em><strong>&#8220;তথ্যসূত্র&#8221;</strong></em></a></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bstandard.info/english/gen-z-the-most-influential-business-buyers-in-todays-market/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>অ্যামাজনের ফ্লাইহুইল মডেল কীভাবে কাজ করে?</title>
		<link>https://bstandard.info/english/how-does-amazons-flywheel-model-work/</link>
					<comments>https://bstandard.info/english/how-does-amazons-flywheel-model-work/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজটেক স্ট্যান্ডার্ড]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 29 Dec 2024 04:22:54 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিসনেস স্ট্রাটেজিস]]></category>
		<category><![CDATA[বিজ-মার্কেটিং]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://bstandard.info/?p=5622</guid>

					<description><![CDATA[বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান অ্যামাজন। এই প্রতিষ্ঠানের “ফ্লাইহুইল মডেল&#8221; এর মাধ্যমে ই-কমার্স প্লাটফর্মে সাফল্যের এক অনন্য উদাহরণ সৃষ্টি করেছে। এটি একটি ব্যবসায়িক মডেল যা ধারাবাহিক ভাবে গ্রাহকের চাহিদা বৃদ্ধি, সেবার মান উন্নয়ন, এবং কোম্পানির আয় বাড়ানোর মাধ্যমে অ্যামাজনের ব্যবসাকে আরও শক্তিশালী করে তোলে। জেফ বেজোস, অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা, এই মডেলকে প্রতিষ্ঠানের মেরুদণ্ড হিসেবে দাঁড় করিয়েছেন। চলুন, জেনে নেওয়া যাক এই মডেলটি কীভাবে কাজ করে।  ফ্লাইহুইল মডেল কী এবং এটি কীভাবে কাজ করে? অ্যামাজনের ফ্লাইহুইল মডেল হলো এমন একটি কৌশল যা ক্রমাগত কোম্পানির প্রবৃদ্ধি এবং সাফল্যের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। সহজ ভাষায় বললে, এটি একটি ঘূর্ণায়মান চাকার মতো কাজ করে, যেখানে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<table width="100%">
<tbody>
<tr>
<td align="left"><a href="https://bstandard.info/english/english/how-does-amazons-flywheel-model-work/" type="button" class="btn btn-info btn-md">Read it in English</a></td>
<td align="right"><a href="#" type="button" class="btn btn-link btn-lg">গবেষক এবং প্রতিবেদক: </a><a href="https://bstandard.info/english/author/fuad/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">তানজিল ফুয়াদ</a> <a href="https://bstandard.info/english/author/isfaqul/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">ইসফাকুল কবির</a></td>
</tr>
</tbody>
</table>
<p><span style="font-weight: 400;">বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান অ্যামাজন। এই প্রতিষ্ঠানের “ফ্লাইহুইল মডেল&#8221; এর মাধ্যমে ই-কমার্স প্লাটফর্মে সাফল্যের এক অনন্য উদাহরণ সৃষ্টি করেছে। এটি একটি ব্যবসায়িক মডেল যা </span><span style="font-weight: 400;">ধারাবাহিক</span> <span style="font-weight: 400;">ভাবে</span> <span style="font-weight: 400;">গ্রাহকের চাহিদা বৃদ্ধি, সেবার মান উন্নয়ন, এবং কোম্পানির আয় বাড়ানোর মাধ্যমে অ্যামাজনের ব্যবসাকে আরও শক্তিশালী করে তোলে। জেফ বেজোস, অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা, এই মডেলকে প্রতিষ্ঠানের মেরুদণ্ড হিসেবে দাঁড় করিয়েছেন। চলুন, জেনে নেওয়া যাক এই মডেলটি কীভাবে কাজ করে। </span></p>
<p><b>ফ্লাইহুইল মডেল কী এবং এটি কীভাবে কাজ করে?</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">অ্যামাজনের ফ্লাইহুইল মডেল হলো এমন একটি কৌশল যা ক্রমাগত কোম্পানির প্রবৃদ্ধি এবং সাফল্যের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। সহজ ভাষায় বললে, এটি একটি ঘূর্ণায়মান চাকার মতো কাজ করে, যেখানে একবার চাকা ঘোরা শুরু করলে তা নিজেই শক্তি সংগ্রহ করে এবং আরও দ্রুত ঘোরে। এই মডেলের মূল লক্ষ্য হলো গ্রাহকের অভিজ্ঞতা উন্নত করা, যাতে সেই গ্রাহক বারবার অ্যামাজনের কাছে ফিরে আসে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">উদাহরণ হিসেবে  ধরা যাক, রাশিদা বেগম অ্যামাজন থেকে একটি শো-পিস অর্ডার করলেন। অ্যামাজন তার শো-পিসটি সঠিকভাবে প্যাকেজ করে, দ্রুত এবং সঠিক সময়ে পৌঁছে দেয়। রাশিদা উচ্ছ্বসিত, কারণ পণ্যটি তার প্রত্যাশার চেয়ে অনেক ভালো ছিল। এবার রাশিদা আরও কিছু পণ্য কিনতে পারেন, যেমন – খাবার প্রস্তুত করার কিছু সরঞ্জাম বা তার পরিবারের জন্য গয়না। সে যদি সেই অভিজ্ঞতা শেয়ার করে, তার বন্ধু এবং পরিবারও অ্যামাজন ব্যবহার করবে। এভাবে অ্যামাজনের ফ্লাইহুইল মডেল ধারাবাহিকভাবে গ্রাহক অভিজ্ঞতা উন্নত করে এবং ব্যবসার প্রবৃদ্ধিকে বাড়িয়ে তোলে। এটি শুধু একটি কৌশল নয়, বরং একটি চলমান চক্র যা ব্যবসার মজবুত ভিত্তি তৈরি করে।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-7758" src="https://bstandard.info/english/wp-content/uploads/2024/12/image-01-20.jpg" alt="ফ্লাইহুইল মডেলের একটি চিত্র, যেখানে এর প্রধান উপাদানসমূহ এবং টেকসই বৃদ্ধি বজায় রাখতে এটি কীভাবে গতি ধরে রাখে তা দেখানো হয়েছে।" width="1024" height="576" /></p>
<p><b>এই মডেলের মাধ্যমে অ্যামাজনের সাফল্য</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">অ্যামাজন শুধুমাত্র ই-কমার্সে সীমাবদ্ধ নয়; অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিস (AWS), কাইন্ডল, এবং আলেক্সার মতো পণ্য ও সেবা প্রদান করে। বর্তমানে অ্যামাজন বিশ্বের ২০৩টি দেশে সেবা দিচ্ছে। প্রতি বছরে অ্যামাজন আয় করে প্রায় ৫০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বর্তমান ই-কমার্স বাজারের ৩৮% দখল করে রেখেছে জেফ বেজোসের অ্যামাজন।</span></p>
<p><b>এই মডেলের মাধ্যমে ব্যবসার সুবিধা</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">ফ্লাইহুইল মডেলটি শুধু ব্যবসার মুনাফা বাড়ায় না, এটি গ্রাহকদের মধ্যে অ্যামাজনের প্রতি আস্থা তৈরি করে। কম দামে পণ্য এবং দ্রুত ডেলিভারির মাধ্যমে অ্যামাজন গ্রাহকদের সুবিধা নিশ্চিত করেছে। এ পদ্ধতির কারণে ক্রেতারা বারবার অ্যামাজনের সেবা নিতে আগ্রহী হয়। যা দীর্ঘমেয়াদে  ই-কমার্সের বাজারে অ্যামাজনকে একটি শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করেছে।</span></p>
<p><b>অ্যামাজনের প্রবৃদ্ধি</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">ফ্লাইহুইল মডেলের সাহায্যে অ্যামাজন একটি ছোট অনলাইন বুকস্টোর থেকে আজ বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ গ্লোবাল কোম্পানিতে রূপান্তরিত হয়েছে। বর্তমানে তাদের প্ল্যাটফর্মে প্রতিদিন ৩০০ মিলিয়নের বেশি গ্রাহক সক্রিয় থাকেন। ২০২৩ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অ্যামাজনের বার্ষিক রাজস্ব ৫০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অতিক্রম করেছে, যা প্রমাণ করে তাদের ব্যবসায়িক কৌশলের কারণে অ্যামাজন আজ এই পর্যায়ে আছে।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-7757" src="https://bstandard.info/english/wp-content/uploads/2024/12/image-02-20.jpg" alt="অ্যামাজনের প্রবৃদ্ধি প্রদর্শনকারী একটি গ্রাফ বা চিত্র, যেখানে এর ব্যবসায়িক মডেল ও সাফল্যের ধারাবাহিকতা দেখানো হয়েছে।" width="1024" height="576" /></p>
<p><b>অ্যামাজনের বর্তমান অবস্থা এবং ভবিষ্যৎ</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বর্তমানে অ্যামাজন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ক্লাউড কম্পিউটিং, এবং আন্তর্জাতিক বাজারে শক্তিশালী বিনিয়োগের মাধ্যমে নিজেদের পরিধি আরও বাড়াচ্ছে। ফ্লাইহুইল মডেল তাদের বর্তমান অবস্থানকে আরও দৃঢ় করেছে। ভবিষ্যতে আরও উদ্ভাবনী পদ্ধতি গ্রহণের মাধ্যমে তারা আরও বড় লক্ষ্যে পৌঁছানোর পরিকল্পনা করছে, যা তাদের প্রযুক্তিগত এবং ব্যবসায়িক ক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করবে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">অ্যামাজনের ফ্লাইহুইল মডেল ব্যবসায়িক দুনিয়ায় একটি বিপ্লবের সূচনা করেছে। এটি শুধু অ্যামাজনের জন্য নয়, বরং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্যও একটি শিক্ষার উৎস। ক্রমাগত উন্নতি, গ্রাহক সন্তুষ্টি, এবং কৌশলগত বিনিয়োগের মাধ্যমে অ্যামাজন দেখিয়েছে যে একটি প্রতিষ্ঠান কীভাবে সফল হতে পারে।</span></p>
<p style="text-align: right;"><a href="https://bstandard.info/english/references00122/" target="_blank" rel="noopener"><em><strong>&#8220;তথ্যসূত্র&#8221;</strong></em></a></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bstandard.info/english/how-does-amazons-flywheel-model-work/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ড. ইউনুসের নতুন বিশ্বঃ  এ ওয়ার্ল্ড অফ থ্রি জিরোস</title>
		<link>https://bstandard.info/english/dr-yunuss-new-world-a-world-of-three-zeros/</link>
					<comments>https://bstandard.info/english/dr-yunuss-new-world-a-world-of-three-zeros/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজটেক স্ট্যান্ডার্ড]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 01 Oct 2024 06:32:45 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিসনেস স্ট্রাটেজিস]]></category>
		<category><![CDATA[বিজ-মার্কেটিং]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://thenextmag.bk-ninja.com/default/?p=1852</guid>

					<description><![CDATA[পৃথিবীটা কেমন হতো যদি বিশ্বব্যাপী দরিদ্রতা, বেকারত্ব এবং কার্বন নির্গমন এই তিনটি  সমস্যার সমাধান হয়ে যেত? এমনি একটি নতুন অর্থনৈতিক মডেল প্রস্তাব করেছেন  শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী এবং গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনুস। বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক পরিবর্তনের লক্ষ্যে তিনি একটি নতুন ধারণা তুলে ধরেছেন, যার নাম দিয়েছেন &#8221; এ ওয়ার্ল্ড অফ থ্রি জিরোস &#8220;। ড. মুহাম্মদ ইউনুস তাঁর বই  &#8220;এ ওয়ার্ল্ড অফ থ্রি জিরোস: দ্য নিউ ইকোনমিক্স অফ জিরো পভার্টি, জিরো আনএমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড জিরো নেট কার্বন এমিশন&#8221; &#8211; এ নতুন এক অর্থনৈতিক মডেল উপস্থাপন করেছেন । তাঁর এই নতুন মডেল মূলত তিনটি প্রধান বিষয়ের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে: [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<table width="100%">
<tbody>
<tr>
<td align="left"><a href="https://bstandard.info/english/english/dr-yunuss-new-world-a-world-of-three-zeros/" type="button" class="btn btn-info btn-md">Read it in English</a></td>
<td align="right"><a href="#" type="button" class="btn btn-link btn-lg">গবেষক এবং প্রতিবেদক: </a><a href="https://bstandard.info/english/author/shama/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">শামা সুলতানা</a> <a href="https://bstandard.info/english/author/anika/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">আনিকা তায়্যিবা</a></td>
</tr>
</tbody>
</table>
<p><span style="font-weight: 400;">পৃথিবীটা কেমন হতো যদি বিশ্বব্যাপী দরিদ্রতা, বেকারত্ব এবং কার্বন নির্গমন এই তিনটি  সমস্যার সমাধান হয়ে যেত? এমনি একটি নতুন অর্থনৈতিক মডেল প্রস্তাব করেছেন  শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী এবং গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনুস। বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক পরিবর্তনের লক্ষ্যে তিনি একটি নতুন ধারণা তুলে ধরেছেন, যার নাম দিয়েছেন &#8221; এ ওয়ার্ল্ড অফ থ্রি জিরোস &#8220;।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">ড. মুহাম্মদ ইউনুস তাঁর বই  &#8220;এ ওয়ার্ল্ড অফ থ্রি জিরোস: দ্য নিউ ইকোনমিক্স অফ জিরো পভার্টি, জিরো আনএমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড জিরো নেট কার্বন এমিশন&#8221; &#8211; এ নতুন এক অর্থনৈতিক মডেল উপস্থাপন করেছেন । তাঁর এই নতুন মডেল মূলত তিনটি প্রধান বিষয়ের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে: শূন্য দারিদ্র্য, শূন্য বেকারত্ব এবং শূন্য নেট কার্বন নির্গমন। তাঁর মতে,, বর্তমান পুঁজিবাদী অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বিশ্বের সমস্যাগুলির সমাধান করতে সক্ষম নয়, বরং এটি মুনাফাকেন্দ্রিক হওয়ায় বিরূপভাবে আয় বৈষম্য এবং সামাজিক অসমতা তৈরি করে। তাই, বিশ্বের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য </span><b>দারিদ্র্য, বেকারত্ব এবং কার্বন নির্গমনের</b><span style="font-weight: 400;"> সমস্যা সমাধানের নীতি গ্রহণ করতে হবে। </span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone wp-image-7416 size-full" src="https://bstandard.info/english/wp-content/uploads/2024/10/image-01-3.png" alt="ডঃ ইউনূসের নতুন বিশ্ব: তিন জিরোর বিশ্ব, দারিদ্র্য, বেকারত্ব এবং কার্বন নির্গমন দূর করার জন্য তার দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">১</span><span style="font-weight: 400;">.</span><span style="font-weight: 400;"> শূন্য দারিদ্র্য (জিরো পভার্টি)</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বইটির প্রথম &#8220;শূন্য&#8221; হলো শূন্য দারিদ্র্য। ড. ইউনুসের মতে, দরিদ্রতা কেবল অর্থের অভাব নয়, এটি ক্ষমতার অভাব, সুযোগের অভাব এবং সামাজিক ন্যায়বিচারের অভাব। বর্তমান পুঁজিবাদী ব্যবস্থা ধনী ও দরিদ্রের মধ্যে একটি বিশাল বৈষম্য তৈরি করে। এই ব্যবস্থায় ধনীরা আরও ধনী হয়, আর দরিদ্ররা আরও অসহায় হয়ে পড়ে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">উদাহরণস্বরূপ, অক্সফামের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে বিশ্বের শীর্ষ ১% ধনী ব্যক্তিরা মোট সম্পদের ৪৩% এর মালিক। এদিকে, ২০২৩ সালে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা জানায় যে বিশ্বব্যাপী ২৪১ মিলিয়ন মানুষ চরম দারিদ্র্য সীমার নিচে বাস করছে, যাদের দৈনিক আয় ২.১৫ মার্কিন ডলারের কম। এমন অসম সম্পদের বণ্টন দরিদ্রতা বৃদ্ধি করে এবং সমাজে বৈষম্য সৃষ্টি করে। ড. ইউনুস মনে করেন, দরিদ্রতা দূর করার জন্য দরিদ্রদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন প্রয়োজন, যা সমাজে সমান সুযোগ সৃষ্টি করবে। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">এই উদ্দেশ্য পূরণের জন্য, তিনি **&#8221;সোশ্যাল বিজনেস&#8221;** নামক একটি ব্যবসায়িক মডেলের প্রস্তাব দেন।  এই মডেলে ব্যবসার উদ্দেশ্য মুনাফা নয়, বরং সামাজিক সমস্যার সমাধান করা। এখানে অর্জিত মুনাফা ব্যবসায় পুনরায় বিনিয়োগ করা হয়, যার ফলে সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। এটি এমন একটি মডেল যেখানে মুনাফা অর্জনের পরিবর্তে সামাজিক সমস্যার সমাধানে মনোযোগ দেওয়া হয়। এই ধরনের ব্যবসায়ের লাভ পুনরায় ব্যবসায় বিনিয়োগ করা হয়, যা সমাজের জন্য কল্যাণকর। সোশ্যাল বিজনেসের মাধ্যমে দরিদ্ররা স্বনির্ভর হতে পারে এবং দরিদ্রতার চক্র থেকে মুক্তি পেতে পারে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">২</span><span style="font-weight: 400;">.</span><span style="font-weight: 400;"> শূন্য বেকারত্ব (জিরো আনএমপ্লয়মেন্ট)-</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বইটির দ্বিতীয় &#8220;শূন্য&#8221; হলো শূন্য বেকারত্ব। ড. ইউনুসের মতে, বর্তমান অর্থনৈতিক ব্যবস্থা সবার জন্য কাজের সুযোগ সৃষ্টি করতে ব্যর্থ হয়েছে। বিশেষ করে যুবসমাজ এবং দরিদ্র শ্রেণীর মানুষ বেকারত্বের শিকার হয়। ২০২৩ সালে, বিশ্বব্যাপী বেকারত্বের হার প্রায় ৪.৯৬%, যা প্রায় ৩৯৬.৮ মিলিয়ন বেকার মানুষের প্রতিনিধিত্ব করে। বাংলাদেশে সেই একই বছরে বেকারত্বের হার প্রায় ৫.০৬%, যা ৩.৫ মিলিয়ন মানুষের সমান। ড. ইউনুস বিশ্বাস করেন, প্রতিটি মানুষ উদ্যোক্তা হওয়ার ক্ষমতা রাখে যদি তাকে সুযোগ দেওয়া হয়। তিনি প্রস্তাব দেন যে সোশ্যাল বিজনেস এবং মাইক্রোক্রেডিট মডেলের মাধ্যমে দরিদ্র ও বেকার মানুষ নিজেদের ব্যবসা শুরু করতে পারে এবং নিজেদের ও অন্যদের জন্যও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে পারে। এতে দারিদ্র্য ও বেকারত্বের সমস্যা একসঙ্গে সমাধান করা সম্ভব হবে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">৩</span><span style="font-weight: 400;">.</span><span style="font-weight: 400;"> শূন্য নেট কার্বন নির্গমন (জিরো নেট কার্বন এমিশন)-</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বইটির তৃতীয় এবং শেষ &#8220;শূন্য&#8221; হলো শূন্য কার্বন নিঃসরণ। ড. ইউনুস মনে করেন, বর্তমান অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রাকৃতিক সম্পদের অপব্যবহার করছে, যার ফলে কার্বন নির্গমন বেড়েছে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে মানব সভ্যতা হুমকির মুখে পড়েছে। উদাহরণস্বরূপ, ২০২৩ সালে বৈশ্বিক কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমন ছিল ৪০.৯ বিলিয়ন মেট্রিক টন। ১৮৮০ সাল থেকে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা অন্তত ১.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেয়েছে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">ড. ইউনুস মনে করেন, পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ও নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে কার্বন নির্গমন কমানো সম্ভব।  একটি টেকসই এবং পরিবেশবান্ধব অর্থনৈতিক ব্যবস্থা তৈরি করা প্রয়োজন যেখানে কার্বন নির্গমন রোধে কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এই উদ্দেশ্য অর্জনে শিল্প উৎপাদনে পুনর্ব্যবহারযোগ্য উপকরণের ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে এবং নবায়নযোগ্য শক্তির দিকে ঝোঁক বাড়াতে হবে।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-7415" src="https://bstandard.info/english/wp-content/uploads/2024/10/image-02-3.png" alt="জিরো নেট কার্বন নির্গমন: ড. ইউনূসের নিউ ওয়ার্ল্ড ভিশনের একটি মূল দিক যার লক্ষ্য স্থায়িত্ব এবং পরিবেশগত দায়িত্ব প্রচার করা।" width="1000" height="562" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">এক্ষেত্রে চারটি প্রয়োজনীয় উপাদান-</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">ড. ইউনুসের &#8220;তিনটি শূন্যের বিশ্ব&#8221; মডেল বাস্তবায়নের জন্য তিনি চারটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদানের উপর জোর দেওয়া প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন-</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">১. তরুণদের শক্তি ও সৃজনশীলতাকে কাজে লাগানো,</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">২. প্রযুক্তির ক্ষমতা ব্যবহার করা,</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">৩. ব্যবসাকে সামাজিক ব্যবসায় রূপান্তর করা এবং</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">৪. সুশাসন নিশ্চিত করা।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">তার মতে, সুশাসনই এই পুরো প্রক্রিয়ার ভিত্তি। আইনের শাসন, গণতন্ত্র, মৌলিক অধিকার এবং স্বচ্ছ ও দায়বদ্ধ শাসন ব্যবস্থা না থাকলে এই মডেল সফল হতে পারবে না। তাই সুশাসন নিশ্চিত করার মাধ্যমে &#8220;তিনটি শূন্য&#8221; ধারণা বাস্তবায়িত হবে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">ড. মুহাম্মদ ইউনুসের &#8221; এ ওয়ার্ল্ড অফ থ্রি জিরোস&#8221; এই তত্ত্ব আমাদেরকে একটি সমতাভিত্তিক ও টেকসই বিশ্ব গড়ার অনুপ্রেরণা দেয়। বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তির উদ্ভাবনকে কাজে লাগিয়ে দরিদ্রতা, বেকারত্ব, এবং পরিবেশগত সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। তাই তাঁর মতে, প্রযুক্তিকে সঠিকভাবে ব্যবহার করে টেকসই উন্নয়নের পথ তৈরি করতে হবে।</span></p>
<p style="text-align: right;"><em><strong><a href="https://bstandard.info/english/references00007/" target="_blank" rel="noopener">&#8220;তথ্যসূত্র&#8221;</a></strong></em></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bstandard.info/english/dr-yunuss-new-world-a-world-of-three-zeros/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>উদ্যোক্তাদের ৯টি বিশেষ তত্ত্ব</title>
		<link>https://bstandard.info/english/nine-unique-theories-of-entrepreneurship/</link>
					<comments>https://bstandard.info/english/nine-unique-theories-of-entrepreneurship/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজটেক স্ট্যান্ডার্ড]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 29 Sep 2024 02:12:29 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিসনেস স্ট্রাটেজিস]]></category>
		<category><![CDATA[বিজ-মার্কেটিং]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://thenextmag.bk-ninja.com/default/?p=1905</guid>

					<description><![CDATA[উদ্যোক্তা মানে নতুন ব্যবসা বা প্রকল্প শুরু করা, সাধারণত এটি নির্ভর করে নতুন কোনো আইডিয়ার উপরে। যেমন যে কোনো পণ্য বা পরিষেবাপ্রদান, যা মানুষের জীবনে মূল্য যোগ করতে পারে বা অর্থ উপার্জন করার উপায়।  উদ্যোক্তারা হলেন সমাজের সেই সব ব্যাক্তি যারা তাদের নতুন ধারণা গুলি সমাজের কাছে উপস্থাপন করে। পাশাপাশি সেই ধারনাকে বাস্তবে কোনো ব্যবসায় রূপান্তর করতে কঠোর পরিশ্রম করেন। এই অসম্ভবকে সম্ভবে রুপান্তরিত করতে তারা বিভিন্ন পরিকল্পনা করে, সংগঠিত করে এবং পরিচালনা করে থাকে। যদিও তাদের এই যাত্রায় সবসময় কিছু অনিশ্চয়তা বা ঝুঁকি জড়িত থাকেই। তবে অর্থ উপার্জনের পাশাপাশি একজন উদ্যোক্তা সৃজনশীল উপায়ে সমস্যা সমাধান করে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<table width="100%">
<tbody>
<tr>
<td align="left"><a href="https://bstandard.info/english/english/nine-unique-theories-of-entrepreneurship/" type="button" class="btn btn-info btn-md">Read it in English</a></td>
<td align="right"><a href="#" type="button" class="btn btn-link btn-lg">গবেষক এবং প্রতিবেদক: </a><a href="https://bstandard.info/english/author/shama/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">শামা সুলতানা</a> <a href="https://bstandard.info/english/author/isfaqul/" type="button" class="btn btn-default btn-xs">ইসফাকুল কবির</a></td>
</tr>
</tbody>
</table>
<p><span style="font-weight: 400;">উদ্যোক্তা মানে নতুন ব্যবসা বা প্রকল্প শুরু করা, সাধারণত এটি নির্ভর করে নতুন কোনো আইডিয়ার </span><span style="font-weight: 400;">উপরে। যেমন যে কোনো পণ্য বা পরিষেবাপ্রদান, যা মানুষের জীবনে মূল্য যোগ করতে পারে বা </span><span style="font-weight: 400;">অর্থ উপার্জন করার উপায়। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">উদ্যোক্তারা হলেন সমাজের সেই সব ব্যাক্তি যারা তাদের নতুন ধারণা গুলি সমাজের কাছে উপস্থাপন করে। পাশাপাশি সেই ধারনাকে বাস্তবে কোনো ব্যবসায় রূপান্তর করতে কঠোর পরিশ্রম করেন। এই অসম্ভবকে সম্ভবে রুপান্তরিত করতে তারা বিভিন্ন পরিকল্পনা করে, সংগঠিত করে এবং পরিচালনা করে থাকে। যদিও তাদের এই যাত্রায় সবসময় কিছু অনিশ্চয়তা বা ঝুঁকি জড়িত থাকেই। তবে অর্থ উপার্জনের পাশাপাশি একজন উদ্যোক্তা সৃজনশীল উপায়ে সমস্যা সমাধান করে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">উদ্যোক্তা তত্ত্ব  সম্পর্কে কেন জানবেন? </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">কারণ এই তত্ত্ব  গুলি একটি গাঠনিক কাঠামোর মাধমে আমাদের বুঝতে সাহায্য করে যে কেনো এবং </span><span style="font-weight: 400;">কিভাবে একজনের নেওয়া উদ্যোগ সফল হবে। এই তত্ত্বঃগুলি ব্যাখ্যা করে কেন একজন মানুষ উদ্যোক্তা হতে চায় , কেনো অন্যরা এটা থেকে দূরে থাকে এবং কোন বিষয় গুলি একটি ব্যবসাকে সফল ও ব্যর্থ করে। তত্ত্ব  শেখার মাধ্যমে আপনি বুঝতে পারবেন কোন ব্যপার গুলি একজন উদ্যোক্তাকে উজ্জীবিত করে এবং কোন ধরণের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি তারা হয়ে থাকে। চলুন জেনে নেওয়া যাক বেশ কিছু উদ্যোক্তা তত্ত্ব । </span></p>
<p><b>উদ্যোক্তা উদ্ভাবন তত্ত্বঃ </b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">জোসেফ শুম্পেটার তার উদ্যোক্তা উদ্ভাবন তত্ত্বে বলেন, উদ্যোক্তা হলো সম্পূর্ণ উদ্ভাবন সম্পর্কিত। তিনি বলেন উদ্যোক্তারা নতুন পণ্য, পরিষেবা বা প্রক্রিয়া তৈরি করে যা বাজার পরিবর্তন করতে পারে </span><span style="font-weight: 400;">এবং এর মাধ্যমে সমাজে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি চালাতে পারে। জোসেফ বলেন উদ্যোক্তারা সমাজের জন্য উদ্ভাবক রুপে কাজ করে। এই উদ্যোক্তাদের সাফল্য নির্ভর করে সৃজনশীলতা, </span><span style="font-weight: 400;">নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার এবং বাজারের প্রবণতা অনুমান করে কাজ করার উপর। </span></p>
<p><b>উদ্যোক্তা সাংস্কৃতিক তত্ত্বঃ </b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">এই তত্ত্ব ব্যাখ্যা করে যে কিভাবে সমাজের বিভিন্ন সাংস্কৃতি, মূল্যবোধ এবং বিশ্বাস উদ্যোক্তাদের </span><span style="font-weight: 400;">কার্যক্রমকে প্রভাবিত করে। প্রতিটা সমাজ ভিন্ন ভাবে সেখানকার উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করে থাকে </span><span style="font-weight: 400;">যা নির্ভর করে মূল্যবোধ, ঝুঁকি নেবার ক্ষমতা, উদ্ভাবন এবং ব্যাক্তিত্বের উপর। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">উদাহরণস্বরূপ, যে সমাজ স্বাধীনতাকে মূল্য দেয় এবং সৃজনশীলতাকে পুরস্কৃত করে সেই সমাজে সফল উদ্যোক্তা তৈরি করার সম্ভাবনা বেশি। হফস্টেডের এই তত্বটি বুঝতে সাহায্য করে যে, কিভাবে </span><span style="font-weight: 400;">সাংস্কৃতিক পার্থক্যগুলি সমাজ জুড়ে উদ্যোক্তা আচরণকে প্রভাবিত করতে পারে। </span></p>
<p><b>৪ পিস অফ ক্রিয়েটিভিটি তত্ত্বঃ </b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">মেল রোডস তার এই তত্বে বলেন যদি ব্যাক্তি, পণ্য, প্রক্রিয়া, জায়গা এই চারটি বিষয় নিয়ে সঠিক </span><span style="font-weight: 400;">সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় তবে তা ব্যবসায় কিরুপ ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">ব্যক্তি : ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্য, কৌতূহল এবং ঝুঁকি নেওয়ার ইচ্ছা উদ্রোক্তাকে </span><span style="font-weight: 400;">সৃজনশীল হতে সাহায্য করে।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-7445" src="https://bstandard.info/english/wp-content/uploads/2024/09/image-01-2.png" alt="সৃজনশীলতার তত্ত্বের চারটি বিভাগের ভিজ্যুয়াল উপস্থাপনা, উদ্যোক্তাতার বিস্তৃত তত্ত্বের সাথে লিঙ্ক করা।" width="1024" height="576" /></p>
<p><i><span style="font-weight: 400;">প্রক্রিয়া:</span></i><span style="font-weight: 400;"> ব্যবসায় নতুন ধারণা যোগ করা। ব্যবসা বিকাশে করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ এবং </span><span style="font-weight: 400;">পদ্ধতি নিয়ে কাজ করা। </span></p>
<p><i><span style="font-weight: 400;">জায়গাঃ </span></i><span style="font-weight: 400;">ব্যক্তির চারপাশের পরিবেশ, যেমন কর্মক্ষেত্রের সংস্কৃতি বা সামাজিক প্রভাব, </span><span style="font-weight: 400;">যা সৃজনশীলতা যা ব্যবসাকে বিশেষ ভাবে প্রভাবিত করে।</span></p>
<p><i><span style="font-weight: 400;">পণ্যঃ</span></i><span style="font-weight: 400;"> উদ্যোক্তার পরিশ্রমের শেষ ফলাফল হলো তার পণ্য। নতুন পরিষেবা বা ভিন্ন ধর্মী পণ্য যা ব্যবসাকে </span><span style="font-weight: 400;">প্রভাবিত করতে পারে বিশেষভাবে। </span></p>
<p><b>উচ্চ মুনাফা অর্জনের তত্ত্বঃ</b><span style="font-weight: 400;">  </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">ডেভিড ম্যাকক্লেল্যান্ডের এই তত্বে বলে, মানুষ তার কাজে সফলতা পাবার জন্য নিজেকে </span><span style="font-weight: 400;">অনুপ্রাণিত করে রাখে। তিনি আরও বলেন, ব্যক্তি যার উচ্চ মাত্রায় সফলতা পাবার ইচ্ছা থাকে তারা </span><span style="font-weight: 400;">নিজেদের বিভিন্ন ছোট ছোট কাজের মাধ্যমে তাদের লক্ষ পূরণ করে থাকে। যেমন, </span></p>
<p><i><span style="font-weight: 400;">চ্যালেঞ্জঃ</span></i><span style="font-weight: 400;"> উদ্যোক্তারা কঠিন কাজ করতে পছন্দ করে এবং বিচার বিবেচনার মাধ্যমে চ্যালেঞ্জ নিতে </span><span style="font-weight: 400;">পছন্দ করে। </span></p>
<p><i><span style="font-weight: 400;">প্রতিক্রিয়াঃ</span></i><span style="font-weight: 400;"> ব্যবসায় উন্নতির জন্য উদ্যোক্তারা গঠনমূলক সমালোচনাকে সাদরে গ্রহণ করে। </span></p>
<p><i><span style="font-weight: 400;">স্বাধীনতাঃ</span></i><span style="font-weight: 400;"> তারা স্বাধীনভাবে কাজ করতে এবং সিদ্ধান্ত নিতে চায়।  </span></p>
<p><b>ঝুঁকি বহনকারী তত্ত্বঃ</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">ফ্র্যাঙ্ক হাইনেম্যান নাইট এই তত্ত্ব বলেন যে, উদ্যোক্তারা প্রায়ই ব্যবসায় অজানা ঝুঁকির সম্মুখীন হন </span><span style="font-weight: 400;">এবং তারা এই সমস্ত অনিশ্চয়তা যুক্ত ঝুঁকি গ্রহণ করতে আগ্রহ প্রকাশ করে থাকে আরও বেশি লাভের আসায়।  তাদের এই অনিশ্চয়তা কাঁটাতে ব্যাংক এর মত অর্থ দানকারী প্রতিষ্ঠান গুলি কাজ করে থাকে। ফ্র্যাঙ্ক মনে করেন, ব্যবসায় অনিশ্চয়তা উদ্যোক্তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি উদ্যোক্তার আরও বেশি লাভের দিকে পরিচালিত করতে পারে।</span></p>
<p><b>উদ্যোক্তা বৃদ্ধির রাজনৈতিক সিস্টেম তত্ত্বঃ</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">একটি স্থিতিশীল এবং সহায়ক রাজনৈতিক পরিবেশ উদ্যোক্তাকে ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে। </span><span style="font-weight: 400;">যখন রাজনৈতিক অবস্থা ভালো থাকে এবং সরকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন পাশাপাশি উদ্যোক্তাদের </span><span style="font-weight: 400;">জন্য সহায়ক নীতি প্রদান করে তখন মানুষ ব্যবসা করতে আগ্রহ প্রকাশ করে। এমন সহায়ক পরিবেশ উদ্যোক্তাদের দক্ষতা বাড়ায় এবং দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখে। </span></p>
<p><b>তথ্য সম্পদ-ভিত্তিক উদ্যোক্তা তত্ত্বঃ</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">সঠিক তথ্য থাকা উদ্যোক্তাদের জন্য ব্যবসার সুযোগগুলি খুঁজে বের করা এবং তা অনুসরণ করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। যেমন, </span></p>
<p><i><span style="font-weight: 400;">আর্থিক মূলধনঃ</span></i><span style="font-weight: 400;"> একটি ব্যবসায় বিনিয়োগ করার জন্য যে অর্থের প্রয়োজন তা সম্পর্কে সঠিক তথ্য।</span></p>
<p><i><span style="font-weight: 400;">সামাজিক মূলধনঃ</span></i><span style="font-weight: 400;"> মানুষের সাথে মানুষের যোগাযোগ এবং ভালো সম্পর্ক উদ্যোক্তাদের ধারণা গুলিকে ব্যবসায় রূপান্তর করতে সাহায্য করে। </span></p>
<p><i><span style="font-weight: 400;">মানব পুঁজিঃ</span></i><span style="font-weight: 400;"> সঠিক দিক নির্দেশনা এবং কাজ সম্পর্কিত দক্ষতা ব্যবসা বৃদ্ধি করতে পারে। মূলকথা হলো উদ্যোক্তাদের জন্য সঠিক তথ্য এবং সম্পদের ব্যাবস্থা থাকা প্রয়োজন যাতে তারা তাদের ব্যবসার উন্নতি ঘটাতে পারে। </span></p>
<p><b>উদ্যোক্তা প্রভাবের তত্ত্বঃ </b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">এই তত্ত্ব ব্যাখ্যা করে যে কীভাবে সফল উদ্যোক্তারা একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে কাজ শুরু করলেও যদি </span><span style="font-weight: 400;">তার পক্ষে তা এই মুহূর্তে সকল সম্পদের যোগার করা সম্ভব না হয়। তবে তার কাছে যা আছে তাই </span><span style="font-weight: 400;">দিয়েই সে কাজ শুরু করে। তারা তাদের জ্ঞান, দক্ষতা এবং যোগাযোগের উপর ফোকাস করে এবং তারা যতটুকু সম্পদের মালিক থাকে তার উপর ভিত্তি করেই তারা পরিকল্পনা সাঁজায়। এই ধরণের মানসিকতা তাদের কাজ না করে বসে থাকা থেকে বিরত রাখে এবং সুযোগের সঠিক ব্যবহার করতে উদ্বুদ্ধ করে। </span></p>
<p><b>নলেজ শেয়ারিং তত্ত্বঃ </b></p>
<p><span style="font-weight: 400;">দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আসে নতুন উদ্ভাবন এবং প্রতিষ্ঠিত কোম্পানি উভয় দিক থেকেই আসে। </span><span style="font-weight: 400;">একটি কোম্পানির কর্মচারীরা যখন তাদের মূল্যবান অন্তর্দৃষ্টি শেয়ার করে তখন তা উদ্যোক্তাদের নতুন সুযোগ খুঁজে পেতে সাহায্য করে। অনেক ক্ষেত্রে বিভিন্ন কোম্পানি তাদের নিজস্ব গোপনীয়তা রক্ষা করে। তবে কিছু ক্ষেত্রে একটি প্রতিষ্ঠানের তথ্য সবার মাঝে উন্মুক্ত করে দেওয়া উচিত যেমন  কোম্পানির সফলতার যাত্রা। যার ফলে নতুন উদ্যোক্তারা সাহস পাবে। যা অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার জন্য বিস্তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-7444" src="https://bstandard.info/english/wp-content/uploads/2024/09/image-02-2.png" alt="জ্ঞান ভাগ করে নেওয়ার উপপাদ্যের ভিজ্যুয়াল উপস্থাপনা, উদ্যোক্তা তত্ত্বের সাথে এর সংযোগ চিত্রিত করে।" width="1024" height="576" /></p>
<p><span style="font-weight: 400;">মোট কথা, দেশের এবং সমাজের উন্নতির জন্য উদ্যোক্তাদের জন্য একটি সঠিক সুন্দর পরিবেশ আমাদের তৈরি করতে হবে। তাদের জন্য অর্থ, দিক নির্দেশনার ব্যবস্থা রাখতে হবে। দেশে স্থিতিশীল অবস্থা রাখতে হবে। যেন তরুণরা তাদের নতুন ধারণা নিয়ে ব্যবসা করার মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখতে পারে। </span></p>
<p style="text-align: right;"><em><strong> <a href="https://bstandard.info/english/references00014/" target="_blank" rel="noopener">&#8220;তথ্যসূত্র&#8221;</a></strong></em></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bstandard.info/english/nine-unique-theories-of-entrepreneurship/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
